কুমিল্লায় জমে উঠেছে শীতবস্ত্র কেনাকাটা। ফুটপাত থেকে শুরু করে ছোট-বড় মার্কেট ও শপিংমলে শীতের পোশাক সোয়েটার, জ্যাকেট, লেডিস জ্যাকেট, হুডি, ব্লেজার, শাল, কানটুপি ও হাতমোজা কিনতে ক্রেতার ভিড় বাড়ছে।
শীত ঝেঁকে বসার আগেই ফুটপাতে অপেক্ষাকৃত সস্তা ও ছোটবড় মার্কেট এবং শপিংমল ভেদে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শীতের পোশাক বিক্রি জমে উঠেছে। দোকানিরা বলছেন বিক্রির চেয়ে মার্কেটে ক্রেতার সংখ্যা তুলনামূলক অনেক বেশি।
বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) নগরীর লাকসাম রোড, কান্দিরপাড়, ঝাউতলা, মনোহরপুর, রাজগঞ্জ, ছাতিপট্টি ও চকবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাত, মার্কেট ও শপিংম সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, নিম্ন আয়ের লোকজন থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্ত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শীতের পোশাক কেনার জন্য ঢু মারছেন এক মার্কেট থেকে অন্য মার্কেটে।
কান্দিরপাড় ও মনোহপুর এলাকায় ফুটপাতে শিশুদের গরম কাপড়ের দোকানে বেশ ভিড় দেখা যায়। অভিভাবকরা শিশুদের সঙ্গে নিয়ে গরম কাপড়ের গেঞ্জি সেট, সোয়েটার, জ্যাকেট, হুডি, শাল ও কানটুপি কিনতে দেখা গেছে।
নিউমার্কেটের নিচ তলায় কেনাকাটা করতে আসা নগরীর দক্ষিণ চর্থার বাসিন্দা আমির হামজা জাগো নিউজকে বলেন, এখনো ভাল ভাবে শীত না এলেও ধীরে ধীরে ঠাণ্ডা পড়তে শুরু করেছে। এ সময়ে শিশুরা ঠাণ্ডা-কাশি ও জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন। এ কারণে বাচ্চাদের জন্য গরম কাপড় কিনতে এসেছি।
মনোহরপুর এলাকায় সোহেল নামে ফুটপাতের এক দোকানি জানান, শনিবার হালকা বৃষ্টির পর থেকে কুমিল্লায় কিছুটা শীত পড়তে শুরু করেছে। এর মধ্যে আমাদের গরম কাপড়ও বেচা-কেনা মোটামুটি জমজমাট হয়ে উঠলে। তিনি বলেন, এখন বেশি বিক্রি হচ্ছে হুডি, সোয়েটার ও ফুলহাতার গেঞ্জি। এ সবের দাম কম থাতায় অনেকে অগ্রিম কিনে রাখছেন। ভালভাবে শীত এলে এস পোশাকে দাম অন্তত ২০০-৫০০টাকা পর্যন্ত বেড়ে যাবে।
চাত্তারখান কমপ্লেক্সে শপিং করতে আসা আনিকা সুলতানা নামে এক নারী জানান, শীত মোটামুটি চলে আসেছে। তাই বাচ্চাদের জন্য গরম কাপড় কিনতে এসেছি। বর্তমানে দাম তুলনামূলক কমই আছে।
জাহিদ পাটোয়ারী/আরএইচ/জেআইএম