স্ত্রীর মরদেহ হাসপাতালে ফেলে স্বামীর পলায়ন


প্রকাশিত: ০৯:৫৭ পিএম, ০২ জুন ২০১৭

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায় নাদিয়া আক্তার রুমি নামে এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালে ফেলে রেখে পালিয়ে গেছেন তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন।

শুক্রবার দুপুরে উপজেলা জামপুর ইউনিয়নের মুন্দিরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

তবে শ্বশুরবাড়ির লোকজন রুমিকে পরিকল্পিভাবে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ তুলেছে তার পরিবার।  
 
হত্যার অভিযোগে তার বাবা কবির হোসেন বাদী হয়ে রুমির স্বামী হাবিল হোসেন, শ্বশুর আবুল হোসেন, শাশুড়ি সাজেদা বেগম ও দেবর হুমায়ন মিয়াকে আসামি করে সোনারগাঁও থানায় মামলা করেছেন।

মৃত রুমি আড়াইহাজার উপজেলার পাকুনতুরা গ্রামের কবির হোসেনের মেয়ে এবং সোনারগাঁও উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের মুন্দিরপুর গ্রামের আবুল হোসেন ভূঁইয়ার ছেলে হাবিল হোসেন ভূঁইয়ার স্ত্রী ছিলেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ৮ মাস আগে হাবিল ও রুমির বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিভিন্ন সময় রুমিকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিলেন। কিন্তু টাকা না পেয়ে তারা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে রুমিকে হত্যা করে মরদেহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে এবং বাড়িঘর তালাবদ্ধ করে পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে রুমির স্বামী হাবিল হোসেন ও তার পরিবারের লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।

সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মো. মঞ্জুর কদের জানান, ওই গৃহবধূর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে হত্যা না অন্য কিছু তা বোঝা যাবে।

শাহাদাত হোসেন/এসআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।