পাতারটেকের জঙ্গি সাইফুর শিবির কর্মী!


প্রকাশিত: ০২:৩৮ পিএম, ১৩ অক্টোবর ২০১৬

গাজীপুরের পাতারটেকে সন্দেহভাজন জঙ্গি আস্তানায় পুলিশের অভিযানে নিহত সাইফুর রহমান ওরফে বাবলু ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মী ছিল বলে দাবি করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি।

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মছব্বির বৃহস্পতিবার রাতে এই দাবি করেন।

তিনি বলেন, বাবলু জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল বলে এলাকায় চাউর রয়েছে। সে দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ছিল।

বিষয়টি বাবলুর বাবা-মা আমাকে জানালে আমি জিডি করার পরামর্শ দেই। এর তিন-চারদিন পর একমাত্র ছেলে বাবলুর সঙ্গে তাদের যোগাযোগ হয়েছে বলেও আমাকে জানানো হয়। ছাতক উপজেলার দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের ডিমকা (প্রকাশিত মনিরজ্ঞাতি) গ্রামের মতিউর রহমান ময়না শাহ ও হোসনে আরা দম্পতির একমাত্র ছেলে সাইফুর রহমান ওরফে বাবলু।  

স্থানীয় সূত্র জানায়, সাইফুরকে বাবলু নামেই চিনতো এলাকাবাসী। মনিরজ্ঞাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক ও পীরপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করে বাবলু। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে সিলেট মহানগরীর রায়নগরস্থ সার্ক ইন্টারন্যাশনাল কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে। সেখানেই সে শিবিরের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ে বলে দাবি এলাকাবাসীর।

সূত্র জানায়, উচ্চ মাধ্যমিক পাসের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য কোচিং করতে ঢাকায় যান বাবলু। ২০১৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিও সুযোগ না পাওয়া বাবলু এবছর আবারো ভর্তির চেষ্টা করছিল।

জানা যায়, বাবলু বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির কথা বলে দুই মাস আগে বাড়ি ছেড়েছিলেন। এরপর থেকে তার কোনো হদিস মিলছিল না। গত শনিবার পাতারটেক আস্তানায় নিহত সাতজনের ছবি প্রকাশের পর বাবলুর পরিণতির কথা জানতে পারে পুলিশ ও তার স্বজনসহ এলাকাবাসী।

এদিকে, গতকাল বুধবার বিকেলে মনিরজ্ঞাতির বসতবাড়ি থেকে বাবলুর বাবা মতিউর রহমানকে আটক করে ছাতক থানা পুলিশ।

সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. হারুন অর-রশিদ আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বৃহস্পতিবার রাতে জাগো নিউজকে জানান, ছেলে নিখোঁজের বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনকে না জানানোর কারণে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। বর্তমানে তিনি পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

এআরএ/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।