যাত্রী ছাউনিতে সেলুন, কেউ দিয়েছেন ফার্মেসি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মাদারীপুর
প্রকাশিত: ০৪:২৩ পিএম, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
যাত্রী ছাউনি দখল করে দেওয়া হয়েছে সেলুন। ছবি-মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার সাধুর ব্রিজ বাসস্ট্যান্ড থেকে তোলা

মাদারীপুর জেলা পরিষদ থেকে নির্মাণ করা যাত্রী ছাউনিগুলো দিন দিন বেদখল হয়ে যাচ্ছে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এগুলো ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছেন না যাত্রীরা। অনেকগুলো ছাউনি পরিণত হয়েছে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে। কেউ দিয়েছেন ওষুধ বিক্রির দোকান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মাদারীপুর জেলা পরিষদের অধীনে ঢাকা-বরিশাল মহাড়কের মাদারীপুরের বিভিন্ন অংশে ছয়টি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হয়। তবে এগুলোর বেশিরভাগই এখন ব্যবহারের উপযোগী নয়।

যাত্রী ছাউনিতে সেলুন, কেউ দিয়েছেন ফার্মেসি

রাজৈর উপজেলার সাধুর ব্রিজ বাসস্ট্যান্ডে জেলা পরিষদ থেকে একটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হয়। এখানে সেখানে গড়ে উঠেছে ভ্রাম্যমাণ সেলুন, ওষুধের দোকান।

একই অবস্থা সদর উপজেলার কলাবাড়ি এলাকার যাত্রী ছাউনির। সেখানে ফেলা ময়লা-আবর্জনায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। কোনো কোনো ছাউনিতে ফাটল ধরেছে। টয়লেটের ব্যবস্থাও নেই। থাকে না আলো।

যাত্রী ছাউনিতে সেলুন, কেউ দিয়েছেন ফার্মেসি

মাদারীপুর শহরের হাজির হাওলা গ্রামের বাসিন্দা রাকিব হাসান। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‌‘পদ্মা সেতু হওয়ার পর থেকে আমি প্রতি সপ্তাহে ঢাকা যাই। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কটি এখন আগের চেয়ে বেশি ব্যস্ততম হয়ে পড়েছে। কিন্তু সেই তুলনায় তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি। যাত্রীদের সুবিধার জন্য যে ছাউনিগুলো আছে, তাও বেদখল ও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।’

বাসের জন্য অপেক্ষমাণ যাত্রী পরিতোষ মন্ডল বলেন, ‘সাধুর ব্রিজ এলাকায় একটি যাত্রী ছাউনি আছে। কিন্তু সেটি কোনো কাজেই আসছে না। স্থানীয়রা দখল করে ব্যবসা করছেন।’

যাত্রী ছাউনিতে সেলুন, কেউ দিয়েছেন ফার্মেসি

এ বিষয়ে মাদারীপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আক্তার হোসেন শাহীন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়রা যাত্রী ছাউনিগুলো দখল করে রেখেছে। এরইমধ্যে তাদের সরে যেতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। খুব শিগগির এগুলোকে দখলমুক্ত করার পাশাপাশি সংস্কার করে যাত্রীদের জন্য আবার চালুর ব্যবস্থা করা হবে।

আয়শা সিদ্দিকা আকাশী/এসআর/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।