ফরিদপুরের সালথায় চাচার সঙ্গে স্ত্রী পরকীয়ায় জড়ানোয় সোহেল খান (৩০) নামে এক যুবক রাগে-ক্ষোভে ‘আত্মহত্যা’ করেছেন। যদিও তার মায়ের দাবি, ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে।
রোববার (৮ আগস্ট) গভীর রাতে উপজেলার শৈলডুবি গ্রামে নিজের ঘরে তিনি ‘আত্মহত্যা’ করেছেন বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে। সোহেল ওই গ্রামের আইয়ুব খানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পেশায় রাজমিস্ত্রি সোহেল ২০১৭ সালে বিয়ে করেন। তার সাড়ে তিন বছরের একটি ছেলেও রয়েছে। রোববার রাতে একই সঙ্গে শুয়ে পড়লেও মধ্যরাতে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান স্ত্রী। পরে বটি দিয়ে ওড়না কেটে মরদেহ নামিয়ে পরিবারের স্বজনদের ডাকেন তিনি।
অবশ্য সোহেল খানের মা অভিযোগ করেন, চাচা সেকেন্দারের সঙ্গে তার বউয়ের অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। এ নিয়ে পরিবারে অনেক ঝামেলাও হয়েছে।
সোহেলকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে তার মা এর বিচার দাবি করেন।
সোহেলের বোন বিথী আক্তার বলেন, প্রায় দুই বছর ধরে চাচা সেকেন্দারের সঙ্গে আমার ভাবির অবৈধ সম্পর্ক চলছিল। রোববার রাত ৮টার দিকেও আমি তাদের এক সঙ্গে অনৈতিক অবস্থায় দেখে ফেলি। এরপর বিষয়টি আমি সবাইকে জানাই।
সোহেলের ফুফু আছিয়া বেগম বলেন, অনেকদিন ধইর্যাই তাগোর মইধ্যে পিরিতি চইল্যা আসতিছে। কাইলক্যাও হাতেনাতে ধরা খাওয়ার পর ভাতিজা আর সহ্য করবার পারে নাই। সোহেল ওর বউরে অনেক বুঝাইছে। বউর পাও জড়ায় ধরছিলো।
এ ব্যাপারে ঘটনাস্থলে গিয়েও সেকেন্দার খাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার স্ত্রীও এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এ ব্যাপারে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশিকুজ্জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। পরে স্বজনদের অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।
এন কে বি নয়ন/আরএইচ/এইচএ/জেআইএম