গাজীপুরে পরিব্রাজক দলের তুরাগ নদী পরিদর্শন
তুরাগ নদীর পানি প্রতিনিয়ত কমছে। তুরাগে প্রকাশ্যে চলছে দূষণ, বেপরোয়া হয়ে উঠেছে দখলদার চক্র। তুরাগ নদীর অস্তিত্ব এখন হুমকির মুখে।
কহর দরিয়াখ্যাত তুরাগে এ শুষ্ক মৌসুমে চলছে বেপরোয়া দখল উৎসব। নদীর বুকে তৈরি করা হয়েছে পাকা দেয়াল ও নানা ধরনের অস্থায়ী স্থাপনা।
শনিবার বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দল (তুরাগ শাখা) তুরাগ নদীর বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব মন্তব্য করেন। সংগঠনটির কর্মকর্তারা গাজীপুরের কড্ডা, কাশিমপুর, জরুন, কারখানা বাজার, বাঘিয়া, সাকাস্বর ও মির্জাপুর বাজারের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য মো. আলাউদ্দিন, র্যাব-১-এর কোম্পানি কমান্ডার মো. মহিউল ইসলাম, নদী পরিব্রাজক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. মনির হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য রাহিম সরকার, তুরাগ ওয়াটার ওয়াচের প্রেসিডেন্ট মনোয়ার হোসেন রনিও সাধারণ সম্পাদক সাইফুর উসলাম মোল্লা, নদী পরিব্রাজক দল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক মো. আলী হোসেন, মাঈনুল ইসলাম টিপু, সাংস্কৃতিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা খান, গাজীপুর জেলা শাখার সভাপতি মোস্তফা আযাদ ও সাধারণ সম্পাদক মতিঊল আলম।
এছাড়া ওই পরিদর্শনে নদী পরিব্রাজক দল তুরাগ শাখার অর্ধ শতাধিক নদী উন্নয়নকর্মী ও নদীবন্ধু উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য মো. আলাউদ্দিন বলেন, তুরাগ নদীর দূষণ ও দখলের এ চিত্র অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমরা নদী কমিশনের পক্ষ থেকে এর প্রতিকারের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। নদীর দখলদার ও দূষনকারী কেউ রেহাই পাবে না।
মহিউল ইসলাম বলেন, সভ্যতা, সংস্কৃতি ও অস্তিত্বের ধারক এ নদীকে বাঁচাতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তা না হলে দেশের মানচিত্র থেকে এক সময় তুরাগ নামক এ নদীটি হারিয়ে যাবে।
নদী পরিব্রাজক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. মনির হোসেন বলেন, তুরাগ নদীর সমস্যা চিহ্নিত। দখলদার ও দূষনকারী প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিও চিহ্নিত। এখন শুধু তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার পালা। এ ব্যবস্থা নিতে প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও প্রশাসনিক আন্তরিকতার।
মো. আমিনুল ইসলাম/এএম/জেআইএম