ভর্তি হতে পারছে না মীম


প্রকাশিত: ০৮:৩৪ এএম, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬

টাকার অভাবে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারছে না দিনমজুর এক বাবার মেয়ে জান্নাতুল আক্তার মীম (১২)। পড়ালেখার প্রবল আগ্রহ থাকা তার। কিন্তু অভাব যেন পেছন থেকে টেনে ধরেছে তাকে।

মীম ঈশ্বরদী পৌর এলাকার আলহাজ মিল মোড়ে দিনমজুর গোলাম মুস্তফার মেয়ে। সে ঈশ্বরদী ভেলুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পিএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে জিপিএ ৪.৫০ পেয়েছে।

ঈশ্বরদী-পাবনা মহাসড়কের ঈশ্বরদীস্থ সুগারক্রপ ইন্সটিটিউটের প্রাচীরের পাশে একটি টিনের ভাঙা ছাপড়া ঘরে মা, বাবা ও ৩ ভাইকে নিয়ে তাদের বসবাস। ছয় সদস্যের পরিবারে একটি মাত্র ঘরে গাদাগাদি করে বাস করে তারা। বৃষ্টি হলে ঘরে পানি পড়ে। ঘরের নেই কোনো দরজা। ছোট্ট এই ঘরে নেই বৈদ্যুতিক আলোও।

বাবার আয়ে লেখাপড়া সম্ভব নয় জেনেও নিজ আগ্রহে ছোটবেলা থেকে পড়াশুনা করে মীম। সহপাঠীদের একাধিক প্রাইভেট শিক্ষক থাকলেও তার সেই ব্যবস্থা ছিলনা। অনেকদিন না খেয়ে স্কুলে যেতে হয়েছে তাকে। টিফিনও জোটেনি কপালে। মীমের ছোট ভাই আলিপ হোসেন (৭) ভেলুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২য় শ্রেণিতে পড়ছে।

মা শামসুন্নাহার রিতা জানান, মেয়ে পিএসসি পাস করেছে অথচ ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি করার টাকা নেই। ভর্তির পর পোশাকসহ আনুসাঙ্গিক জিনিসপত্র কিনে দেয়ার সামথ্যও নেই। বাবা গোলাম মুস্তফাও অনেকটা হতাশা নিয়ে একই কথা বললেন।

মীম জানায়, আমার পড়ালেখা করার খুব ইচ্ছা। কিন্তু বাবার টাকায় তো সংসারও চলে না। পড়তে গেলে অনেক খরচ হয়। মনে হয় বন্ধ হয়ে যাবে আমার পড়ালেখা।

মীমকে কেউ সাহায্য করতে চাইলে যোগাযোগ করুন তার বাবা গোলাম মুস্তফার ০১৭৮৭৩০৯৭১০ সঙ্গে।

আলাউদ্দিন আহমেদ/এমএএস/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।