প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা

পাহাড়ে মাতৃভাষাভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি খাগড়াছড়ি
প্রকাশিত: ০৫:২০ পিএম, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
খাগড়াছড়িতে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার

পাহাড়ি অঞ্চলে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান আরও উন্নত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সময়োপযোগী করতে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।

তিনি বলেন, দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নিজ নিজ মাতৃভাষায় শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি আরও বলেন, পাহাড়ে মাতৃভাষাভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে

রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে খাগড়াছড়ি জেলা শহরের পৌর টাউন হল অডিটোরিয়ামে ‌‘প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট অংশীজনের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন উপদেষ্টা। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা।

মতবিনিময় সভায় রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার সার্বিক অগ্রগতি, চলমান কার্যক্রমের মূল্যায়ন, বিদ্যমান সংকট ও সমস্যা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এতে দুই জেলার দুই শতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, ‘পাহাড়ি অঞ্চলের ভৌগোলিক বাস্তবতা ও সামাজিক বৈচিত্র্য বিবেচনায় নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য আলাদা ও সমন্বিত পরিকল্পনা নিতে হবে। দুর্গম এলাকার শিক্ষার্থীরা যাতে নিরাপদে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করতে পারে, সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি ত্রিপুরা, চাকমা ও মারমা শিক্ষার্থীদের জন্য মাতৃভাষাভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান বিশ্ব তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর। পাহাড়ি অঞ্চলের শিশুরাও যেন এই অগ্রযাত্রা থেকে পিছিয়ে না পড়ে, সেজন্য বিদ্যালয়গুলোতে আইসিটি ক্লাস চালু, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি। আধুনিক শিক্ষাসামগ্রী ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক ছাড়া গুণগত শিক্ষা সম্ভব নয়।’

এসআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।