চলন্ত বাসে ডাকাতির সময় ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি: এসপি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৭:৪১ পিএম, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

রাজশাহীগামী চলন্ত বাসে ডাকাতির সময় কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রেস ব্রিফিংয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, নারীদের কাছ থেকে কিছু স্বর্ণালঙ্কার লুণ্ঠিত হয়েছে। ওই সময় দুষ্কৃতকারী ডাকাত দল নাকফুল কানের দুল নেওয়ার সময় নারীদের টাচে গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি এটা আমরা জানতে পেরেছি। শ্লীলতাহানি বলা যেতে পারে।

তিনি বলেন, ডাকাতি ও নারী যাত্রীদের শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতাররা হলেন- মানিকগঞ্জ জেলার মো. শহিদুল ইসলাম (২৯), শরীয়তপুর জেলার মো. সবুজ (৩০) ও ঢাকার সাভারের মো. শরীফ (২৮)।

পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, চলন্ত বাসে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় মামলা হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তথ্য প্রযুক্তি ও বিভিন্ন সোর্স ব্যবহার করে সাভারের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি মোবাইল, একটি ছুরি ও ২৯ হাজার ৩৭০ টাকা জব্দ করা হয়। তাদের পাঁচদিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে মির্জাপুর থানার ডিউটি অফিসার এএসআই আতিকুজ্জামানকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

এর আগে সোমবার রাতে রাজশাহীগামী বাসে মির্জাপুর এলাকায় তিন ঘণ্টা ধরে ডাকাতদল তাণ্ডব চালায়। এসময় দুই নারী যাত্রীকে শ্লীলতাহানি করা হয়। ডাকাতদল ভোর রাত ৪টার দিকে বাস থেকে নেমে যায়। পরে বাসটি আটকে যাত্রীরা নাটোরের বড়াইগ্রাম থানা পুলিশের সহায়তা চায়। বাসযাত্রীদের হাতে আটক বাসচালক বাবলু, সুপারভাইজার মাহবুব ও হেলপার সুমনকে বড়াইগ্রাম থানা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর শুক্রবার সকালে ওই ঘটনায় নাটোরের বড়াইগ্রামের বাসযাত্রী ওমর আলী বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় মামলা করেন।

আহমেদ রাসেল/আরএইচ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।