দেশজুড়ে

কাঁচপুর-চেঙ্গাইন সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর ইউনিয়নের কাঁচপুর-চেঙ্গাইন সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। এতে করে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে এলাকাবাসী।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, সংস্কারের অভাবে সড়কটির বিভিন্নস্থানে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কটির বেশিরভাগ স্থানে পিচ উঠে যাওয়ার কারণে এই সড়ক দিয়ে চলাচল করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটির সংস্কার না করায় এমন অবস্থার হয়েছে।এছাড়া সড়কটির বিভিন্নস্থানে বালুর ড্রেজার পাইপ থাকায় যানবাহন চলাচলে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। যার ফলে অনেকেই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। পাশাপাশি রাস্তাটির কোনো সংস্কার না করায় ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ, ব্যবসায়ী, পথচারী ও বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

অটোরিকশাচালক ওয়াসিম বলেন, প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে আমাদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। রাতের অন্ধকারে চলাচল করতে গিয়ে আমরা প্রায় সময়ই দুর্ঘটনার কবলে পড়ি।

মাজেদুল ইসলাম নামের এলাকায় এক স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন, রাস্তাটির অবস্থা খুবই নাজুক। রাস্তার এ অবস্থার কারণে আমাদের বিভিন্নস্থানে মালামাল পাঠাতে অনেক সমস্যা হয়। রাস্তার বেহাল দশার কারণে ঠিক সময়ে মালামাল পাঠানো সম্ভব হয় না।

রাকিবুল ইসলাম নামের এক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলেন, এ সড়ক দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে আমাদের অনেক কষ্ট করতে হয়। বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি জমে রাস্তার অবস্থা এতোটাই খারাপ হয়ে যায় যে চলাচল করা অসম্ভব হয়ে যায়।

কাঁচপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন বলেন, এই সড়কের বিষয়ে আমি কয়েকবার সোনারগাঁ উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরকে (এলজিইডি) জানিয়েছি। তারা কি কারণে এই সড়ক সংস্কারের কাজ শুরু করছেন না তা আমার জানা নেই। এ বিষয়ে তারাই ভালো বলতে পারবেন।

সোনারগাঁ উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রকৌশলী আরজুরুল হক বলেন, এই সড়কটিসহ আরেও কয়েকটি সড়ক নির্মাণের কাজ আমাদের হাতে রয়েছে। আমরা সবগুলো কাজের জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছি। অধিক গুরুত্ব বিবেচনা করে ধাপে ধাপে বিভিন্ন সড়কের কাজ শুরু হবে। আমরা আশা করছি কাঁচপুর-চেঙ্গাইন সড়কের নির্মাণ কাজের অনুমোদন খুব শিগগিরই পেয়ে যাবো। অনুমোদনসহ বাজেট পেয়ে গেলেই আমরা সড়কের সংস্কার কাজ শুরু করে দিবো।

রাশেদুল ইসলাম রাজু/জেএস/এএসএম