নীলফামারীতে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী
প্রকাশিত: ০৯:১৯ পিএম, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১
প্রতীকী ছবি

নীলফামারীতে স্ত্রী হত্যার দায়ে আলমগীর হোসেন (২৮) নামের এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মাহবুবুর রহমান এ আদেশ দেন। এসময় আরও সাত আসামিকে খালাস দেন আদালত।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আলমগীর হোসেন জেলার ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের দক্ষিণ সোনাখুলি গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে।

খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- আলমগীর হোসেনের বাবা সিরাজুল ইসলাম, মা আনোয়ারা বেগম, চাচা জিয়াউর রহমান, ওবায়দুর রহমান, ফুফু রোসনা আক্তার, নিকট আত্ময় আব্দুর রাজ্জাক ও আব্দুল মান্নান।

আদালত সূত্র জানায়, ২০১৪ সালে প্রেম করে বিয়ে করেন আলমগীর হোসন ও সুমি আক্তার। যৌতুকের এক লাখ ৫০ হাজার টাকার মধ্যে এক লাখ টাকা দিয়ে আলমগীরকে একটি অটোরিকশা কিনে দেন। বাকি ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার জন্য আলমগীর হোসেন স্ত্রীকে নানাভাবে নির্যাতন করেন।

২০১৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর রাতে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে আলমগীর হোসেন স্ত্রীকে ধাক্কা দিলে বিছানার শক্ত কাঠের সঙ্গে লেগে মাথায় রক্তক্ষরণ হয়। এতে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। পরে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য আলমগীর হোসেনসহ স্বজনরা সুমির গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলিয়ে রাখেন এবং তার গায়ে বিষ ছিটিয়ে দেন।

পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) আতিকুর রহমান প্রধান আসামি আলমগীর হোসেন ছাড়া বাকিদের অব্যাহতি দিয়ে চার্জশিট প্রদান করেন। বাদীপক্ষ আদালতে নারাজি দিলে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। পিবিআই অধিকতর তদন্ত করে আলমগীর হোসেনসহ আট আসামিকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেয়।

এ বিষয়ে আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. আল বরকত হোসেন বলেন, আদালত মামলার প্রধান আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও অপর আসামিদের খালাস প্রদান করেন। এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট নই। এ বিষয়ে হাইকোর্টে আপিল দায়ের করবো।

আরএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]