আ’লীগ নেতা ফিরোজ হত্যায় ৬০ জনকে আসামি করে মামলা
বাগেরহাটের রামপালে আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ শেখ হত্যার ঘটনায় ৬০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। রোববার (১৯ ডিসেম্বর) রাতে নিহতের স্ত্রী নাজমা বেগম বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
সোমবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেল পর্যন্ত রামপাল থানা পুলিশ ও খুলনা র্যাব-৬ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী রামপাল সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জামিল হাসান জামুকে তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা হত্যার পরিকল্পনা করে। কিন্তু চেয়ারম্যান জামুর একান্ত সহযোগী ফিরোজ শেখের কারণে তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র বারবার ব্যর্থ হয়। এ কারণে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন বেলাল ব্যাপারী, বাকী, মাহজিব গংরা। শুক্রবার (১৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় চেয়ারম্যান জামুর সঙ্গে দেখা করে ফিরোজ শেখ তার সহযোগী হানিফ গাজী ও আকবর গাজীকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। কাষ্টবাড়িয়া এলাকায় পৌঁছালে আসামি বেলাল বেপারী ও তার ভাই বিএনপি নেতা আক্তার চেয়ারম্যান হত্যা মামলার আসামি বাকী বেপারীসহ মাহাজিব শেখ, শাহাজান বেপারী, আসাদ শেখ, নিজাম শেখ, হারুন শেখ, ডাবলু শেখ, বাবু, ফারুক, এনাম, সুমন রুবেল, নজরুল সরদার, সেলিনা বেগম এবং রুহুলসহ প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন ফিরোজকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করেন। পরে মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে ফেলে রেখে চলে যান। এসময় ফিরোজের সঙ্গে থাকা হানিফ ও আকবর গাজীকেও তারা কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন।
এ বিষয়ে রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সামসুদ্দীন জানান, অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় ১০ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।
নিহত ফিরোজ শেখ রামপাল উপজেলার সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
শওকত বাবু/এসআর/এএসএম