কুমিল্লায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র ছাত্রলীগের গুলিতে জামিল হাসান অর্ণব (২৮) নামের এক ছাত্রদল কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত আরও চারজন।
শুক্রবার (১৫ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে শাসনগাছা মধ্যমপাড়া আবুল কাশেম ও মোল্লা বাড়ির রাব্বি সঙ্গে সাক্কুর সমর্থকদের সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।
অর্ণব শাসনগাছা মধ্যমপাড়ার আজহার মিয়া ছেলে। তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রদল কর্মী ছিলেন। পাশাপাশি তিনি শাসনগাছা বাস টার্মিনালের সততা বাস সার্ভিসের ম্যানেজার ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ডিগ্রি শিক্ষার্থী ছিলেন।
আহতরা হলেন, নাজমুল জামান অনিক (২৮), নেয়ামত উল্লাহ (৩৫), নুরুল আফসার মোহন (২২) ও নাজমুল হাসান (২৬)। তাদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ নগরীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শুক্রবার জুমার নামাজের পর শহরতলী শাসনগাছা বাস টার্মিনালে কর্মরত অবস্থায় অর্ণবকে একই এলাকায় ছাত্রলীগ কর্মী রাব্বি ও আলাউদ্দিন প্রকাশ্যে গুলি করেন। পরে দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ও সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে অর্ণবসহ অন্তত পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক অর্ণব মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন বলেন, লেগুনা স্ট্যান্ড নিয়ে সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় দুই পক্ষ গোলাগুলি শুরু করলে অর্ণব নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নাদিমুর রহমান শিশির বলেন, অর্ণব আমাদের কর্মী ছিলেন। সাংগঠনিকভাবে দুর্বল থাকায় তাকে হত্যা করা হয়েছে। এবারের জেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে তার নাম বিবেচনায় রাখা হয়েছিল।
জাহিদ পাটোয়ারী/আরএইচ/এএসএম