রাতে উঠছে নিষেধাজ্ঞা, ইলিশের জন্য প্রস্তুত আড়ত
সরকার কর্তৃক মা-ইলিশ রক্ষা কার্যক্রমের ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হতে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। ইতোমধ্যে মাছ বেচাকেনার জন্য প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন চাঁদপুরের আড়তদাররা। দীর্ঘ ২২ দিন পর আড়তগুলো পুনরায় প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে পাবে এমনটাই আশা তাদের।

চাঁদপুরের মতলব উত্তর থেকে শুরু করে হাইমচর পর্যন্ত মোট ২৫টি আড়ত রয়েছে। সবগুলো আড়তই ধুয়ে মুছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে রাখা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় আড়তদারদের বেশ খুশি মনে হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা ওঠার কয়েক ঘণ্টা বাকি থাকলেও সন্ধ্যার দিকে কিছু কিছু জেলেকে নদীতে নামতে দেখা গেছে। তারা হয়তো রাতেই মাছ নিয়ে আড়তে হাজির হবে।
সরেজমিনে বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে বড় স্টেশন মাছের আড়ত, সাকুয়া, হরিণাসহ বেশ কয়েকটি আড়ত ঘুরে দেখা যায়, আড়তদাররা তাদের গদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় ব্যস্ত। কেউ ক্যাশবাক্স সাজাচ্ছেন কেউ পানি দিয়ে তাদের বসার স্থান ধুয়ে নিচ্ছেন।

এ বিষয়ে হরিণাঘাটের আড়তদার মন্টু গাজী বলেন, আশা করছি রাতেই আড়ত মাছে ভরে যাবে। আড়তগুলো ফিরে পাবে তার পুরোনো প্রাণ। আমরা আমাদের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।
সাকুয়ার আড়তদার জয়নাল বলেন, আমরা সব ঠিকঠাক করেছি। আশা করছি রাতেই আমাদের হাতে মাছ এসে পৌঁছবে। বাকিটা আল্লাহর ইচ্ছা। নদীতে মাছ আছে কি-না সেটা আল্লাহই ভালো জানেন। নিষেধাজ্ঞা শুরু হওয়ার আগে মেঘনায় তেমন একটা ইলিশ পাওয়া যায়নি।
নজরুল ইসলাম আতিক/আরএআর/এমএস