দেশজুড়ে

শত্রুতার বলি কৃষকের ২০০ গাছ

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় গ্রাম্য দলাদলির জেরে দফায় দফায় হামলা চালিয়ে কেটে ফেলা হয়েছে কৃষকের বাগানের ছোট-বড় প্রায় ২০০টি গাছ। এক বিঘা জমির ওপর কঠোর পরিশ্রম করে গড়ে তোলা বাগানের ফলজ ও বনজ গাছ কেটে ফেলায় হাহাকার নেমে এসেছে ওই কৃষকের পরিবারে।

রোববার (২৩ এপ্রিল) ও সোমবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় গাছগুলো কেটে ফেলা হয় বলে অভিযোগ করেছেন উপজেলার আলগী ইউনিয়নের ছোট খাড়দিয়া গ্রামের ভুক্তভোগী কৃষক আব্দুল জলিল মাতুব্বর (৭০)।

এদিকে, বাগানের গাছ কাটায় বাধা দিলে উভয়পক্ষের মধ্যে মারামারি বেধে যায়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) রাতে উভয়পক্ষই থানায় অভিযোগ দিয়েছে।

কৃষক আব্দুল জলিল মাতুব্বর জানান, বসতভিটার পাশে এক বিঘা জমিতে তিনি ফলজ ও বনজ গাছের বাগান করেছেন। এখানে প্রায় ১৫০টি কলাগাছ ছাড়াও মেহগনি ও শিশুসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় এবং তার আগের দিন প্রতিপক্ষের লোকজন এসে তার গাছগুলো কেটে ফেলে যান।

তিনি বলেন, দফায় দফায় হামলা করে গাছগুলো কেটে ফেলেন তারা। বাধা দিতে গেলে তার ভাতিজা নাসিরউদ্দিন মাতুব্বর, সিরাজ মাতুব্বর ও আওলাদ মাতুব্বরসহ কয়েকজনকে কুপিয়ে আহত করা হয়। তাদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষের বাবলু মাতুব্বরের নেত্বত্বে রাসেল, ফয়সাল, আবেদ আলী, আছাদুল, ফুরাদ, মুরাদ, ফরিদ মোল্যাসহ তাদের দলবল এ হামলা চালিয়েছেন।

তবে অভিযুক্ত বাবুল মাতুব্বর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘তাদের ওপর পাল্টা হামলা করা হয়েছে।’

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় উভয়পক্ষ থানায় অভিযোগ দিয়েছে। সেখানে গাছপালা কেটে ফেলা ছাড়াও উভয়পক্ষ থেকে পরস্পরের ওপর হামলার অভিযোগ করা হয়েছে। দুটি অভিযোগই তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

এন কে বি নয়ন/ইএ