দেশজুড়ে

হবিগঞ্জে ৪ শিশু হত্যা : ৫ আসামির জামিন নামঞ্জুর

হবিগঞ্জের বাহুবলে ৪ শিশু হত্যা মামলায় ৫ আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. কাউছার আলমের আদালত এ আবেদন নামঞ্জুর করেন। একইসঙ্গে মামলার চার্জশিট গ্রহণ না করে তা শুনানীর জন্য ২৫ মে পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছেন বিচারক।বাদীপক্ষের শুনানীতে অংশ নেয়া আইনজীবী তকদির মোহাম্মদ বেনজীর জনাব জানান, দুইজন আসামির জামিন আবেদন জেলা জজ আদালতে শুনানীর অপেক্ষায় আছে। এটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নিম্ন আদালতে চার্জশিটের শুনানী করা যায়না।আদালত সূত্রে জানা গেছে, ওই উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের আলোচিত ৪ শিশু হত্যা মামলায় মঙ্গলবার কারাগারে আটক জুয়েল মিয়া, রুবেল মিয়া, সাহেদ আলী ওরফে সায়েদ, বশির আহমেদ ও সালেহ আহমেদের জামিন আবেদন করেন তাদের আইনজীবী। শুনানী শেষে বিচারক এ আবেদন নামঞ্জুর করেন। এছাড়া কারাগারে আটক মামলার অন্যতম আসামি আব্দুল আলী বাগাল ও তার সহযোগী হাবিবুর রহমান আরজু জেলা জজ আদালতে জামিন আবেদন করেন। আগামী ১৭ মে এ আবেদনের শুনানীর জন্য দিন ধার্য্য করা হয়েছে। এ অবস্থায় নিম্ন আদালতে চার্জশিটের শুনানী করা সম্ভব নয়। ফলে বিচারক চার্জশিটের শুনানীর জন্য আগামী ২৫ মে তারিখ ধার্য্য করেছেন।উল্লেখ্য, সুন্দ্রাটিকি গ্রামের জাকারিয়া শুভ (৮), তার চাচাতো ভাই মনির মিয়া (৭), তাজেল মিয়া (১০) ও ইসমাইল হোসেন (১০) গত ১২ ফেব্রুয়ারি গ্রামের পার্শ্ববর্তী মাঠে খেলা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি বাড়ির অদূরে একটি বালুর ছড়া থেকে মাটি চাপা দেয়া অবস্থায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মোট মামলার তদন্তভার পান ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুকতাদির হোসেন। তিনি ৪৮ দিন তদন্ত শেষে ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেন। অভিযুক্তরা হলেন, আব্দুল আলী বাগাল, তার ছেলে জুয়েল মিয়া ও রুবেল মিয়া, ভাতিজা সাহেদ আলী ওরফে সায়েদ, অন্যতম সহযোগী হাবিবুর রহমান আরজু, সিএনজি অটোরিকশা চালক বাচ্চু মিয়া, উস্তার মিয়া, বেলাল মিয়া ও বাবুল মিয়া। এর মাঝে সিএনজি অটোরিকশা চালক বাচ্চু মিয়া র্যা বের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা যাওয়ায় এবং ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় গ্রেফতারকৃত সালেহ আহমেদ ও বশির আহমেদকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়ার আবেদন করা হয়। অভিযুক্তদের মাঝে উস্তার, বেলাল ও বাবুল পলাতক রয়েছে।সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/এফএ/পিআর