বাঁধ ভেঙে পানিবন্দী চার শতাধিক পরিবার

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি সাতক্ষীরা
প্রকাশিত: ০৬:৫৮ পিএম, ৩০ মার্চ ২০২১

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার খোলপেটুয়া নদীর বাঁধ ভেঙে চার শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) দুপুরে উপজেলার দয়ারঘাট এলাকার দুটি ও আশাশুনির তিনটি পয়েন্টে ভেঙে রিং বাঁধ নদীতে বিলীন হয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্পানে আশাশুনি সদর ইউনিয়নের ১০টি পয়েন্টে খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে গোটা ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছিল। তখন স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে আটটি পয়েন্টে বেড়িবাঁধ সংস্কার করা হলেও দুটি পয়েন্টে সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। ওই দুটি পয়েন্টে রিং বাঁধ দিয়ে কোনো মতে পানি আটকানো হয়। সোমবার (২৯ মার্চ) রিং বাঁধে ভাঙন ধরলেও তা মেরামত করা হয়। কিন্তু মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) দুপুরে জোয়ারে সে বাঁধ আর ঠেকানো যায়নি। দয়ারঘাটের দুটি ও আশাশুনির তিনটি পয়েন্টে ভেঙে রিংবাধ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

আশাশুনি সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান স ম সেলিম রেজা মিলন বলেন, ‘দয়ারঘাট ও আশাশুনিতে রিংবাধ ভেঙে শত শত পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। রাতের জোয়ারের আগে সংস্কার করা সম্ভব না হলে আশাশুনি সদর, শ্রীউলা, শোভনালী ও চাম্পাফুল ইউনিয়নও প্লাবিত হবে।’

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ সহকারী প্রকৌশলী গোলাম রাব্বী জানান, ‘ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ করবে মূলবাঁধের। এর আগে আমাদের রিং বাঁধটি সংরক্ষণ করা জরুরি। আমরা প্রাথমিকভাবে জিও ব্যাগ দিয়েছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় আসতে রওনা হয়েছেন। এলে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

তিনি বলেন, নদীর প্রবল জোয়ারে উপজেলার প্রতাপনগরের হরিশখালী, শ্রীউলার নাসিমাবাদ, খাজরার, গদাইপুর, আশাশুনি সদরের মানিকখালী গ্রামে রিং ও মূলবাঁধ ভেঙে পানি ভেতরে ঢুকেছে। তবে বড় ধরনের কোনো ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা সেসব বাঁধ সংস্কারে কাজ করছেন।’

আরএইচ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।