ঈশ্বরদীতে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় আহত ১০
পাবনার ঈশ্বরদীর লক্ষ্মীকুন্ডা ইউনিয়নে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) রাতে চরকুড়ুলিয়া এলাকায় তারা সংঘর্ষে জড়ায়। এতে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
তাদের মধ্যে আলম বাদশা নামের এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। অন্যদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মাসুদ আলম মঙ্গলবার রাতে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়নে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে চরকুড়ুলিয়া এলাকার বিবদমান দুটি পক্ষ। সদ্য সমাপ্ত ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নৌকার প্রার্থী আনিস-উর রহমান শরীফ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আনিছুর রহমান মোল্লার সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘর্ষ ও গুলাগুলির ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বিস্তারিত তদন্তের পর জানা যাবে বলে জানান তিনি।
স্থানীয়রা জানান, এ ঘটনায় উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে একজনের ছাড়া অন্যদের নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।
তারা জানান, নির্বাচনের কয়েকদিন আগে থেকে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল। নির্বাচনের পর তার জেরে মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনা ঘটেছে।
এ ব্যাপারে নির্বাচনে বিজয়ী ইউপি চেয়ারম্যান আনিস শরীফ জানান, লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডে দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে এই ঘটনা ঘটতে পারে।
পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আনিস মোল্লা মঙ্গলবার রাতে জানান, তিনি চরকুড়ুলিয়ার বাইরে অবস্থান করছেন। তিনি বিস্তারিত জানতে পারেননি।
স্থানীয় কয়েকজন জানান, গুলাগুলির খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা চরকুড়ুলিয়া এলাকায় পৌঁছেছে। এসময় সন্ত্রাসীরা দুর্গম চরের দিকে পালিয়ে যায়।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান আসাদ জানান, মঙ্গলবার রাত ১০টা পর্যন্ত তিনিসহ পুলিশ সদস্যরা চরকুড়ুলিয়ায় অবস্থান করেন। বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। কারা কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা খুঁজে বের করা হবে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
আমিন ইসলাম জুয়েল/এআরএ