করোনা : কম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে অর্থছাড় নয়

মেসবাহুল হক
মেসবাহুল হক মেসবাহুল হক , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:২০ পিএম, ২৫ এপ্রিল ২০২০

>> স্বাস্থ্য এবং কৃষি মন্ত্রণালয় এ নির্দেশনার বাইরে থাকবে।
>> সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রকল্পের অর্থব্যয় অব্যাহত থাকবে।

দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রভাব পড়ার আগেই বেশ মন্দাভাব ছিল রাজস্ব আহরণে। ফলে সরকারের পরিচালনব্যয় মেটানোর পাশাপাশি উন্নয়নকার্যক্রম সচল রাখতে ব্যাংকঋণনির্ভরতা বাড়তে থাকে। এ অবস্থার মধ্যেই আসে করোনার মরণকামড়। এতে করে মারাত্মকভাবে কমতে থাকে রাজস্ব আয়ের গতি। ফলে অর্থসংস্থানের অভাবে বাজেট বাস্তবায়নে চাপ দেখা দেয়।

এ পরিস্থিতিতে চলতি অর্থবছরে বাস্তবায়নাধীন ‘নিম্ন অগ্রাধিকার’ বা কম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থখরচ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। তবে যৌক্তিক কারণে ব্যয় করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগবে। পাশাপাশি ‘মধ্যম অগ্রাধিকার’ প্রকল্পের যেসব খাতে অর্থব্যয় না করলেই নয় এমন টাকা খরচের ক্ষেত্রে নিজস্বভাবে বিবেচনা করতে বলা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রকল্পের অর্থব্যয় অব্যাহত রাখতে বলা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে এমন সব নির্দেশনা দিয়ে গত বুধবার (২২ এপ্রিল) একটি চিঠি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বাংলাদেশ মহা হিসাবনিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকসহ সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবের কাছে পাঠিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়, চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (আরএডিপি) চূড়ান্ত হয়েছে। সে অনুযায়ী অর্থ বিভাগ থেকে গত ২৯ মার্চ পরিপত্র জারি করা হয়েছে। কিন্তু এই সময়ে বৈশ্বিক মহামারি নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারকে অগ্রাধিকার খাতসমূহে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করতে হচ্ছে। সে প্রেক্ষিতে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নিম্নে বর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে-

১. মন্ত্রণালয় বা বিভাগসমূহ তার আওতাধীন দফতরসমূহ বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পসমূহের মধ্যে ‘সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’ চিহ্নিত প্রকল্পসমূহের বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখতে হবে।

২. মন্ত্রণালয় বা বিভাগসমূহ ‘মধ্যম অগ্রাধিকার’ চিহ্নিত প্রকল্পসমূহের ক্ষেত্রে প্রকল্পের যে সকল খাতে অর্থ ব্যবহার অবশ্যম্ভাবী, মন্ত্রণালয় বা বিভাগসমূহ স্বীয় বিবেচনায় সে সকল খাতে অর্থ ব্যয় করবে।

৩. মন্ত্রণালয় বা বিভাগসমূহ ‘নিম্ন অগ্রাধিকার’ প্রকল্পসমূহের অর্থছাড় বা ব্যয়ের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের পূর্বসম্মতি গ্রহণ করবে। তবে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পসমূহ এই নির্দেশনার আওতাবহির্ভূত থাকবে। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

এ বিষয়ে অর্থ বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম না প্রকাশের শর্তে জাগো নিউজকে বলেন, ‘করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় বেড়ে গেছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণির জন্য এক লাখ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন। এসব অর্থের সংস্থান বাজেটে ছিল না। তাছাড়া এবার বাজেটে শুরুত থেকেই রাজস্ব আহরণ খারাপ। করোনার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ তাই রাজস্ব আদায় আরও কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই নিম্ন অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পে অর্থছাড় না করা এবং মধ্য অগ্রাধিকার ভিত্তিক প্রকল্পে অর্থছাড়া সীমিত করার নতুন এই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এর আগে উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়নের গতি আনতে অর্থছাড়ের সর্বময় ক্ষমতা দেয়া হয়েছিল প্রকল্প পরিচালকদের (পিডি)। অর্থাৎ অর্থ মন্ত্রণালয় বা প্রকল্পসংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কোনো অনুমোদন বা সম্মতি ছাড়াই সরকারি তহবিলের (জিওবি) অংশের শতভাগ অর্থছাড় করতে পারবেন তারা। এমনকি ইচ্ছামতো খরচও করতে পারবেন। এর জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় বা অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ের কাছে কোনো জবাবদিহিতা করতে হবে না। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সেটা পরিবর্তন করে নতুন এ আদেশ জারি করা হয়েছে।’

এদিকে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রায় এক লাখ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন। এর মধ্যে শিল্পঋণের জন্য ৩০ হাজার কোটি টাকা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের ২০ হাজার কোটি টাকা, রফতানিমুখী শিল্পের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধে পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি নিম্ন আয়ের মানুষ ও কৃষকের জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকা, রফতানি উন্নয়ন ফান্ড ১২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, প্রিশিপমেন্ট ঋণ পাঁচ হাজার কোটি টাকা, গরিব মানুষের নগদ সহায়তা ৭৬১ কোটি টাকা, অতিরিক্ত ৫০ লাখ পরিবারকে দশ টাকা কেজিতে চাল দেয়ার জন্য ৮৭৫ কোটি টাকা। এছাড়াও করোনায় মোকাবিলায় স্বাস্থ্যখাতে বাজেটের অতিরিক্ত ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

যদিও এক লাখ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের অধিকাংশ টাকার সংস্থানই হবে দেশের ব্যাংকব্যবস্থা থেকে। এরপরও প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণে সুদ ভুর্তকি বাবদ প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা এবং রফতানিমুখী শিল্পের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধে পাঁচ হাজার কোটি টাকার সংস্থান বাজেট থেকে হবে। এছাড়াও গরিব মানুষের নগদ সহায়তা ৭৬১ কোটি টাকা, অতিরিক্ত ৫০ লাখ পরিবারকে দশ টাকা কেজিতে চাল দেয়ার জন্য ৮৭৫ কোটি টাকা, স্বাস্থ্যখাতের জন্য অতিরিক্ত ২৫০ কোটি টাকাসহ বেশ কিছু টাকা বাজেট থেকে সংস্থান করা হবে।

এই মুহূর্তে কম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে অর্থ না দেয়ার পক্ষে একমত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদ ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম। এ বিষয়ে তিনি জাগো নিউজকে বলেন, করোনাভাইরাসের সংকট বিবেচনায় চলতি ও আগামী বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার কমানো যেতে পারে। অগ্রাধিকারযুক্ত প্রকল্পগুলোতে গুরুত্ব বেশি দিয়ে কম অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলো বাদ দিতে হবে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এসব খাতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (বিআইডিএস) সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ও অর্থনীতিবিদ ড. নাজনীন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, মানুষকে রক্ষা করতে হলে চলতি ও আগামী বাজেটকে সাধারণভাবে চিন্তা করলে চলবে না। বর্তমানে একটা জরুরি পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, এটা অনিশ্চিত যে কতদিন এভাবে চলবে সেটা কারও জানা নেই।

তিনি বলেন, প্রতিবছরই কিছু অলংকারধর্মী কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়। যেমন ট্রেনিং প্রোগ্রাম, যেগুলো এ বছর না হলেও চলবে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদেশভ্রমণ, বিভিন্ন উৎসব অনুষ্ঠান যেগুলোর প্রয়োজন নেই, সেগুলো বাদ দিয়ে জরুরি প্রয়োজনে খাদ্যনিরাপত্তা ঠিক রাখতে হবে। একইসঙ্গে বেশি বেশি অর্থ স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা নিরাপত্তায় ব্যয় করতে হবে।

ড. নাজনীন আহমেদ আরও বলেন, করোনা চলে গেলেই শেষ হয়ে গেল তা নয়। করোনা আমাদের দেখিয়ে দিচ্ছে যে স্বাস্থ্যখাতে আমাদের আরও অগ্রগতি দরকার। চলমান বাজেটে রাজস্ব আদায় খুব খারাপ ছিল, এখন আরও খারাপ হবে। বাজেট ঘাটতি মেটাতে ইতোমধ্যে সরকার ব্যাংক থেকে অনেক টাকা ধার করেছে। এ অবস্থায় বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ থেকে তহবিল সংগ্রহে ভালো প্রস্তুতি থাকা দরকার। যদি প্রয়োজন হয় তাহলে এসব দাতা সংস্থার সাথে যেন সরকার নেগোশিয়েট করতে পারে।

এদিকে ইতোমধ্যে করোনাভাইরাসের মহামারিতে বিশ্বের অর্থনৈতিক মন্দার ধাক্কা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্যও দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তাই তিনি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকের (এআইআইবি) কাছে আরও বেশি বেশি আর্থিক সহায়তার অনুরোধ করেছেন।

একইভাবে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের কাছেও অধিক হারে সহায়তার জন্য সরকার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

এমইউএইচ/বিএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১৫,৮৯,৫৪,৪৪৭
আক্রান্ত

৩৩,০৬,২৪০
মৃত

১৩,৭৩,৮০,৬৫৭
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৭,৭৩,৫১৩ ১১,৯৩৪ ৭,১০,১৬২
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩,৩৪,৭৬,৮০৩ ৫,৯৫,৮১২ ২,৬৪,৩৯,৭১০
ভারত ২,২৬,৬২,৪১০ ২,৪৬,১৪৬ ১,৮৬,৬৫,২৬৬
ব্রাজিল ১,৫১,৮৪,৭৯০ ৪,২২,৪১৮ ১,৩৭,১৪,১৩৫
ফ্রান্স ৫৭,৭৭,০৮৭ ১,০৬,৩৯২ ৪৮,৭৪,২২৪
তুরস্ক ৫০,৩১,৩৩২ ৪৩,০২৯ ৪৭,১৬,৯১৮
রাশিয়া ৪৮,৮০,২৬২ ১,১৩,৩২৬ ৪৪,৯৬,১৩২
যুক্তরাজ্য ৪৪,৩৪,৮৬০ ১,২৭,৬০৫ ৪২,৪৮,২১১
ইতালি ৪১,১১,২১০ ১,২২,৮৩৩ ৩৬,০৪,৫২৩
১০ স্পেন ৩৫,৬৭,৪০৮ ৭৮,৭৯২ ৩২,৪৮,০১০
১১ জার্মানি ৩৫,২৭,৫৪০ ৮৫,৩৭১ ৩১,৫৯,২০০
১২ আর্জেন্টিনা ৩১,৪৭,৭৪০ ৬৭,৩২৫ ২৮,১৭,১৬৫
১৩ কলম্বিয়া ৩০,০২,৭৫৮ ৭৭,৮৫৪ ২৮,১৯,৮৭৪
১৪ পোল্যান্ড ২৮,৩৩,০৫২ ৭০,০১২ ২৫,৬৯,৫০১
১৫ ইরান ২৬,৫৪,৮১১ ৭৪,৯১০ ২১,০৯,৭০২
১৬ মেক্সিকো ২৩,৬৪,৬১৭ ২,১৮,৯২৮ ১৮,৮৪,০০৮
১৭ ইউক্রেন ২১,১৯,৫১০ ৪৬,৩৯৩ ১৭,৫৯,৭৫১
১৮ পেরু ১৮,৪৫,০৫৬ ৬৩,৮২৬ ১৭,২০,৬৬৫
১৯ ইন্দোনেশিয়া ১৭,১৩,৬৮৪ ৪৭,০১২ ১৫,৬৮,২৭৭
২০ চেক প্রজাতন্ত্র ১৬,৪৫,০৬১ ২৯,৬৬৭ ১৫,৭৫,৪৪৯
২১ দক্ষিণ আফ্রিকা ১৫,৯৬,৫৯৫ ৫৪,৭৩৫ ১৫,১৬,২৫৬
২২ নেদারল্যান্ডস ১৫,৬০,০২২ ১৭,৩২৩ ১৩,১৭,৪৫২
২৩ কানাডা ১২,৮৬,৬৬৬ ২৪,৬২৬ ১১,৮১,২৫১
২৪ চিলি ১২,৪৭,৪৬৯ ২৭,২১৮ ১১,৮৩,১৫৫
২৫ ইরাক ১১,১২,৭২৫ ১৫,৭৭১ ১০,০৫,৩৬৯
২৬ ফিলিপাইন ১১,০১,৯৯০ ১৮,৪৭২ ১০,২২,২২৪
২৭ রোমানিয়া ১০,৬৬,১১১ ২৮,৯৬৬ ১০,১৩,৬৬৬
২৮ বেলজিয়াম ১০,১৪,৩৫১ ২৪,৫১১ ৮,৮৩,৭২৯
২৯ সুইডেন ১০,০৭,৭৯২ ১৪,১৭৩ ৮,৫০,৮১১
৩০ পাকিস্তান ৮,৫৮,০২৬ ১৮,৯১৫ ৭,৫৭,২৮১
৩১ পর্তুগাল ৮,৩৯,৫৮২ ১৬,৯৯২ ৮,০০,২৭৭
৩২ ইসরায়েল ৮,৩৮,৮৯২ ৬,৩৭৭ ৮,৩১,৬২০
৩৩ হাঙ্গেরি ৭,৯১,৭০৯ ২৮,৬০২ ৫,৬৮,৩২৯
৩৪ জর্ডান ৭,১৯,৯৭৬ ৯,০৯২ ৭,০৩,৫৭৭
৩৫ সার্বিয়া ৭,০০,৪০৮ ৬,৫৫৮ ৬,৬১,৩৯৮
৩৬ সুইজারল্যান্ড ৬,৭০,৬১৩ ১০,৭০৬ ৬,০১,৯৫৮
৩৭ জাপান ৬,৩৩,০২৭ ১০,৮২৩ ৫,৫৫,৪০১
৩৮ অস্ট্রিয়া ৬,৩১,০৭৬ ১০,৩৮২ ৬,০৩,৯০১
৩৯ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৫,৩৬,০১৭ ১,৬১৩ ৫,১৬,৩২৯
৪০ লেবানন ৫,৩২,৮৩৯ ৭,৪৮৬ ৪,৮১,৯৬৮
৪১ মরক্কো ৫,১৩,৮৬৪ ৯,০৭২ ৫,০০,৯১৪
৪২ মালয়েশিয়া ৪,৪০,৬৭৭ ১,৬৮৩ ৪,০১,৯৩৪
৪৩ সৌদি আরব ৪,২৬,৩৮৪ ৭,০৭২ ৪,০৯,৭৪০
৪৪ বুলগেরিয়া ৪,১০,২০২ ১৬,৯২৯ ৩,৪৮,৩৯২
৪৫ ইকুয়েডর ৪,০০,২৯৬ ১৯,২২২ ৩,৪২,৮৭৮
৪৬ নেপাল ৩,৯৪,৬৬৭ ৩,৭২০ ৩,০২,৭৮৭
৪৭ স্লোভাকিয়া ৩,৮৫,৪৭৫ ১২,০১৯ ৩,৬৭,৯২১
৪৮ বেলারুশ ৩,৬৮,৮৮৮ ২,৬৩২ ৩,৫৯,৬৮৭
৪৯ পানামা ৩,৬৭,৫৬৫ ৬,২৭১ ৩,৫৭,১০১
৫০ গ্রীস ৩,৬২,০০৪ ১১,০২৯ ৩,২৩,৪৫৮
৫১ ক্রোয়েশিয়া ৩,৪৪,৪৯৪ ৭,৪৬৯ ৩,২৭,৪০৪
৫২ কাজাখস্তান ৩,৪২,৫৮৯ ৩,৯১৩ ২,৯৭,২৬৮
৫৩ আজারবাইজান ৩,২৬,৭১৬ ৪,৬৮০ ৩,০৬,১১৯
৫৪ জর্জিয়া ৩,২১,৯১৯ ৪,২৮১ ৩,০০,৯৮৯
৫৫ তিউনিশিয়া ৩,২০,৮১৩ ১১,৪২৯ ২,৭৭,৪৯৭
৫৬ বলিভিয়া ৩,১৭,৫৪৭ ১৩,২০৫ ২,৬০,৪৩৮
৫৭ ফিলিস্তিন ৩,০১,৭৫১ ৩,৩৫৮ ২,৮৬,৩৮৫
৫৮ প্যারাগুয়ে ২,৯৭,৭৮৯ ৭,১৩০ ২,৪৬,৬৮০
৫৯ কুয়েত ২,৮৫,০৬৮ ১,৬৪৫ ২,৬৯,৬৩৩
৬০ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ২,৭১,৫৪৮ ৩,৫৩২ ২,৩১,৬৪৫
৬১ কোস্টারিকা ২,৬৫,৪৮৬ ৩,৩৬৫ ২,১২,৫২৫
৬২ ইথিওপিয়া ২,৬২,৭০২ ৩,৮৮৮ ২,১০,০৩০
৬৩ ডেনমার্ক ২,৫৯,০৫৬ ২,৪৯৭ ২,৪৫,৫৬২
৬৪ লিথুনিয়া ২,৫৭,৮২৭ ৪,০৩৪ ২,৩২,০৭৬
৬৫ আয়ারল্যান্ড ২,৫২,৮০৯ ৪,৯২১ ২,৩৫,২৭৩
৬৬ মলদোভা ২,৫২,৭৪৯ ৫,৯৫২ ২,৪৩,৫৩৪
৬৭ স্লোভেনিয়া ২,৪৬,০৮২ ৪,২৯৩ ২,৩২,৭৯৮
৬৮ মিসর ২,৩৭,৪১০ ১৩,৯০৪ ১,৭৬,৭৬৩
৬৯ গুয়াতেমালা ২,৩৫,০৯৮ ৭,৭৩৩ ২,১৩,৬৪১
৭০ উরুগুয়ে ২,২০,৬৮৩ ৩,১২২ ১,৯২,১১৪
৭১ হন্ডুরাস ২,১৯,২৮৮ ৫,৬১৭ ৮১,৩৮২
৭২ আর্মেনিয়া ২,১৯,২৭০ ৪,২৩৪ ২,০৪,৫৭৮
৭৩ কাতার ২,১০,৯৯২ ৫০৮ ২,০১,৫৩০
৭৪ ভেনেজুয়েলা ২,০৭,৮৭০ ২,২৯১ ১,৯০,৭৬৮
৭৫ ওমান ২,০১,৩৫০ ২,১২০ ১,৮৪,৬৪৭
৭৬ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,০০,৬৯৩ ৮,৭৯০ ১,৬৪,৭১৭
৭৭ বাহরাইন ১,৮৯,৩৫৬ ৬৮৫ ১,৭৫,৩৩২
৭৮ লিবিয়া ১,৭৯,৯৭০ ৩,০৭০ ১,৬৬,৩৪০
৭৯ নাইজেরিয়া ১,৬৫,৪১৯ ২,০৬৫ ১,৫৬,২৯৭
৮০ কেনিয়া ১,৬৩,৫৫৪ ২,৮৯৫ ১,১১,১৯১
৮১ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১,৫৪,০২৬ ৫,০৯৩ ১,৩৭,৯৬২
৮২ মায়ানমার ১,৪২,৯৪৭ ৩,২১০ ১,৩২,০১৩
৮৩ আলবেনিয়া ১,৩১,৭২৩ ২,৪১২ ১,১৭,০৮৯
৮৪ দক্ষিণ কোরিয়া ১,২৭,৩০৯ ১,৮৭৪ ১,১৭,৪২৩
৮৫ শ্রীলংকা ১,২৫,৯০৬ ৭৮৬ ১,০৪,৪৬৩
৮৬ এস্তোনিয়া ১,২৫,১২৬ ১,২০১ ১,১৫,৯০৮
৮৭ আলজেরিয়া ১,২৪,১০৪ ৩,৩২৮ ৮৬,৪২০
৮৮ লাটভিয়া ১,২৩,৯৬৩ ২,২১২ ১,১৩,২১৪
৮৯ নরওয়ে ১,১৬,৩৬৫ ৭৬৭ ৮৮,৯৫২
৯০ কিউবা ১,১৫,৯৮১ ৭৩২ ১,০৯,৩৬৩
৯১ কিরগিজস্তান ৯৮,৪০০ ১,৬৫৫ ৯১,৫৫৯
৯২ মন্টিনিগ্রো ৯৮,৩০৩ ১,৫৪০ ৯৪,৯৬৩
৯৩ উজবেকিস্তান ৯৪,৩৯৭ ৬৬২ ৯০,০৫৩
৯৪ ঘানা ৯২,৯৫১ ৭৮৩ ৯০,৫৬৮
৯৫ জাম্বিয়া ৯২,০৯২ ১,২৫৭ ৯০,৪২৮
৯৬ চীন ৯০,৭৫৮ ৪,৬৩৬ ৮৫,৮২২
৯৭ ফিনল্যাণ্ড ৮৮,৭২৩ ৯২২ ৪৬,০০০
৯৮ থাইল্যান্ড ৮৩,৩৭৫ ৩৯৯ ৫৩,৬০৫
৯৯ ক্যামেরুন ৭৪,৯৪৬ ১,১৫২ ৭০,৪৯৭
১০০ এল সালভাদর ৭০,৩৮০ ২,১৫৪ ৬৫,৯২১
১০১ মোজাম্বিক ৭০,২১২ ৮২৩ ৬৭,৭৮৫
১০২ সাইপ্রাস ৬৯,৪৩২ ৩৩৬ ৩৯,০৬১
১০৩ লুক্সেমবার্গ ৬৮,১৫৩ ৮০১ ৬৪,৯৪৩
১০৪ আফগানিস্তান ৬২,০৬৩ ২,৬৯৮ ৫৪,২২২
১০৫ সিঙ্গাপুর ৬১,৩৫৯ ৩১ ৬০,৯৩৩
১০৬ নামিবিয়া ৫০,০৭০ ৬৮৯ ৪৭,৩০০
১০৭ বতসোয়ানা ৪৮,৪১৭ ৭৩৪ ৪৬,২২৬
১০৮ জ্যামাইকা ৪৬,৭০৮ ৮০৬ ২২,২৬৮
১০৯ আইভরি কোস্ট ৪৬,৪৪২ ২৯১ ৪৫,৮৪৭
১১০ মঙ্গোলিয়া ৪৪,৮২০ ১৬২ ৩১,৩৭৩
১১১ উগান্ডা ৪২,৩৫৫ ৩৪৬ ৪১,৯২৪
১১২ সেনেগাল ৪০,৬৯২ ১,১১৯ ৩৯,৩৮৪
১১৩ মাদাগাস্কার ৩৯,০১২ ৭২২ ৩৬,০২২
১১৪ জিম্বাবুয়ে ৩৮,৪১৯ ১,৫৭৬ ৩৬,০৬৩
১১৫ মালদ্বীপ ৩৫,৮১৫ ৮৪ ২৬,২৯৯
১১৬ মালাউই ৩৪,১৭১ ১,১৫৩ ৩২,১৫৯
১১৭ সুদান ৩৩,৬৪৮ ২,৩৬৫ ২৭,২৪৭
১১৮ মালটা ৩০,৪৪৭ ৪১৭ ২৯,৮০৫
১১৯ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৩০,৩২৩ ৭৭২ ২৬,৪৩৪
১২০ অস্ট্রেলিয়া ২৯,৯১৬ ৯১০ ২৮,৭৫৮
১২১ অ্যাঙ্গোলা ২৮,৭৪০ ৬৩৩ ২৪,৭১৭
১২২ কেপ ভার্দে ২৬,৪৪১ ২৩২ ২৩,০৩৭
১২৩ রুয়ান্ডা ২৫,৬৫২ ৩৩৮ ২৪,১৫৩
১২৪ গ্যাবন ২৩,৪৩২ ১৪৩ ১৯,৯৪৪
১২৫ সিরিয়া ২৩,৩৭৯ ১,৬৫৭ ১৮,৭৩৭
১২৬ গিনি ২২,৬৩৩ ১৫০ ২০,২৩১
১২৭ রিইউনিয়ন ২১,৬০১ ১৫০ ১৯,৮৪৮
১২৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ২০,৩৬৬ ১০৪ ৯,৯৯৫
১২৯ মায়োত্তে ২০,১৩৪ ১৭০ ২,৯৬৪
১৩০ কম্বোডিয়া ১৯,২৩৭ ১২০ ৭,৬৪১
১৩১ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৮,৭৯০ ১৪১ ১৮,৬১৭
১৩২ মৌরিতানিয়া ১৮,৬৬৭ ৪৫৬ ১৭,৮৯৯
১৩৩ ইসওয়াতিনি ১৮,৪৮০ ৬৭১ ১৭,৭৮৩
১৩৪ গুয়াদেলৌপ ১৫,৩৬০ ২১০ ২,২৪২
১৩৫ সোমালিয়া ১৪,৪১৫ ৭৪৭ ৬,১৯১
১৩৬ গায়ানা ১৪,৩৬২ ৩২৫ ১২,১৫৪
১৩৭ মালি ১৪,১০৮ ৫০০ ৯,০১০
১৩৮ এনডোরা ১৩,৪২৩ ১২৭ ১২,৯৯৫
১৩৯ বুর্কিনা ফাঁসো ১৩,৩৭৯ ১৬২ ১৩,১৫৬
১৪০ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১৩,৩৫৫ ২১১ ৯,২৩৭
১৪১ তাজিকিস্তান ১৩,৩০৮ ৯০ ১৩,২১৮
১৪২ হাইতি ১৩,১৬৪ ২৬৩ ১২,১৫৪
১৪৩ টোগো ১৩,১৫৪ ১২৪ ১১,৬৯১
১৪৪ বেলিজ ১২,৬৮৬ ৩২৩ ১২,২৮৮
১৪৫ কিউরাসাও ১২,২৩৫ ১১৪ ১১,৯৫৭
১৪৬ হংকং ১১,৮০৮ ২১০ ১১,৪৯৩
১৪৭ পাপুয়া নিউ গিনি ১১,৬৩০ ১২১ ১০,৩১২
১৪৮ মার্টিনিক ১১,৫৫৮ ৮৩ ৯৮
১৪৯ জিবুতি ১১,৩৩৫ ১৪৯ ১১,০৪১
১৫০ কঙ্গো ১১,১৪৭ ১৪৮ ৮,২০৮
১৫১ সুরিনাম ১১,১১২ ২১৫ ৯,৭৭৮
১৫২ বাহামা ১০,৭৭৩ ২১২ ৯,৭৮১
১৫৩ লেসোথো ১০,৭৭৩ ৩১৯ ৬,৪২৭
১৫৪ আরুবা ১০,৭৭০ ১০১ ১০,৫৭৩
১৫৫ দক্ষিণ সুদান ১০,৬৩৭ ১১৫ ১০,৩১২
১৫৬ বেনিন ৭,৮৮৪ ১০০ ৭,৬৫২
১৫৭ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৭,৬৯৪ ১১২ ৭,২৭৯
১৫৮ নিকারাগুয়া ৬,৯৮৯ ১৮৩ ৪,২২৫
১৫৯ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৬,৬৭৪ ৯৩ ৫,১১২
১৬০ আইসল্যান্ড ৬,৫০৬ ২৯ ৬,৩৪৭
১৬১ ইয়েমেন ৬,৪৮২ ১,২৭১ ২,৯৯২
১৬২ সিসিলি ৬,৩৭৩ ২৮ ৫,২৭৭
১৬৩ গাম্বিয়া ৫,৯২৯ ১৭৫ ৫,৫৯৮
১৬৪ নাইজার ৫,৩১৯ ১৯২ ৪,৮৮৫
১৬৫ সান ম্যারিনো ৫,০৬৭ ৯০ ৪,৯৩৫
১৬৬ চাদ ৪,৮৭৭ ১৭১ ৪,৬৪৯
১৬৭ সেন্ট লুসিয়া ৪,৬৫৪ ৭৫ ৪,৪৪৪
১৬৮ জিব্রাল্টার ৪,২৯১ ৯৪ ৪,১৮৯
১৬৯ বুরুন্ডি ৪,১৭৭ ৭৭৩
১৭০ চ্যানেল আইল্যান্ড ৪,১১১ ৮৬ ৩,৯৬৫
১৭১ সিয়েরা লিওন ৪,০৬৮ ৭৯ ৩,০৭৮
১৭২ বার্বাডোস ৩,৯৪২ ৪৫ ৩,৮৫৬
১৭৩ কমোরস ৩,৮৫৪ ১৪৬ ৩,৬৮২
১৭৪ ইরিত্রিয়া ৩,৭৪২ ১২ ৩,৬০২
১৭৫ গিনি বিসাউ ৩,৭৪১ ৬৭ ৩,৪০০
১৭৬ ভিয়েতনাম ৩,৩৩২ ৩৫ ২,৬০২
১৭৭ পূর্ব তিমুর ৩,২২৭ ১,৬৮৩
১৭৮ লিচেনস্টেইন ২,৯৭০ ৫৮ ২,৮৫৮
১৭৯ নিউজিল্যান্ড ২,৬৪২ ২৬ ২,৫৮৯
১৮০ মোনাকো ২,৪৭৯ ৩২ ২,৪১৩
১৮১ বারমুডা ২,৪৩৪ ৩০ ২,০৯৫
১৮২ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২,৪০২ ১৭ ২,৩৫৮
১৮৩ সিন্ট মার্টেন ২,২৬০ ২৭ ২,২০৩
১৮৪ লাইবেরিয়া ২,১১৪ ৮৫ ১,৯৬২
১৮৫ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ১,৯১২ ১২ ১,৭৪১
১৮৬ সেন্ট মার্টিন ১,৭৭৩ ১২ ১,৩৯৯
১৮৭ আইল অফ ম্যান ১,৫৯০ ২৯ ১,৫৫০
১৮৮ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১,৫৮১ ১৭ ৬,৪৪৫
১৮৯ লাওস ১,৩০২ ২৩২
১৯০ মরিশাস ১,২৪৬ ১৭ ১,১২৩
১৯১ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১,২৩২ ৩২ ১,১৬৮
১৯২ ভুটান ১,২২১ ১,০৬৭
১৯৩ তাইওয়ান ১,১৮৪ ১২ ১,০৮৯
১৯৪ সেন্ট বারথেলিমি ৯৭৪ ৪৬২
১৯৫ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
১৯৬ ফারে আইল্যান্ড ৬৬৮ ৬৬২
১৯৭ কেম্যান আইল্যান্ড ৫৪৮ ৫৩৭
১৯৮ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৯৯ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৪৫ ৪৪
২০০ ব্রুনাই ২৩০ ২১৮
২০১ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ২১৬ ১৯১
২০২ ডোমিনিকা ১৭৫ ১৭৫
২০৩ গ্রেনাডা ১৬০ ১৫৮
২০৪ ফিজি ১৩৯ ৯৮
২০৫ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১২৪ ৫৮
২০৬ এ্যাঙ্গুইলা ৯৯ ৪৯
২০৭ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৬৩ ৬৩
২০৮ ম্যাকাও ৪৯ ৪৯
২০৯ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৪৫ ৪৪
২১০ গ্রীনল্যাণ্ড ৩১ ৩১
২১১ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২১২ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ২৫ ২৫
২১৩ মন্টসেরাট ২০ ১৯
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড ২০ ২০
২১৫ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৬ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৭ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৮ ভানুয়াতু
২১৯ সামোয়া
২২০ সেন্ট হেলেনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]