ফরিদপুরে পদ্মা নদীর পানি বিপৎসীমার ৪৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে ভাঙন, দুর্ভোগে পড়ছে হাজার হাজার মানুষ।
শনিবার (২৮ আগস্ট) ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সুলতান মাহমুদ এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ফরিদপুর সদর উপজেলার দুটি ইউনিয়নে পদ্মার, সদরপুর উপজেলার চারটি ইউনিয়নে আড়িয়াল খাঁ ও মধুখালী, আলফাডাঙ্গা উপজেলায় মধুমতী নদীতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন ঠেকাতে নদীতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় সদর উপজেলার ডিক্রিরচর, নর্থ চ্যানেল, চরমাধবদিয়া ও আলিয়াবাদের নিম্নাঞ্চলের বেশির ভাগ গ্রাম প্লাবিত রয়েছে। এছাড়া সদরপুরের চর নাসিরপুর, ঢেউখালী, চর মানাইর, আকটেরচর ইউনিয়নের অর্ধশত গ্রাম ও চরভদ্রাসন উপজেলার চরঝাউকান্দা, চরভদ্রাসন সদর, চরহরিরামপুরের শতাধিক গ্রামের অন্তত ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
নর্থ চ্যানেল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. মোস্তাকুজ্জামান বলেন, ইউনিয়নের বেশিরভাগ গ্রাম পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। অসহায় মানুষের মাঝে অল্পকিছু ত্রাণ বিতরণ করা হলেও তা পর্যাপ্ত নয়।
মো. খবির উদ্দিন মোল্যা নামের ক্ষতিগ্রস্ত এক ব্যক্তি বলেন, পদ্মার ভাঙনে সব হারিয়ে অসহায় অবস্থায় এখানে বসবাস করছি। ভাঙন ঠেকাতে জিও ব্যাগ ফেলা না তাহলে আজীবন রাস্তায় পড়ে থাকতে হবে।
এ ব্যাপারে চরভদ্রাসন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মো. মোতালেব হোসেন মোল্যা বলেন, বাঁধ রক্ষায় নদীতে ১৫ হাজার বস্তা জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।
এন কে বি নয়ন/আরএইচ/এএসএম