জনপ্রতিনিধি-বনে কর্মরতরাই দখলবাজিতে জড়িত: হাবিবুন নাহার

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার
প্রকাশিত: ০৭:০৪ পিএম, ১৪ মার্চ ২০২২
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার

জনপ্রতিনিধিরাই সবচেয়ে বেশি দখলবাজিতে জড়িত। বন বিভাগে কর্মরত অনেকে প্রত্যক্ষ না হলেও পরোক্ষভাবে এর সঙ্গে জড়িত। এসব লোকের কারণে দেশের ক্ষতি হচ্ছে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার।

সোমবার (১৪ মার্চ) কক্সবাজারের চকরিয়ার খুটাখালী মেদাকচ্ছপিয়া ও ফাঁসিয়াখালী সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা জানান।

দুঃখ প্রকাশ করে উপমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন ঘটনায় ৮০-৯০ শতাংশই জনপ্রতিনিধিরা জড়িত। দখলদার ও বনজ সম্পদ ধ্বংসকারীদের তালিকা করে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

তিনি আরও বলেন, সব সেক্টরে অপকর্ম হয়। শতভাগ সৎ মানুষ মিলে না। একে অপরের দোষ দিয়ে লাভ নেই। নিজেকে সৎ হতে হবে। পারস্পরিক রশি টানাটানি অবসান চাই। তাহলেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবো। বনজ সম্পদ ধ্বংসকারীদের সহায়তা নয়, প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।

চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক বিপুল কৃষ্ণ দাসের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন- কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলম প্রধান, বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. আবু সুফিয়ান, নেচার কনজারভেশন ম্যানেজমেন্টের (নেকম) সিনিয়র ডিরেক্টর রাশিদুজ্জামান আহমদ প্রমুখ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগ আয়োজিত সভায় কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগীয় কর্মকর্তা মো. সারওয়ার আলম, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেপি দেওয়ান, ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা।

সায়ীদ আলমগীর/এসজে/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।