পদ্মা-যমুনায় দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের দাবি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি পাবনা
প্রকাশিত: ০৩:১৪ পিএম, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯

যমুনায় বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতু চালু হয়েছে প্রায় দুই যুগ আগে। বর্তমানে মাওয়া-জাজিরায় পদ্মা বহুমুখী সেতুর নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। আগামী ২০২১ সালের জুন মাসের মধ্যেই নির্মাণ কাজ শেষ করে এই সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়ার কথা রয়েছে। এ অবস্থায় মানিকগঞ্জের আরিচা, পাবনার কাজিরহাট ও রাজবাড়ীর দৌলতদিয়াকে সংযুক্ত করে পদ্মা ও যমুনা নদীর উপর আরকেটি সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন পাবনাবাসী।

এ উদ্দেশে শুক্রবার সকালে জেলার সাঁথিয়া উপজেলা সদরে সাঁথিয়া ফাউন্ডেশন এবং ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের সামনে পাবনা জেলা উন্নয়ন ফোরামের উদ্যোগে পৃথক দুটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বক্তারা পদ্মা-যমুনাকে সংযুক্ত করে একটি ওয়াই টাইপের সেতু নির্মাণের দাবি জানান।

সাঁথিয়ায় আয়োজিত এ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাঁথিয়া ফাউন্ডেশনের সভাপতি সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মোজাম্মেল হক খান, ডা. মনসুরুল ইসলাম, অধ্যাপক আশরাফুল ইসলাম মজনু, জেলা পরিষদ সদস্য খোরশেদ আলম। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ নেন।

Padma-jamuna-1

অপরদিকে ঈশ্বরদীতে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ নুরুজ্জামান বিশ্বাস, পৌর মেয়র আলহাজ আবুল কালাম আজাদ মিন্টু, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম খান, পৌরসভার প্যানেল মেয়র সাঈদ হাসান শিমুল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মীর জহুরুল হক পূনো, জেলা পরিষদ সদস্য শফিউল আলম বিশ্বাস প্রমুখ। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারাসহ সাধারণ জনগণ অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, এক সময়ে উত্তরাঞ্চলের প্রবেশ দ্বার বলে খ্যাত ছিল নগরবাড়ী ঘাট। যমুনায় বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতু চালু হবার পর অর্থনৈতিকভাবে এ এলাকা গুরুত্ব হারিয়েছে। এ অবস্থায় পাবনাসহ আশপাশের জেলাগুলোর সার্বিক উন্নয়ন ও রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ করতে ২য় পদ্মা-যমুনা সেতুর বিকল্প নেই।

তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর ক্রমাগত চাপ কমাতে এবং উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর স্বল্প সময়ে যাতায়াত নিশ্চিত করতে পাবনাকে সংযুক্ত করে দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু নির্মাণ এখন সময়ের দাবি। তারা এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন।

এমএমজেড/পিআর