মেট্রোরেলের আরও ৮ বগি ও চার ইঞ্জিন এলো মোংলায়

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক মোংলা (বাগেরহাট)
প্রকাশিত: ০৭:১৭ পিএম, ২১ ডিসেম্বর ২০২১
মেট্রোরেলের সপ্তম চালান মোংলায় পৌঁছেছে

জাপানের কোবে বন্দর থেকে মেট্রোরেলের আটটি বগি ও চারটি ইঞ্জিন নিয়ে আরও একটি চালান বাগেরহাটের মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে। এটি মেট্রোরেলের সপ্তম চালান।

মঙ্গলবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে চালানটি নিয়ে বন্দরের ৮ নম্বর জেটিতে নোঙর করে থাইল্যান্ড পতাকাবাহী জাহাজ এসপিএম ব্যাংকক।

বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ও হারবার মাস্টার কমান্ডার শেখ ফখর উদ্দিন এতথ্য জানিয়েছেন।

গত ১ ডিসেম্বের জাপানের কোবে বন্দর থেকে ছেড়ে আসা জাহাজটিতে বগি ও ইঞ্জিন ছাড়াও মেট্রোরেলের আরও ৪৪ প্যাকেজের ৪৯০ মেট্রিক টনের সরঞ্জাম এসেছে। বিকেল থেকেই এগুলো খালাস প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানান হারবার মাস্টার।

বাংলাদেশে ব্যয়বহুল প্রকল্প উড়াল রেলসড়কে মেট্রোরেলের আনুষ্ঠানিক পরীক্ষামূলক চলাচল শুরু হয়েছে গত ১২ ডিসেম্বর। আগামী ছয় মাস পরীক্ষামূলক এ চলাচল চালু থাকবে।

Rail-(1).jpg

বিদেশি জাহাজ ‘এম ভি এসপিএম ব্যাংকক’ এর স্থানীয় শিপিং এজেন্ট এনশিয়েন্ট স্টিম শিপ কোম্পানির ব্যবস্থাপক মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, আজ পর্যন্ত মোট সাতটি জাহাজে করে মেট্রোরেলের মোট ৬০টি বগি মোংলা বন্দর এসেছে। আগামী মাসে মেট্রোরেলের আরও একটি চালান আসার কথা রয়েছে। সবমিলিয়ে ২০২২ সালের মধ্যে মেট্রোরেলের আরও ৯০টি বগি ও ইঞ্জিন আসবে বলে জানান তিনি।

এর আগে ছয়টি জাহাজে করে সর্বমোট ৪৮টি বগি মোংলা বন্দরে পৌঁছায়। এসব বগি সংযোজন হয়ে এরইমধ্যে পরীক্ষামূলক চালু হয়েছে স্বপ্নের মেট্রোরেল। আগামী বছরের ডিসেম্বরে বাণিজ্যিকভাবে যাত্রী চলাচল করবে এই মেট্রোরেলে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসা বলেন, দেশে আমদানি হওয়া মেট্রোরেলের এসব বগি মোংলা বন্দর দিয়ে খালাস হওয়ার ক্ষেত্রে বন্দরের সক্ষমতার প্রমাণ মিলেছে।

মেট্রোরেলের প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানির (ডিএমটিসিএল) সূত্র জানায়, রাজধানীর উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত দেশের প্রথম মেট্রোরেল-৬ নির্মিত হচ্ছে ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে।

এরশাদ হোসেন রনি/এসআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।