খাটের ওপর গৃহবধূর মরদেহ, পাশে কাঁদছিল শিশু
নওগাঁর মহাদেবপুরে ভাড়া বাসা থেকে শিউলি আক্তার (৩০) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলা সদর ইউনিয়নের কাচারিপাড়া বেড়িবাঁধ সংলগ্ন রবিউল আলম লিটনের বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় মরদেহের পাশে তার আড়াই বছরের মেয়েকে পাওয়া যায়। তবে তার স্বামী আল-আমিন পলাতক রয়েছেন।
আল-আমিন জেলার সাপাহার উপজেলার জিরোপয়েন্ট এলাকার বকুল হোসেনে ছেলে। গৃহবধূ শিউলি আক্তার পার্শ্ববর্তী পত্নীতলা উপজেলার খিরসিন গ্রামের হযরত আলীর মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত এক সপ্তাহ থেকে উপজেলা সদর ইউনিয়নের কাচারিপাড়া বেড়িবাঁধ সংলগ্ন রবিউল আলম বাড়িতে আল-আমিন তার স্ত্রী শিউলি আক্তার ও আড়াই বছরের মেয়েকে নিয়ে ভাড়া ছিলেন। আল-আমিন মহাদেবপুর বাজারে দর্জির কাজ করতেন।
বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঘরের মধ্যে শিশুটির কান্না শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে যান। তারা দেখেন ঘরের বাইরে থেকে তালাবদ্ধ কিন্তু ভেতরে শিশুটি কান্না করছিল। বিষয়টি দেখার পর থানায় সংবাদ দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে তালা ভেঙে খাটের ওপর শিউলির মরদেহ দেখতে পান। এ সময় শিশুটি তার মায়ের মরদেহের পাশে বসে কাঁদছিল।
স্থানীয়দের ধারণা পারিবারিক কলহের জেরে দুপুরে কোনো এক সময় আল-আমিন তার স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর ঘর তালাবদ্ধ করে পালিয়ে যান।
মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজম উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের পর সঠিক কারণ জানা যাবে।
আব্বাস আলী/এসজে/এমএস