ধামরাই হার্ডিঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়কে পাঁচ শিক্ষার্থীকে ভর্তি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ওই শিক্ষার্থীদের উল্লেখিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্টদের।
ওই শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের করা এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান এবং বিচারপতি এ.কে.এম রবিউল হাসানের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন রিটকারীদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া।
রিটকারীরা হলেন তাসফিয়া খান মজলিস, নুসরাত আক্তার সিনহা, শামসুন্নাহার, লামিসা তাসনিম আয়ান এবং খালিদ আহমেদ তাজ।
আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ্ মিয়া এবং তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. শরিফুল ইসলাম। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।
আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ্ মিয়া জানান, শিক্ষার্থীরা ধামরাই সরকারি হার্ডিঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করেন। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা-২০২২ এর ধারা-১২ অনুযায়ী, ‘কোনো প্রতিষ্ঠানে আবেদনকারী শিক্ষার্থীর সহোদর-সহোদরা বা যমজ ভাই-বোন যদি আগে থেকে অধ্যয়নরত থাকে সে সব ভাই-বোনের আবেদন সংশ্লিষ্ট ভর্তি কমিটি যাচাই-বাছাই করে ভর্তির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তবে এ সুবিধা কোনো দম্পতির সর্বোচ্চ দুই সন্তানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।’
আইনজীবী বলেন, ধারা-১২ অনুযায়ী রিটকারীদের ভর্তির বিষয়টি বিবেচনা না করায় আদালত ভর্তির নির্দেশনা দিয়ে রুল জারি করেন।
এফএইচ/জেডএইচ/জেআইএম