সামনে পরীক্ষা, খোলা আকাশের নিচে পরীক্ষার প্রস্তুতি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী
প্রকাশিত: ০৮:১৭ পিএম, ২৩ নভেম্বর ২০১৯

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডবে ভেঙে পড়া পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়নের পূর্ব খেজুরবাড়িয়া দাখিল মাদরাসার ভবন এখনো সংস্কার হয়নি। এ অবস্থায় খোলা আকাশের নিচে পাঠদান চলছে ৩৬০ শিক্ষার্থীর।

এভাবে পাঠদান করায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে গেছে। ভবন সংস্কারের সহায়তা না পাওয়ায় মাদরাসার বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতিও চলছে খোলা আকাশের নিচে। বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করেও কোনো সহায়তা পায়নি মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৬ সালে দাশপাড়া ইউনিয়নে পূর্ব খেজুরবাড়িয়া দাখিল মাদরাসা প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মাদরাসার শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৬০ জন। গত ১০ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডবে ছয়টি ক্লাসরুমসহ মাদরাসার টিনশেড ভবনটি ভেঙে যায়।

বর্তমানে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিতে হয় খোলা আকাশের নিচে। ভবন সংস্কারের জন্য মাদরাসার শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা পরিষদ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে জানালেও এখন পর্যন্ত সংস্কার করা হয়নি।

শিক্ষার্থীরা জানায়, এভাবে খোলা আকাশের নিচে পড়ালেখা করা যায় না। বসার জায়গা না থাকায় সামনে পরীক্ষা থাকা সত্ত্বেও অনেক শিক্ষার্থী মাদরাসায় আসে না। আমাদের মাদরাসার ভবনটি দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন।

মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, জরুরি ভিত্তিতে মাদরাসার ভবনটি সংস্কার করা প্রয়োজন। তা না হলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

মাদরাসার সুপার মাওলানা মো. আব্দুল মতিন বলেন, আগামী ২৭ নভেম্বর থেকে শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা। সামনে নতুন বছর। ভবন ভাঙা থাকলে অনেক শিক্ষার্থী এখানে ভর্তি হবে না। ভবনটি দ্রুত ভিত্তিতে সংস্কারের অনুরোধ জানাই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজীব বিশ্বাস বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ওই মাদরাসার ভবনটি দ্রুত সংস্কারের জন্য পদক্ষেপ নেয়া হবে।

মহিব্বুল্লাহ চৌধুরী/এএম/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।