চাঁদপুরে ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীর গর্ভপাতের অভিযোগে আটক ৪

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি চাঁদপুর
প্রকাশিত: ০৩:০২ পিএম, ২৪ মার্চ ২০২২
পুলিশের হেফাজতে আটক চারজন

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে ১৪ বছরের এক কিশোরী। পরে ওই কিশোরীর গর্ভপাত ঘটানো হয়। এসব অভিযোগে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার মো. মিলন মাহমুদ।

আটকরা হলেন- মো. সিরাজুল ইসলাম, তার মেয়ে মোছাম্মদ বকুল বেগম, পুত্রবধূ সীমা আক্তার ও জোরপূর্বক গর্ভপাতের ঘটনায় ইসলামিয়া মডেল হাসপাতালের আয়া নাজমা বেগম।

পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ বলেন, সিরাজুল ইসলাম ওই কিশোরীর দূর সম্পর্কের নানা হয়। সে সুবাদে তিনি প্রায় সময় তাদের বাড়িতে যাওয়া-আসা করতেন। গত কিছুদিন ধরে কিশোরীর শারীরিক পরিবর্তন ঘটে। তার মা প্রথমে বিষয়টি লক্ষ্য করেন। জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় ১০ অক্টোবর বাবা-মা বাইরে থাকার সুযোগে সিরাজুল তাদের ঘরে আসেন এবং তাকে বিভিন্ন উপহার সামগ্রীর প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে কাউকে কিছু না বলার জন্য হুমকিও দেন। এভাবে সিরাজুল বিভিন্ন সময়ে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে আসছিলেন। এক পর্যায়ে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ২৩ মার্চ সিরাজুলের মেয়ে বকুল ও তার পুত্রবধূ সীমা ইসলামিয়া মডেল হাসপাতালের আয়া নাজমা বেগমের সহযোগিতায় কিশোরীর গর্ভপাত ঘটান। নবজাতকের মরদেহ ময়লার ভাগাড়ে ফেলে দেন। বিষয়টি পুলিশ জানতে পেরে অভিযান চালিয়ে প্রথমে মেয়ে বকুল, পুত্রবধূ সীমাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে তাদের এবং কিশোরীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে সিরাজুল ইসলাম ও আয়া নাজমা বেগমকে আটক করে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্যে হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের মকিমাবাদ এলাকার ময়লা ফেলার ভাগাড় থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আটকদের বিরুদ্ধে ভ্রূণ হত্যা ও ভ্রূণ হত্যার সহযোগিতার অভিযোগে মামলা হবে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

নজরুল ইসলাম আতিক/এসজে/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।