নিরাপদ আবাসন কেন্দ্রে শিশু নির্যাতন, তত্ত্বাবধায়ক কারাগারে

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নড়াইল
প্রকাশিত: ০৯:৪৪ পিএম, ১৮ নভেম্বর ২০২০

নড়াইলের একটি শিশু নির্যাতন মামলায় বাগেরহাট শিশু নিরাপদ আবাসন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক অনিমা বাছাড়কে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৮ নভেম্বর) নড়াইলের শিশু আদালতে হাজির হয়ে অনিমা বাছাড় জামিনের আবেদন করলে আদালতের বিচারক নীলুফার শিরিন তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত ২৯ অক্টোবর বাগেরহাট শিশু নিরাপদ আবাসন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক অনিমা বাছাড়, দুই নিরাপত্তা কর্মী আনসার সদস্য জান্নাতুল ফেরদাউস ও সোমা খাতুন নড়াইলের লোহাগড়া আমলি আদালতের বিচারক মো. মোরশেদুল আলমের আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। আদালত দুই নিরাপত্তা কর্মী আনসার সদস্যের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন এবং মামলার অপর আসামি অনিমা বাছাড়কে আগামী ২০ কার্যদিবসের মধ্যে নড়াইল শিশু আদালতে হাজির হওয়ার শর্তে জামিন দেন।

আদালতের নির্দেশনা মতে বুধবার (১৮ নভেম্বর) বাগেরহাট শিশু নিরাপদ আবাসন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক অনিমা বাছাড় নড়াইলের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন এবং কারাগারে থাকা অপর দুই আসামি ওই আবাসন কেন্দ্রের নিরাপত্তা কর্মী আনসার সদস্যের জামিন মঞ্জুর করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভিকটিম ফারিয়া জামান বিথিকে নড়াইলের শিশু আদালত তার নিরাপত্তার জন্য বাগেরহাটের শিশু নিরাপদ আবাসন কেন্দ্রে পাঠান। আবাসন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়কসহ দুই নিরাপত্তা কর্মী আনসার সদস্য জান্নাতুল ফেরদাউস ও সোমা খাতুন মেয়েটিকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। যা পরবর্তীতে ভিকটিম বিথি নড়াইলের শিশু আদালতকে জানান।

শিশু আদালতের নির্দেশে ভিকটিম ফারিয়া জামান বিথি বাদী হয়ে নিরাপদ আবাসন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়কসহ দুই নিরাপত্তা কর্মীর বিরুদ্ধে লোহাগড়া আমলি আদালতে মামলা করে। ওই মামলায় আসামিরা জামিন আবেদন করলে বিচারক দুই নিরাপত্তা কর্মী আনসার সদস্য জান্নাতুল ফেরদাউস ও সোমা খাতুনের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন এবং তত্ত্বাবধায়ক অনিমা বাছাড়কে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

হাফিজুল নিলু/আরএআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]