পটুয়াখালী থেকে ছেড়ে যায়নি কোনো লঞ্চ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী
প্রকাশিত: ১১:৩১ এএম, ৩০ নভেম্বর ২০১৯

১১ দফা দাবিতে সারাদেশের মতো পটুয়াখালীতেও নৌযান শ্রমিকদের কর্মবিরতি চলছে। শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) রাত ১২টা থেকে এ কর্মবিরতি শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন ১১ দফা দাবিতে ধর্মঘটের ডাক দেয়। সকাল থেকে পটুয়াখালী নদী বন্দর থেকে কোনো লঞ্চ ছেড়ে যায়নি। অভ্যন্তরীণ সকল রুটে নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

ঢাকাগামী ডাবল ডেকার লঞ্চের একাধিক শ্রমিক ও মাস্টার জানান, সবার প্রভিডেন্ট ফান্ড ও ওয়েলফেয়ার ফান্ড আছে। নৌযান শ্রমিকদের কোনো প্রভিডেন্ট ফান্ড ও ওয়েলফেয়ার ফান্ড নেই। কোনো প্রকার নোটিশ ছাড়াই মালিকপক্ষ আমাদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করে। শ্রমিক লীগ নেতারা অহেতুক আমাদের মারধর করে। যতক্ষণ আমাদের ১১ দফা দাবি সরকার না মানবে আমরা কাজ করবো না।

নৌযান শ্রমিকদের দাবিগুলো হচ্ছে- বাল্কহেডসহ সকল নৌযান-নৌপথে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি ডাকাতি বন্ধ, ২০১৬ সালে ঘোষিত গেজেট মোতাবেক কেরানি-ভিডিও ইলেকট্রিশিয়ানসহ সকল নৌ শ্রমিকের বেতন প্রদান, ভারতগামী শ্রমিকদের ল্যান্ডিং পাস প্রদানে হয়রানি বন্ধ, সব নৌ শ্রমিককে মালিক কর্তৃক খাদ্যভাতা প্রদান, এনড্রোস, ইনচার্জ, টেকনিক্যাল ভাতা পুনর্নির্ধারণ, কর্মস্থলে ও দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী শ্রমিকের পরিবারকে ক্ষতিপূরণে ১০ লাখ টাকা নির্ধারণ, নৌশ্রমিককে মালিকদের নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র ও সার্ভিস বুক প্রদান, নৌশ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নদীর নাব্যতা রক্ষা ও প্রয়োজনীয় মার্কা, বয়া ও বাতি স্থাপন এবং মাস্টার/ড্রাইভার পরীক্ষা, সনদ বিরতণ, সনদ নবায়ন, পরিদর্শনসহ নৌ পরিবহন অধিদফতরের সকল প্রকার অনিয়ম ও শ্রমিক হয়রানি বন্ধ করতে হবে।

পটুয়াখালী নদী বন্দরের কর্মকর্তা খাজা সাদিকুর রহমান বলেন, এটা কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত। এখানে আমাদের কিছু করার নেই।

মহিব্বুল্লাহ্ চৌধুরী/আরএআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।