বগুড়ায় ৫৪ কেজি ওজনের বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক বগুড়া
প্রকাশিত: ০৭:০৭ পিএম, ২৩ জানুয়ারি ২০২২
উদ্ধার হওয়া কষ্টি পাথরের বিষ্ণুমূর্তি

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার একটি প্রাচীন জলাশয় খনন করতে গিয়ে কষ্টি পাথরের একটি বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার হয়েছে।

রোববার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের খোট্টাপাড়া গ্রামের বামুনিয়া নামের ওই জলাশয় থেকে মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়। মূর্তিটির ওজন আনুমানিক ৫৪ কেজি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার খোট্টাপাড়া গ্রামের আনিছুর রহমানের মালিকানাধীন ওই জলাশয়টি স্কেবেটার মেশিন দিয়ে পুনঃখননের কাজ চলছিল। স্থানীয় মাটি ব্যবসায়ী আব্দুল হান্নান নামের এক ব্যক্তি তার লোকজন দিয়ে জলাশয় খননের কাজ করছিলেন। সেই সঙ্গে খনন করা মাটি ড্রাম ট্রাকের মাধ্যমে পরিবহন করে মির্জাপুর ব্র্যাক বটতলা নামক স্থানে জমি ভরাটের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

একপর্যায়ে সকালের দিকে খননকাজ করতে গিয়ে বিষ্ণুমূর্তিটি বের হয়ে আসে। পরে সেটি গোপন করতে মাটির সঙ্গে মির্জাপুর ব্র্যাক বটতলায় জমির মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়। এসময় সেখানে উপস্থিত শরীফুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন শিশু মূর্তিটি দেখে ফেলে। এরপরও শ্রমিকরা মূর্তিটি নিয়ে গোপন করে রাখেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন থানায় খবর দেন। এরপর পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে মূর্তিটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

জানতে চাইলে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, উদ্ধার হওয়া মূর্তিটি কষ্টি পাথর কি না তা এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। তবে এটি বিষ্ণুমূর্তি। কালো পাথরের ওই মূর্তির ওজন ৫৪ কেজি।

বর্তমানে মূর্তিটি থানা হেফাজতে থাকলেও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরামর্শ ও নির্দেশনা অনুযায়ী সেটা প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এআরএ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]