‘৬ কোটি মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাবে পদ্মা সেতু’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ০৮:৫০ পিএম, ২৩ জুন ২০২২

পদ্মা সেতু চালুর পর দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার প্রায় ছয় কোটি মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ঘটবে। এসব অঞ্চলে ব্যাপক হারে শিল্পায়ন হবে। বিশেষ করে কৃষিতে আসবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। উৎপাদিত কৃষি পণ্য দ্রুত পরিবহনের ফলে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে যাবে। এতে প্রতি বছর দারিদ্র্য নিরসন হবে ০.৮৪ ভাগ ।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) দুপুর ১টায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষক কমপ্লেক্সে গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরাম আয়োজিত ‘স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন ও কৃষিতে বাংলাদেশের উন্নয়ন’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রমিজ উদ্দিন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, পদ্মা সেতু চালু হলে ওই এলাকার কৃষকরা পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাবে। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে পোল্ট্রি শিল্পের সম্প্রসারণ ঘটবে। গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগী পালনে তরুণ উদোক্তারাও ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনায় এগিয়ে আসবে।

এছাড়াও সেতু চালু হলে খুলনা ও বাগেরহাটের মাছ, যশোরের সবজি আর গদখালীর ফুল, বরিশালের ধান ও পানসহ পুরো দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি পণ্য ঢাকাসহ বড় শহরের পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি সহজ হবে।

সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আবু হাদী নূর আলী খান বলেন, চিংড়ি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি পণ্য। উৎপাদনের ৯০ শতাংশের বেশি চিংড়ি উৎপাদিত হয় খুলনা বিভাগে। সেতু চালু হলে চিংড়ি খামারের উৎপাদনশীলতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মহির উদ্দীন, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু এবং বাকৃবির গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামের প্রায় ৩০ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

এএইচ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]