প্রতীক পেয়ে প্রচারণায় ব্যস্ত ঠাকুরগাঁওয়ের প্রার্থীরা
প্রতীকসহ পোস্টার হাতে মাঠে নেমেছেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংরক্ষিত নারী প্রার্থীরা। পোস্টার নিয়ে নতুন করে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে এসব প্রার্থী।
এদিকে যেখানেই কয়েকজন মানুষের সমাগম ঘটছে সেখানেই শুরু হচ্ছে নির্বাচনী আলাপ। কে হচ্ছেন এবারের চেয়ারম্যান ভোটারদের মুখে মুখে এই প্রশ্ন?
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ৪২ জন দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রাথী।
এর মধ্যে সদর উপজেলা ৯নং রায়পুর ইউনিয়নে ৪ জন প্রার্থী এবার চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন। তারা হলেন, আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে নুরুল ইসলাম, আওয়ামী বিদ্রোহী বর্তমান চেয়ারম্যান মামুন অর রশিদ ঘোড়া প্রতীকে আরেক বিদ্রোহী প্রার্থী দিনেশ চন্দ্র আনাসর প্রতীকে এবং ধানের শীষ প্রতীকের লড়ছেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গরীবের বন্ধু নামে খ্যাত তোফায়েল হোসেন।20160419135418.jpg)
মঙ্গলবার এই ইউনিয়নে গিয়ে জানা যায়, তৃর্ণমূলের মতামতে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির প্রাথী তোফায়েল হোসেন। আওয়ামী লীগের একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় দল মনোনীত প্রাথী নুরুল ইসলাম বর্তমানে বেকায়দায় পড়েছেন বলে এলকাবাসী ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
ভাউলার হাট এলাকার সিরাজুল ইসলাম জানান, রায়পুর ইউনিয়নে এ যাবৎকালে বিএনপির কোনো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়নি। কিন্তু এবার আওয়ামী লীগের দলীয় ও বিদ্রোহী প্রার্থী বেশি হওয়ায় চেয়ারম্যান পদটি হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
দেহন এলাকার মিজানুর রহমান জানান, আমরা দলীয় প্রতীক বুঝি না এবার গরিবের বন্ধু তোফায়েলকে চেয়ারম্যান দেখতে চাই।
শাহিরুল ইসলাম নামে এক বিএনপির সমর্থক জানান, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর থেকে আমরা পুলিশের হয়রানিতে বাসায় ঘুমাতে পারি নাই। এবার দলীয় প্রতীকে যে সুযোগ এসেছে সেটাকে কাজে লাগিয়ে ধানের শীষকে জয়ী করবো আমরা।
এদিকে বিকেলের দিকে রায়পুর ইউনিয়নের মটরা-ঢেলেটারী গ্রামে আ.লীগের প্রার্থী নরুল ইসলামের লোকজন তার এলাকার বিএনপির সমর্থক এক নারীর বাড়িতে দুটি তালা মেরে দিয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে ওই নারী বাড়ির বাইরে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।
তবে এ ব্যাপারে জানতে আ.লীগের প্রার্থী নরুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেই তাকে পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, আগামী ৭ মে চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠিত হবে এসব ইউনিয়নের নির্বাচন।
রিপন/ এমএএস/এবিএস