মহেশপুরে আয়রন রিমুভাল পানির প্লান্টের কাজ শেষ পর্যায়ে

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ঝিনাইদহ
প্রকাশিত: ০৬:২৩ পিএম, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

ঝিনাইদহের মহেশপুরে চার কোটি টাকা ব্যয়ে আর্সেনিক ও আয়রন রিমুভাল পানির প্লান্ট স্থাপনের কাজ শেষ পর্যায়ে। ঘণ্টায় এক লাখ ৮০ হাজার লিটার পানি সরবারহের ক্ষমতাসম্পন্ন এ প্লান্ট থেকে মহেশপুর পৌরবাসীর প্রয়োজনীয় বিশুদ্ধ পানির চাহিদা মেটাতে কাজ করবে।

জেলার প্রথম বৃহৎ এ বিশুদ্ধ পানির প্লান্টটি তৈরির কাজ করছে জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। সরকারের ৪৫ পৌরসভা প্রকল্পের আওয়তায় এ প্লান্ট স্থাপনের কাজ চলছে।

মহেশপুর উপজেলা শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া কপোতাক্ষ নদের জলিলপুর অংশে এ প্লান্টটি স্থাপনের কাজ চলছে। কাজ শেষ পর্যায়ে। যে কোনো সময় উদ্বোধন করা হবে। পৌর এলাকার ছয়টি সাব মার্সেবল পাম্পের সাহায্যে ভূগর্ভ থেকে পানি উত্তোলন করার পর প্লান্ট হাউজে রাখা হবে। এরপর কোনো রকমের কেমিক্যাল দ্রব্য ছাড়ায় প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে পানি শোধন করার পর তা তিন হাজার পৌরবাসীর মধ্যে সরবরাহ করা হবে।

মহেশপুর পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা গণমাধ্যমকর্মী নাসির উদ্দীন জানান, ভারতীয় সীমান্তবর্তী জেলার মহেশপুর পৌরসভার ভূগর্ভস্থ পানিতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। এছাড়া এ এলাকার অনেক টিউবওয়েলে আর্সেনিক বিষ রয়েছে। যে কারণে পানি বিশুদ্ধকরণ প্লান্টটি চালু হলে এলাকার মানুষ সুফল পাবে।

jagonews24

মহেশপুর পৌরসভার মেয়র আব্দুর রশিদ খাঁন জানান, পানি বিশুদ্ধকরণ প্লান্টের কাজ শেষ পর্যায়ে। এখান থেকে পৌর এলাকার তিন হাজার পরিবারকে পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করা হবে।

তিনি আরও জানান, মহেশপুর পৌর এলাকার পানিতে মাত্রাতিরিক্তি আয়রন ও আর্সেনিক রয়েছে। যে কারণে প্লান্টটি চালু হলে একদিকে পৌরবাসীর বিশুদ্ধ পানি নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে পানিবাহিত বিভিন্ন রোগ থেকে পরিত্রাণ পাবে।

ঝিনাইদহ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আমিনুল ইসলাম জানান, নাগরিকদের বিশুদ্ধ পানি নিশ্চিত করায় এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। সরকারের ৪৫ পৌরসভা প্রকল্পের আওতায় এ বিশুদ্ধকরণ প্লান্টটির কাজ করা হচ্ছে। প্লান্টটি চালু হলে মহেশপুর পৌরসভায় বসবাসকারী নাগরিকদের বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত হবে।

আব্দুল্লাহ আল মাসুদ/এমএএস/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]