সিআইপি কার্ড পেলেন ইলিয়াস মৃধা


প্রকাশিত: ১২:৫৯ পিএম, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

রফতানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্প পরিবার প্রাণ-এর পরিচালক ও এগ্রিকালচারাল মার্কেটিং কোম্পানি লিমিটেডের (এএমসিএল-প্রাণ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইলিয়াস মৃধাকে বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি-রফতানি) নির্বাচিত করেছে সরকার।

সোমবার রাজধানীর হোটেল র‌্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইলিয়াস মৃধার হাতে সিআইপি কার্ড তুলে দেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান মাফরুহা সুলতানা, দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদ প্রমুখ।

ইলিয়াস মৃধাসহ ২০১৩ সালের জন্য সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন ১৬৪ জন। ২০১৩ সালে এগ্রোপ্রসেসিং খাতের রফতানিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় প্রাণ এগ্রো লিমিটেডের পরিচালক হিসেবে তাকে এ স্বীকৃতি দেয়া হয়। ওই সময় তিনি প্রাণ এগ্রো লিমিটেডের পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এছাড়া ইলিয়াস মৃধার নেতৃত্বে আইসিএসবি কর্পোরেট গভর্ন্যান্স এক্সসিলেন্স ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড-২০১৪ পুরস্কার লাভ করে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের এগ্রিকালচারাল মার্কেটিং কোম্পানি লিমিটেড (এএমসিএল-প্রাণ)।

পণ্য রফতানিতে ২০১৩ সালে ২২টি পণ্য খাতের মধ্যে ১৪টি খাতের ১২৫ জনকে এবং পদাধিকার বলে ৩৯ জনকে সিআইপি কার্ড দেয়া হয়েছে। রফতানি করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে- কাঁচাপাট, চামড়া (ক্রাস্ট ও ফিনিসড), চামড়াজাত দ্রব্য, হিমায়িত খাদ্য, ওভেন গার্মেন্টস, কৃষিজাত পণ্য, এগ্রোপ্রসেসিং, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, হস্তশিল্পজাত দ্রব্য, ডিহাইড্রেটেড সল্টেড ও অন্যান্য মাছ, নিটওয়্যার, প্লাস্টিকজাত পণ্য, টেক্সটাইল (ফেব্রিক্স) বিবিধ।

রফতানি খাতে অবদানের জন্য এক বছর মেয়াদে সিআইপি নির্বাচন করা হয়। তবে বর্তমান সিআইপিরা পরবর্তী বছরের সিআইপি ঘোষণার পূর্ব পর্যন্ত সিআইপি মর্যাদায় ভূষিত থাকবেন। সিআইপি কার্ডের মেয়াদকালীন নির্বাচিত সিআইপিরা বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য প্রবেশপত্র গাড়ির স্টিকার পাবেন।

এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠান ও মিউনিসিপ্যাল আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ পাবেন। সিআইপি কার্ডধারীরা ব্যবসা সংক্রান্ত ভ্রমণে বিমান, রেল, সড়ক ও জলযানে আসন সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।

সিআইপিরা ব্যবসা সংক্রান্ত কাজে বিদেশে ভ্রমণে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভিসাপ্রাপ্তির জন্য সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে উদ্দেশ্য করে ‘লেটার অব ইন্ট্রুডাকশন’ ইস্যু করবে।

সিআইপিরা বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ-২ ব্যবহারের সুবিধা পাবেন। সিআইপি ব্যক্তিদের স্ত্রী, পুত্র, কন্যা ও নিজের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালে কেবিন সুবিধার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।

এমএএস/এসএইচএস/পিআর

আপনার মতামত লিখুন :