জাতীয়

শান্তিরক্ষা মিশনে লেবানন গেলেন নৌবাহিনীর ৭৫ সদস্য

লেবাননে নিয়োজিত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ইউনাইটেড নেশন্স ইন্টারিম ফোর্স ইন লেবাননে (ইউনিফিল) অংশ নিতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ৭৫ জন সদস্যের একটি দল আজ (বুধবার) চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেছে।

বুধবার (১২ অক্টোবর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আইএসপিআর জানায়, নৌসদস্যরা বাংলাদেশ নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট ‘ব্যানকন-১৩’ এর আওতায় লেবাননে মোতায়েন নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ‘সংগ্রাম’ এ যোগ দেবেন। চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের চিফ স্টাফ কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ফয়জুল হক লেবাননগামী নৌসদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানান। এর আগে গত ২ অক্টোবর ৩৫ জন নৌসদস্যের একটি অগ্রগামী দল ইউনিফিলে যোগ দেয়।

আইএসপিআর আরও জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ লেবাননে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করে আসছে। লেবাননের ভূ-মধ্যসাগরে মাল্টিন্যাশনাল মেরিটাইম টাস্কফোর্সের সদস্য হিসেবে উপমহাদেশের মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত রয়েছে। বর্তমানে নিয়োজিত নৌবাহিনী যুদ্ধজাহাজ ‘সংগ্রাম’ লেবাননের ভূ-খণ্ডে অবৈধ অস্ত্র এবং গোলাবারুদ অনুপ্রবেশ প্রতিহত করতে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে চলেছে।

পাশাপাশি ওই জাহাজ লেবানিজ জলসীমায় মেরিটাইম ইন্টারডিকশন অপারেশন পরিচালনা, সন্দেহজনক জাহাজ ও এয়ার ক্রাফটের ওপর নজরদারি, দুর্ঘটনা কবলিত জাহাজে উদ্ধার তৎপরতা এবং লেবাননের সামরিক সদস্যদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়াসহ লেবাননে বসবাসরত বাংলাদেশিদের নিয়মিত চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে।

২০১০ সালে লেবাননে মোতায়েনের পর থেকে এ পর্যন্ত দুই হাজার ৬৮৮ জন নৌসদস্য সফলতার সঙ্গে ওই মিশন সম্পন্ন করেছেন। লেবাননে বাংলাদেশের নৌসদস্যরা অত্যন্ত আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর গর্বিত এই অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি ও সুনাম বৃদ্ধি করেছে।

টিটি/আরএডি/এএসএম