নির্ধারিত সময়ের পরও দোকান খোলা, ১১ ব্যবসায়ীকে জরিমানা
কক্সবাজারে স্বাস্থ্যবিধি না মানা আর রাত ৯টার পরেও দোকান খোলা রাখার অপরাধে জরিমানা করা হয়েছে ১১ ব্যবসায়ীকে। এসময় তাদের সাড়ে ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
শুক্রবার (৭ মে) রাত সাড়ে ৯টায় শহরের লালদিঘীর পাড় থেকে অভিযান শুরু করে কৃষি অফিস সড়ক, এন্ডারসন রোড, পানবাজার সড়ক, সমবায় সুপার মার্কেটে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মুরাদ ইসলাম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লকডাউন ও করোনার ভয় থাকলেও ঈদ বাজারে ক্রেতাদের সমাগম দেখা যাচ্ছে। তাই নিষেধ থাকা সত্ত্বেও শুক্রবার রাত প্রায় সাড়ে ৯টার পরও দোকান-মার্কেট-শপিংমলে প্রচুর ক্রেতাকে দেখা যায়।
রাস্তায়ও একইভাবে রয়েছে ভিড়। স্বাস্থ্যবিধি না মানা, ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের উপস্থিতি ক্রমে বাড়ার খবর পেয়ে পুলিশসহ মার্কেটে হাজির হন ম্যাজিস্ট্রেট। বিধিনিষেধ না মানায় মার্কেটের ১১ দোকানিকে জরিমানা করা হয়।
পার্শ্ববর্তী দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান দেখে অনেকে তাড়াহুড়ো করে দোকানপাট বন্ধ করে পালিয়ে যান। জরিমানার ভয়ে নিজেদের সরিয়ে রাখেন ক্রেতারাও।
অভিযান প্রসঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মুরাদ ইসলাম বলেন, ঈদকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে চলমান বিধিনিষেধের মধ্যেও মার্কেটসহ সব দোকান খোলার অনুমতি দিয়েছে সরকার। তবে শর্ত ছিল, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। কিন্তু বেশির ভাগ ক্রেতা ও দোকানি তোয়াক্কা করছেন না স্বাস্থ্যবিধির।
তিনি বলেন, সরকারি বিধি নিষেধ অমান্য করায় ও দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ২৬৯ ধারায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১১ দোকানদারকে ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এসময় ব্যবসায়ীদের জরিমানার পাশাপাশি সতর্ক করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে ক্রেতা-বিক্রেতা সবাইকে অনুরোধও জানান তিনি।
করোনাকালে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনে প্রশাসন আরো কঠোর হবে বলে উল্লেখ করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মুরাদ ইসলাম।
সায়ীদ আলমগীর/এসএমএম/এএসএম