দুই বছর পর ভারতে পাচারের শিকার ৭ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

উপজেলা প্রতিনিধি
উপজেলা প্রতিনিধি উপজেলা প্রতিনিধি বেনাপোল (যশোর)
প্রকাশিত: ১০:২৪ এএম, ১৫ মার্চ ২০২৬

ভালো কাজ দেওয়ার প্রলোভনে ভারতে পাচারের শিকার সাত বাংলাদেশি নাগরিককে দুই বছর সাজাভোগের পর ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে সাত বাংলাদেশিকে বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম সাখাওয়াত হোসেন জানান, ফেরত আসা বাংলাদেশিদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরবর্তীতে স্থানীয় মানবাধিকার সংগঠন জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার ছয়জন ও মহিলা আইনজীবী সমিতি একজনকে গ্রহণ করেছে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের জন্য।

ফেরত আসা বাংলাদেশিরা হলেন- বরিশালের হিজলা উপজেলার আলতাব হোসেন মাঝির মেয়ে জেসমিন আক্তার, পটুয়াখালীর মাদানপুর এলাকার শাহআলমের ছেলে আরমান হোসাইন, পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মৃত নুর আলীর মেয়ে রুপা ইসলাম (ওরফে নেহা), গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়া উপজেলার চিন্ময় বড়াইয়ের ছেলে জিতেন্দ্র বড়াই, যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার আব্দুল্লা আলী, বরিশাল জেলার কোতোয়ালী মডেল থানার বঙ্কিম চন্দ্র হালদারের ছেলে রাজু হালদার ও পটুয়াখালীর সদর থানার ফারিকুল ইসলামের ছেলে আবু তাহের।

মানবাধিকার সংগঠনের কর্মকর্তা রেখা বিশ্বাস জানান, দালাল ও অনলাইনের মাধ্যমে প্রতারকদের প্রলোভনে পড়ে তারা বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে গিয়েছিলেন অন্য দেশে যাওয়ার আশায়। পরে ভারতের কলকাতায় ঘোরাফেরার সময় পুলিশ তাদের আটক করে। অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে দমদম জেলে পাঠানো হয় তাদের।

তিনি আরও বলেন, দুই দেশের মানবাধিকার সংস্থার হস্তক্ষেপে ভারত ও বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ প্রক্রিয়ায় প্রায় দুই বছর সাজাভোগের পর তাদের কলকাতার একটি শেল্টার হোমে রাখা হয়। পরবর্তীতে দেশে ফেরার অনুমতি পেয়ে তারা শনিবার বাংলাদেশে ফিরে এসেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে মানবাধিকার সংগঠনের ওই কর্মকর্তা জানান।

মো. জামাল হোসেন/এমএন/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।