রাজস্বের ‘অবাস্তব’ লক্ষ্যমাত্রায় বাড়ছে ঋণের বোঝা

মেসবাহুল হক
মেসবাহুল হক মেসবাহুল হক , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৩৮ পিএম, ৩০ মে ২০২০

>> ঋণের সুদ পরিশোধে বরাদ্দ বাড়ছে ৬৪৪৮ কোটি টাকা
>> ‘বস্তাপচা’ চার কৌশল দিয়েই রাজস্ব বাড়াতে চায় সরকার
>> করফাঁকি রোধে গুরুত্ব দেয়ার তাগিদ অর্থনীতিবিদদের

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) কারণে থমকে গেছে ব্যবসা-বাণিজ্য। ফলে চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আহরণে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-কে প্রায় অবাস্তব তিন লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা দিয়ে আগামী ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে প্রণিত হচ্ছে। তবে খোদ এনবিআরই বলছে, রাজস্বের এ লক্ষ্যমাত্রা কোনোভাবেই অর্জন সম্ভব নয়।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরাও বলছেন, এমন অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব নয়। অতিরিক্ত রাজস্বের চাপে হয়রানিতে পড়বেন করদাতারা। আর সরকারকে ব্যয় মেটাতে অতিরিক্ত ঋণ গ্রহণ করতে হবে। অতিরিক্ত সেই ঋণের বোঝা বহন করতে হবে জনগণকে। এভাবে দিনদিন জাতির ঘাড়ে বেড়ে যাচ্ছে ঋণের মাত্রা। তাই আয়-ব্যয়ের যৌক্তিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের তাগিদ তাদের।

তারা আরও বলছেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে স্থবির গোটাবিশ্ব। দেশেও প্রায় দুই মাস ধরে চলছে সাধারণ ছুটি। থমকে গেছে ব্যবসা-বাণিজ্য। চলতি অর্থবছর শেষে রাজস্ব আদায় গত অর্থবছরের চেয়ে কমবে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা। এ অনুমান সত্যি হলে দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম আগের অর্থবছরের তুলনায় কম রাজস্ব আহরণ হবে।

budget

করোনার প্রভাবে রাজস্ব আদায় কমে যাওয়া এবং আগামী অর্থবছরে যৌক্তিক হারে রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের অনুরোধ জানিয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন। এ চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

করোনায় রাজস্ব আহরণের প্রভাব এবং এনবিআরের অবস্থান নিয়ে তিন পর্বের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজ থাকছে শেষটি।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, আগামী ২০২০-২১ অর্থবছরে রাজস্ব বাড়াতে চারটি কৌশল গ্রহণ করেছে সরকর। এগুলো হচ্ছে- আয়কর প্রদানকারীর সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণ, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিশেষ প্রণোদনা প্রদান এবং কাস্টমস ও বন্ডেড ওয়্যারহাউজের সব কার্যক্রম অটোমেশনের আওতায় আনা।

budget

এছাড়া ভ্যাট আইন বাস্তবায়নের নিমিত্তে দ্রুত এবং ব্যাপক ভিত্তিতে ইলেক্ট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি) যন্ত্র ক্রয়, স্থাপন ও কার্যকর করা। পাশাপাশি আমদানি-রফতানি পণ্য সব পয়েন্টে শতভাগ স্ক্যানিং মেশিনের মাধ্যমে পরীক্ষার কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন করা। তবে সরকারের এসব কৌশল ‘পুরোনো ও বস্তাপচা’ বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদরা।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা অর্থনীতিবিদ ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘এগুলো তো সব পুরোনা কথাবার্তা। এখন করফাঁকি রোধের বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। তাছাড়া করহার বাড়ানো যাবে না এমনকি করোনাকালীন বর্তমান প্রেক্ষাপটে নতুন করদাতাও খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে।’

‘ভ্যাট আদায় বাড়াবে বলছে, সেক্ষেত্রে ব্যবসা-বাণিজ্য তো বন্ধ। আমদানি-রফতানিতেও ধস, তাই শুল্কও বাড়বে না। কাজেই এসব কথাবার্তা অবাস্তব। রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রাও অবাস্তব।’

budget

এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম

এদিকে গত বছরের ২৪ জুলাই অনলাইনে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আদায়ে এক লাখ ইলেক্ট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি), ৫০০ ইউনিট সেলস ডাটা কন্ট্রোলার (এসডিসি) এবং ফিসক্যাল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ইএফডিএমএস) কেনার উদ্যোগ গ্রহণ করে সরকার। ২৪ জুলাই কমিটির আহ্বায়ক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদনও দেয়া হয়। এসব ইএফডি কিনে গত বছরই এর মাধ্যমে ভ্যাট আদায়ের পরিকল্পনা ছিল অর্থমন্ত্রীর। কিন্তু সেটা আজ পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়নি। একইভাবে আমদানি-রফতানি পণ্য সব পয়েন্টে শতভাগ স্ক্যানিংয়ের উদ্যোগও অনেক আগেই গ্রহণ করা হয়। কিন্তু তাও বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।

তাই আগামী বাজেটে বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে যৌক্তিক পরিমাণ রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের তাগিদ দেন বিশ্লেষকরা। তারপরও যদি অযৌক্তিক পরিমাণ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয় তাহলে তা কখনই অর্জন করতে পারবে না এনবিআর। ফলশ্রুতিতে সরকারকে বেশি বেশি পরিমাণ ঋণ গ্রহণ করতে হবে। এতে জাতির ঘাড়ে ঋণের বোঝা আরও বেড়ে যাবে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজস্ব আহরণে অতিরিক্ত লক্ষ্যমাত্রা দেয়া সঠিক নয়। সেটা যখন অর্জন সম্ভব না হয় তখন ম্যাক্রো ইকোনমি ম্যানেজমেন্টেও সমস্যা হয়। রাজস্ব আয় তিন লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণই হচ্ছে এর বিপরীতে সরকার এত টাকা ব্যয় করবে; মূলত এটা ধরেই বাজেট প্রণয়ন। ব্যয়ের বাজেট ঠিক করেই সরকার আয়ের বাজেট করে।

mozid

ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ

ব্যয়ের বাজেট বড় হওয়ায় এনবিআরের টার্গেটও বড় হয়। ব্যয়ের বাজেট বড় হোক— এটা ঠিক আছে। সরকারের ব্যয় মানেই অর্থনীতির আয়। কিন্তু সেজন্য টাকার সংস্থান আছে কি-না, সেটা না দেখে ব্যয়ের বাজেট বাড়ানো ঠিক নয়। এনবিআরকে একটি অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা দেয়া হলো কিন্তু তারা সেটি অর্জন করতে পারল না, তখন ব্যয় মেটাতে সরকারকে দেশি-বিদেশি উৎস থেকে লোন নিতে হবে। অতিরিক্ত টার্গেট নির্ধারণ করে যখন বাজেট দেয়া হয় তখন সরকারের এ ঋণের পরিমাণ-টাও বেড়ে যায়। আইনগতভাবেও এটা একটা অনিয়ম, অযৌক্তিক। কারণ আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি করলে অর্থনীতি আরও বেশি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়বে।

এছাড়া বাজেট হচ্ছে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া একটি লিখিত দলিল। এতে যা বলা হয় তাই অধিকারে রূপ নেয়। তাই অযৌক্তিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে অর্থনীতি-কে ঋণগ্রস্ত করে দেয়ার অধিকার দিয়ে দেয়া হয়। মনের মতো একটা লম্বা বাজেট তৈরি করলাম তারপর এনবিআরকে বললাম, এত টাকা রাজস্ব আদায় করতে হবে। এটা বলার মানে হলো এনবিআরের ওপর তা চাপিয়ে দেয়া।

রাজস্ব বাড়াতে সরকারের চারটি কৌশলকে ‘বস্তাপচা’ উল্লেখ করে সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ বলেন, ‘এসব কৌশল অলরেডি তো আছে। কিন্তু কোনো কাজে আসছে না। কেন ইএফডি মেশিন এখনও রেডি করা হয়নি। কেন সব অনলাইন হয়নি— এসব উত্তর তো যথাযথ কর্তৃপক্ষকে দিতে হবে। প্রত্যেক বিভাগকে জবাবদিহিতায় আনতে হবে। এভাবে অযৌক্তি রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা দিয়ে জাতিকে ঋণের দিকে ঠেলে দেয়াটা আইনসম্মতও নয়।’

budgert

এদিকে অর্থবিভাগ বলছে, আগামী বাজেটে দেশি-বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধবাবদ বরাদ্দ বাড়ছে ছয় হাজার ৪৪৮ কোটি টাকা। আগামী বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ রাখা হচ্ছে ৬৩ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে যা রয়েছে ৫৭ হাজার ৬৭ কোটি টাকা, অবশ্য সংশোধিত বাজেটে তা বাড়িয়ে করা হয় ৫৭ হাজার ৬৬৩ কোটি টাকা। গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে যা ছিল ৪৮ হাজার ৭৪৫ কোটি টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ছিল ৪২ হাজার ৬৬৭ কোটি টাকা।

করোনাভাইরাসের কারণে থমকে যাওয়া অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যেই আগামী ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য প্রায় পাঁচ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বাজেটে এনবিআরকে তিন লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা দেয়া হচ্ছে। আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের কথা রয়েছে।

অর্থ বিভাগের সূত্রগুলো জানায়, পাঁচ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা ধরে আগামী বাজেট প্রণয়নের কথা ভাবা হয়েছিল। পরে তা কমিয়ে পাঁচ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকার কথা চিন্তা করা হয়। করোনার নেতিবাচক প্রভাব সব খাতে পড়ায় শেষপর্যন্ত বাজেটের আকার কম ধরা হচ্ছে।

এমইউএইচ/এমএআর/জেআইএম

ভ্যাট আদায় বাড়াবে সেক্ষেত্রে ব্যবসা-বাণিজ্য তো বন্ধ। আমদানি-রফতানিতেও ধস, তাই শুল্কও বাড়বে না। কাজেই এসব কথাবার্তা অবাস্তব। রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রাও অবাস্তব

কেন ইএফডি মেশন এখনও রেডি করা হয়নি। কেন সব অনলাইন হয়নি— এসব উত্তর তো যথাযথ কর্তৃপক্ষকে দিতে হবে। প্রত্যেক বিভাগকে জবাবদিহিতায় আনতে হবে

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১,১০,১৫,৩২৭
আক্রান্ত

৫,২৪,৭৪৫
মৃত

৬১,৭১,৮৬৪
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১,৫৬,৩৯১ ১,৯৬৮ ৬৮,০৪৮
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২৮,৩৭,২৩৭ ১,৩১,৪৮৫ ১১,৯১,৩০৬
ব্রাজিল ১৫,০১,৩৫৩ ৬১,৯৯০ ৯,১৬,১৪৭
রাশিয়া ৬,৬৭,৮৮৩ ৯,৮৫৯ ৪,৩৭,৮৯৩
ভারত ৬,২৮,২০৫ ১৮,২৪১ ৩,৮০,৩৭৪
যুক্তরাজ্য ৩,১৩,৪৮৩ ৪৩,৯৯৫ ৩৪৪
স্পেন ২,৯৭,১৮৩ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
পেরু ২,৯২,০০৪ ১০,০৪৫ ১,৮২,০৯৭
চিলি ২,৮৪,৫৪১ ৫,৯২০ ২,৪৯,২৪৭
১০ ইতালি ২,৪০,৯৬১ ৩৪,৮১৮ ১,৯১,০৮৩
১১ মেক্সিকো ২,৩৮,৫১১ ২৯,১৮৯ ১,৪৯,৩১৮
১২ ইরান ২,৩৫,৪২৯ ১১,২৬০ ১,৯৬,৪৪৬
১৩ পাকিস্তান ২,২১,৮৯৬ ৪,৫৫১ ১,১৩,৬২৩
১৪ তুরস্ক ২,০২,২৮৪ ৫,১৬৭ ১,৭৬,৯৬৫
১৫ সৌদি আরব ১,৯৭,৬০৮ ১,৭৫২ ১,৩৭,৬৬৯
১৬ জার্মানি ১,৯৬,৭১৭ ৯,০৬৪ ১,৮১,০০০
১৭ ফ্রান্স ১,৮৯,২২০ ২৯,৮৭৫ ৭৬,৮০২
১৮ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,৬৮,০৬১ ২,৮৪৪ ৮১,৯৯৯
১৯ কলম্বিয়া ১,০৬,১১০ ৩,৬৪১ ৪৪,৫৩১
২০ কানাডা ১,০৪,৭৭২ ৮,৬৪২ ৬৮,৩৪৭
২১ কাতার ৯৭,৮৯৭ ১১৮ ৮৬,৫৯৭
২২ চীন ৮৩,৫৪২ ৪,৬৩৪ ৭৮,৪৯৯
২৩ মিসর ৭১,২৯৯ ৩,১২০ ১৯,২৮৮
২৪ সুইডেন ৭০,৬৩৯ ৫,৪১১ ৪,৯৭১
২৫ আর্জেন্টিনা ৬৯,৯৪১ ১,৩৮৫ ২৪,১৮৬
২৬ বেলারুশ ৬২,৬৯৮ ৪০৫ ৪৮,৭৩৮
২৭ বেলজিয়াম ৬১,৭২৭ ৯,৭৬৫ ১৭,০৭৩
২৮ ইন্দোনেশিয়া ৬০,৬৯৫ ৩,০৩৬ ২৭,৫৬৮
২৯ ইকুয়েডর ৫৯,৪৬৮ ৪,৬৩৯ ২৮,০৩২
৩০ ইরাক ৫৩,৭০৮ ২,১৬০ ২৭,৯১২
৩১ নেদারল্যান্ডস ৫০,৩৩৫ ৬,১১৩ ২৫০
৩২ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৪৯,৪৬৯ ৩১৭ ৩৮,৬৬৪
৩৩ কুয়েত ৪৭,৮৫৯ ৩৫৯ ৩৮,৩৯০
৩৪ ইউক্রেন ৪৬,৭৬৩ ১,২১২ ২০,৫৫৮
৩৫ সিঙ্গাপুর ৪৪,৪৭৯ ২৬ ৩৯,৪২৯
৩৬ কাজাখস্তান ৪৪,০৭৫ ৪৮৯ ২৬,২৫১
৩৭ ওমান ৪৩,৯২৯ ১৯৩ ২৬,১৬৯
৩৮ পর্তুগাল ৪২,৭৮২ ১,৫৮৭ ২৮,০৯৭
৩৯ ফিলিপাইন ৪০,৩৩৬ ১,২৮০ ১১,০৭৩
৪০ বলিভিয়া ৩৫,৫২৮ ১,২৭১ ১০,৩৫৮
৪১ পোল্যান্ড ৩৫,৪০৫ ১,৫০৭ ২২,৬৫১
৪২ পানামা ৩৫,২৩৭ ৬৬৭ ১৬,৪৪৫
৪৩ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৩৪,১৯৭ ৭৬৫ ১৮,১৪১
৪৪ আফগানিস্তান ৩২,৩২৪ ৮১৯ ১৭,৩৩১
৪৫ সুইজারল্যান্ড ৩২,১০১ ১,৯৬৫ ২৯,২০০
৪৬ রোমানিয়া ২৮,১৬৬ ১,৭০৮ ২০,৪৩৩
৪৭ বাহরাইন ২৭,৮৩৭ ৯৪ ২২,৫৮৩
৪৮ ইসরায়েল ২৭,৬১১ ৩২৬ ১৭,৬০৭
৪৯ আর্মেনিয়া ২৭,৩২০ ৪৬৯ ১৫,৪৮৪
৫০ নাইজেরিয়া ২৭,১১০ ৬১৬ ১০,৮০১
৫১ আয়ারল্যান্ড ২৫,৪৮৯ ১,৭৩৮ ২৩,৩৬৪
৫২ হন্ডুরাস ২১,১২০ ৫৯১ ২,১৯০
৫৩ গুয়াতেমালা ২০,০৭২ ৮৪৩ ৩,২৭৯
৫৪ জাপান ১৮,৮৭৪ ৯৭৫ ১৬,৭৭২
৫৫ আজারবাইজান ১৮,৬৮৪ ২২৮ ১০,৪২৫
৫৬ ঘানা ১৮,১৩৪ ১১৭ ১৩,৫৫০
৫৭ অস্ট্রিয়া ১৮,০৫০ ৭০৫ ১৬,৫৫৮
৫৮ মলদোভা ১৭,১৫০ ৫৬০ ৯,৮৪৬
৫৯ নেপাল ১৫,২৫৯ ৩২ ৬,১৪৩
৬০ সার্বিয়া ১৫,১৯৫ ২৮৭ ১২,৯১২
৬১ আলজেরিয়া ১৪,৬৫৭ ৯২৮ ১০,৩৪২
৬২ মরক্কো ১৩,২১৫ ২৩০ ৯,১৫৮
৬৩ দক্ষিণ কোরিয়া ১২,৯৬৭ ২৮২ ১১,৭৫৯
৬৪ ডেনমার্ক ১২,৮১৫ ৬০৬ ১১,৭৬৯
৬৫ ক্যামেরুন ১২,৫৯২ ৩১৩ ১০,১০০
৬৬ চেক প্রজাতন্ত্র ১২,১৭৮ ৩৫৩ ৭,৮২২
৬৭ আইভরি কোস্ট ৯,৯৯২ ৬৮ ৪,৬৬০
৬৮ সুদান ৯,৬৬৩ ৬০৪ ৪,৬২৪
৬৯ উজবেকিস্তান ৯,১৯৯ ২৭ ৬,০৩৪
৭০ নরওয়ে ৮,৯০২ ২৫১ ৮,১৩৮
৭১ মালয়েশিয়া ৮,৬৪৮ ১২১ ৮,৪৪৬
৭২ অস্ট্রেলিয়া ৮,২৫৫ ১০৪ ৭,৩১৯
৭৩ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৭,৩১১ ১৭৯ ২,৬৮৪
৭৪ এল সালভাদর ৭,২৬৭ ২০২ ৪,২৬৮
৭৫ ফিনল্যাণ্ড ৭,২৪১ ৩২৮ ৬,৭০০
৭৬ সেনেগাল ৭,১৬৪ ১২৫ ৪,৬৬৬
৭৭ কেনিয়া ৬,৯৪১ ১৫২ ২,১০৯
৭৮ কিরগিজস্তান ৬,৭৬৭ ৭৬ ২,৬৫৫
৭৯ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৬,৬২৫ ৩২১ ২,৭৪৮
৮০ ভেনেজুয়েলা ৬,২৭৩ ৫৭ ২,১০০
৮১ হাইতি ৬,১০১ ১১০ ১,১৪১
৮২ তাজিকিস্তান ৬,০৫৮ ৫২ ৪,৬৯০
৮৩ ইথিওপিয়া ৫,৮৪৬ ১০৩ ২,৪৩০
৮৪ গ্যাবন ৫,৫১৩ ৪২ ২,৫০৮
৮৫ গিনি ৫,৪৫০ ৩৩ ৪,৩৯২
৮৬ বুলগেরিয়া ৫,৩১৫ ২৩২ ২,৮০২
৮৭ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৪,৭৮৮ ১৮৯ ২,৫১৫
৮৮ জিবুতি ৪,৭১৫ ৫৫ ৪,৫৬৪
৮৯ মৌরিতানিয়া ৪,৬০৬ ১২৯ ১,৭২৭
৯০ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪,৪৪৪ ১৬ ১,৬৮০
৯১ লুক্সেমবার্গ ৪,৩৯৫ ১১০ ৪,০১২
৯২ হাঙ্গেরি ৪,১৭২ ৫৮৮ ২,৭৫২
৯৩ কোস্টারিকা ৪,০২৩ ১৮ ১,৫৮৯
৯৪ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৩,৭৮৮ ৪৭ ৮১০
৯৫ গ্রীস ৩,৪৫৮ ১৯২ ১,৩৭৪
৯৬ থাইল্যান্ড ৩,১৮০ ৫৮ ৩,০৬৬
৯৭ ফিলিস্তিন ৩,১৪৮ ১০ ৪৬৩
৯৮ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৩,০৭১ ৫১ ৮৪২
৯৯ সোমালিয়া ২,৯৪৪ ৯০ ৯৫১
১০০ ক্রোয়েশিয়া ২,৯১২ ১১০ ২,১৫৫
১০১ আলবেনিয়া ২,৭৫২ ৭২ ১,৫৯২
১০২ মায়োত্তে ২,৬৫০ ৩৫ ২,৩৪১
১০৩ নিকারাগুয়া ২,৫১৯ ৮৩ ১,২৩৮
১০৪ মাদাগাস্কার ২,৫১২ ২৬ ১,০৫৭
১০৫ মালদ্বীপ ২,৪০০ ১০ ১,৯৬৯
১০৬ কিউবা ২,৩৫৩ ৮৬ ২,২২১
১০৭ প্যারাগুয়ে ২,৩০৩ ১৯ ১,১০৮
১০৮ মালি ২,২৬০ ১১৭ ১,৫০২
১০৯ শ্রীলংকা ২,০৬৬ ১১ ১,৮৬৩
১১০ দক্ষিণ সুদান ২,০২১ ৩৮ ৩৩৩
১১১ এস্তোনিয়া ১,৯৯১ ৬৯ ১,৮৫৯
১১২ আইসল্যান্ড ১,৮৫০ ১০ ১,৮২৮
১১৩ লিথুনিয়া ১,৮২৮ ৭৯ ১,৫৩৯
১১৪ লেবানন ১,৭৯৬ ৩৫ ১,২৪২
১১৫ স্লোভাকিয়া ১,৭২০ ২৮ ১,৪৬৬
১১৬ গিনি বিসাউ ১,৬৫৪ ২৪ ৩১৭
১১৭ স্লোভেনিয়া ১,৬৫০ ১১১ ১,৩৮৪
১১৮ জাম্বিয়া ১,৬৩২ ৩০ ১,৩৪৮
১১৯ নিউজিল্যান্ড ১,৫৩০ ২২ ১,৪৯০
১২০ সিয়েরা লিওন ১,৫১৮ ৬০ ১,০০৭
১২১ কঙ্গো ১,৩৮২ ৪১ ৪৮৬
১২২ মালাউই ১,৩৪২ ১৬ ২৭১
১২৩ কেপ ভার্দে ১,৩০১ ১৫ ৬২৯
১২৪ হংকং ১,২৪৩ ১,১২০
১২৫ ইয়েমেন ১,২২১ ৩২৫ ৫১৩
১২৬ বেনিন ১,১৯৯ ২১ ৩৩৩
১২৭ তিউনিশিয়া ১,১৭৮ ৫০ ১,০৩৯
১২৮ জর্ডান ১,১৩৬ ৮৮৯
১২৯ লাটভিয়া ১,১২২ ৩০ ৯৯৭
১৩০ নাইজার ১,০৮১ ৬৮ ৯৫৯
১৩১ রুয়ান্ডা ১,০৬৩ ৪৯৩
১৩২ সাইপ্রাস ৯৯৯ ১৯ ৮৩৩
১৩৩ বুর্কিনা ফাঁসো ৯৬৭ ৫৩ ৮৪৬
১৩৪ উরুগুয়ে ৯৪৭ ২৮ ৮২৮
১৩৫ জর্জিয়া ৯৪৩ ১৫ ৮২১
১৩৬ মোজাম্বিক ৯১৮ ২৪৯
১৩৭ উগান্ডা ৯১১ ৮৪৯
১৩৮ লিবিয়া ৮৯১ ২৬ ২২৪
১৩৯ ইসওয়াতিনি ৮৭৩ ১১ ৪৫২
১৪০ চাদ ৮৬৮ ৭৪ ৭৮৫
১৪১ এনডোরা ৮৫৫ ৫২ ৮০০
১৪২ লাইবেরিয়া ৮১৯ ৩৭ ৩৩৮
১৪৩ জ্যামাইকা ৭১৫ ১০ ৫৬০
১৪৪ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৪৫ সান ম্যারিনো ৬৯৮ ৪৫ ৬৫৬
১৪৬ মালটা ৬৭২ ৬৫০
১৪৭ টোগো ৬৬৭ ১৪ ৪২৪
১৪৮ জিম্বাবুয়ে ৬১৭ ১৭৩
১৪৯ মন্টিনিগ্রো ৬১৬ ১২ ৩১৫
১৫০ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৭১ ৪৮ ৫২৮
১৫১ সুরিনাম ৫৪৭ ১৩ ২৫৩
১৫২ রিইউনিয়ন ৫৩১ ৪৭২
১৫৩ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৫৪ তাইওয়ান ৪৪৯ ৪৩৮
১৫৫ ভিয়েতনাম ৩৫৫ ৩৪০
১৫৬ মরিশাস ৩৪১ ১০ ৩৩০
১৫৭ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩১২
১৫৮ নামিবিয়া ৩৩৫ ২৫
১৫৯ অ্যাঙ্গোলা ৩১৫ ১৭ ৯৭
১৬০ সিরিয়া ৩১২ ১১৩
১৬১ মায়ানমার ৩০৪ ২২৩
১৬২ কমোরস ৩০৩ ২০০
১৬৩ গায়ানা ২৫০ ২৩ ১১৭
১৬৪ মার্টিনিক ২৪২ ১৪ ৯৮
১৬৫ বতসোয়ানা ২২৭ ২৮
১৬৬ মঙ্গোলিয়া ২২০ ১৭৯
১৬৭ ইরিত্রিয়া ২১৫ ৫৬
১৬৮ কেম্যান আইল্যান্ড ২০১ ১৯৪
১৬৯ ফারে আইল্যান্ড ১৮৭ ১৮৭
১৭০ গুয়াদেলৌপ ১৮২ ১৪ ১৫৭
১৭১ জিব্রাল্টার ১৭৮ ১৭৬
১৭২ বুরুন্ডি ১৭০ ১১৫
১৭৩ বারমুডা ১৪৬ ১৩৫
১৭৪ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৭৫ কম্বোডিয়া ১৪১ ১৩১
১৭৬ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১৩০ ১১৫
১৭৭ মোনাকো ১০৬ ৯৫
১৭৮ আরুবা ১০৪ ৯৮
১৭৯ বাহামা ১০৪ ১১ ৮৯
১৮০ বার্বাডোস ৯৭ ৯০
১৮১ লিচেনস্টেইন ৮৬ ৮১
১৮২ সিসিলি ৮১ ১১
১৮৩ সিন্ট মার্টেন ৭৭ ১৫ ৬২
১৮৪ ভুটান ৭৭ ৫০
১৮৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৬৯ ২৩
১৮৬ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬২ ৬০
১৮৭ গাম্বিয়া ৫৫ ২৭
১৮৮ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৮৯ ম্যাকাও ৪৬ ৪৫
১৯০ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৪৪ ১১
১৯১ সেন্ট মার্টিন ৪৩ ৩৭
১৯২ লেসোথো ৩৫ ১১
১৯৩ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২৯ ২৯
১৯৪ বেলিজ ২৮ ১৮
১৯৫ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯৬ গ্রেনাডা ২৩ ২৩
১৯৭ কিউরাসাও ২৩ ১৯
১৯৮ সেন্ট লুসিয়া ২২ ১৯
১৯৯ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২১ ২১
২০০ লাওস ১৯ ১৯
২০১ ডোমিনিকা ১৮ ১৮
২০২ ফিজি ১৮ ১৮
২০৩ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৫ ১৫
২০৪ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১৩
২০৫ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০৬ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২০৭ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৮ পাপুয়া নিউ গিনি ১১
২০৯ পশ্চিম সাহারা ১০
২১০ জান্ডাম (জাহাজ)
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ সেন্ট বারথেলিমি
২১৩ এ্যাঙ্গুইলা
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]