হবিগঞ্জের মেয়র গউছের জামিন নামঞ্জুর


প্রকাশিত: ০৬:৩৯ এএম, ০১ নভেম্বর ২০১৬

সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যার বিস্ফোরক মামলায় হবিগঞ্জ পৌরসভার সাময়িক বরখাস্তকৃত মেয়র জিকে গউছের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় হবিগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ ও বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আতাবুল্লাহ এ আবেদন নামঞ্জুর করেন।

মঙ্গলবার উক্ত মামলায় জিকে গউছের পক্ষে জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবী মো. আব্দুল হাই। শুনানীকালে তাকে সহযোগিতা করেন সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল মতিন খান, সালেহ উদ্দিন আহমদ, সুফি মিয়া চৌধুরী ও মো. নূরুল ইসলাম।

জামিন আবেদনের বিরোধীতা করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সিরাজুল হক চৌধুরী। শুনানী শেষে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

এর আগে সোমবার একই মামলায় সিলেটের সাময়িক বরখাস্তকৃত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর জামিন আবেদন করা হলে সেটিও নামঞ্জুর হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, বিস্ফোরক মামলাটি বিচারের জন্য গত ২৩ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশে হবিগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুলনালে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। কিন্তু পলাতক আসামিদের বিষয়ে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য মামলাটি গত ২৭ অক্টোবর পূণরায় হবিগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ফেরত পাঠানো হয়।

উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদ্যের বাজারে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভা শেষে ফেরার পথে গ্রেনেড হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়াসহ ৫ জন। এ ঘটনায় হত্যা এবং বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়।

হত্যা মামলাটি বর্তমানে সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে। উভয় মামলায় মোট ৩২ জন আসামি রয়েছেন। এর মাঝে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সিলেটের সাময়িক বরখাস্তকৃত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও হবিগঞ্জে সাময়িক বরখাস্তকৃত মেয়র জিকে গউছসহ কারাগারে আটক আছেন ১৬ জন, খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীসহ পলাতক আছেন ৮ জন এবং উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি একেএম আব্দুল কাইয়ুমসহ ৮ জন।

সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/এফএ/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।