রিজেন্ট-জেকেজির করোনা সনদে মিলবে না সরকারি ক্ষতিপূরণ

মেসবাহুল হক
মেসবাহুল হক মেসবাহুল হক , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৫০ এএম, ১৩ জুলাই ২০২০

>> করোনায় মৃতরা ক্ষতিপূরণ পাবেন আগে

>> এ ক্ষতিপূরণ দেয়া বন্ধের পক্ষে অর্থনীতিবিদরা

>> ক্ষতিপূরণের লোভে অনেকেই ভুয়া সনদ সংগ্রহ করেছেন

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথমবারের মতো তিনজনের শরীরে শনাক্ত হয় মরণব্যাধী করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। শনাক্তের কয়েকদিন পরেই ভাইরাসটির সংক্রমণ ঠেকাতে ২৬ মার্চ থেকে সরকার কয়েক ধাপে ৬৬ দিন সাধারণ ছুটিও ঘোষণা করে। কিন্তু সাধারণ ছুটিতে ও এর পরবর্তী সময়েও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসনসহ মাঠপর্যায়ের কর্মীরা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

এমন পরিস্থিতিতে সরকারি চাকরিজীবীদের কাজে উদ্বুদ্ধ করতে সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেয়া হয়েছিল- কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনায় আক্রান্ত হলে ক্ষতিপূরণ বাবদ গ্রেডভেদে পাঁচ থেকে ১০ লাখ টাকা পাবেন। আর মারা গেলে পাবেন ২৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা। তবে এ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার লোভে দুর্নীতিগ্রস্ত রিজেন্ট হাসপাতাল ও জোবেদা খাতুন সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা তথা জেকেজি হেলথকেয়ারসহ আরও কিছু প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থের বিনিময়ে কোভিড-১৯ পজিটিভের সার্টিফিকেট সংগ্রহের হিড়িক পড়ে যায়।

কিন্তু করোনা পরীক্ষা নিয়ে রিজেন্ট ও জেকেজির অনিয়মের বিষয়টি সামনে আসার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে- যারা লোভে পড়ে ভুয়া সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে অর্থের আবেদন করছেন, তারাও কি ক্ষতিপূরণ পাবেন? অর্থ মন্ত্রণালয় বলছে- না, এসব (রিজেন্ট হাসপাতাল ও জেকেজি হেলথকেয়ার) দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান থেকে ভুয়া সার্টিফিকেট যারা নিয়েছেন বা নিচ্ছেন তারা কোনোভাবেই ক্ষতিপূরণ পাবেন না। এমন কী আর কিছুদিন দেখার পর এ ক্ষতিপূরণ দেয়াটাও বন্ধ করে দেয়ার কথা ভাবছে অর্থ বিভাগ।

এ বিষয়ে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এই ক্ষতিপূরণ যত দ্রুত সম্ভব বন্ধ করে দেয়া উচিত। কারণ এ ক্ষতিপূরণের লোভে হাজার মানুষ ভুয়া করোনা পজিটিভ সনদ সংগ্রহ করছেন। তাছাড়া সবার জীবনই খুব মূল্যবান। তাহলে শুধু সরকারি চাকরিজীবীরাই শুধু এ সুবিধা পাবে কেন?

এদিকে বেশকিছু হাসপাতাল/প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ইতোমধ্যেই ঢাকার রিজেন্ট হাসপাতাল করোনার হাজার হাজার ভুয়া রিপোর্ট দিয়েছে বলে প্রমাণ পেয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এমনকি নমুনা সংগ্রহ না করেই কিংবা পরীক্ষা না করেই মনগড়া রিপোর্ট দেয়ার প্রমাণ পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। একই অভিযোগের সত্যতা মিলেছে জেকেজি হেলথকেয়ারের বিরুদ্ধেও।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থ বিভাগের যুগ্মসচিব সিরাজুন নূর চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিক চিন্তা হচ্ছে, যারা করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তাদের ক্ষতিপূরণ আগে দেয়া হবে। ক্ষতিপূরণের প্রজ্ঞাপনটি জারি করা হয়েছিল এপ্রিলে, তখন প্রেক্ষাপট অন্যরকম ছিল। এসব ক্ষেত্রেও যে এ ধরনের ভুয়া সার্টিফিকেট দেয়ার বিষয়টি আসবে, এগুলো তো জানা ছিল না। এখনও আক্রান্তদের ক্ষতিপূরণ দেয়া শুরু হয়নি। ক্ষতিপূরণ দেয়ার ক্ষেত্রে আবেদনপত্র কঠোরভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘কোভিড পজিটিভের সার্টিফিকেট দিলেই তো সে আর ক্ষতিপূরণের জন্য যোগ্য হবে না। কারণ একবার কেউ পজিটিভ হলে নির্দিষ্ট সময়ে পর পর দুইবার নেগেটিভের সার্টিফিকেটও দিতে হবে। সুতরাং কেউ যদি ভুয়া সার্টিফিকেট নিয়ে আসে এ ক্ষেত্রে ধরাও পড়বে। তাছাড়া যারা এসব ভুয়া প্রতিষ্ঠান (রিজেন্ট হাসপাতাল ও জেকেজি হেলথকেয়ার) থেকে সার্টিফিকেট নিয়েছে তাদেরকে নিশ্চয় ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে না।’

বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় সব ধরনের প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হয়েছে, তাহলে ক্ষতিপূরণ কি স্থগিত করে দেয়া উচিত নয়- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এখনও ওইরকম চিন্তা করা হয়নি। কারণ সব খুলে দেয়া হলেও ভয়াবহতা তো এখনও কমে আসেনি। আরও কিছুদিন দেখার পর হয় তো এই মাসের (জুলাই) শেষের দিকে স্থগিত করা যায় কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

এ বিষয়ে ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্ট্যাডিজের (বিআইডিএস) সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ও অর্থনীতিবিদ ড. নাজনীন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হলে কিছু দেয়াটাও চলে। কিন্তু শুধু আক্রান্ত হলেই ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ, এটার কোনো মানে নেই। তখনই আমি বলেছিলাম, যখন পরে শত শত আক্রান্ত হবে তখন এটা দেয়া সম্ভব হবে না। তাই এটা যত দ্রুত সম্ভব বন্ধ করে দেয়া উচিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘যখন ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করা হয়, তখনই বলেছিলাম, এ অর্থের লোভে ভুয়া কোভিড পজিটিভ সার্টিফিকেটের হিড়িক পড়বে। এখন তাই হয়েছে। জীবনতো সবারই দামি, সরকারি চাকরিজীবীদের তো এটা ডিউটি। তাহলে তারা কেন আলাদাভাবে এ সুবিধা পাবে? তারা পেলে একজন সাধারণ মানুষের তো পাওয়া উচিত। আমি মনে করি, একমাত্র চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়া এটা আর কারও পাওয়া উচিত নয়।’

এদিকে শুরু থেকেই করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন সরকারি চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসনসহ মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাদের মধ্যে কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে ক্ষতিপূরণ বাবদ গ্রেডভেদে পাঁচ থেকে ১০ লাখ টাকা এবং মারা গেলে ২৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা দেয়ার ঘোষণা ইতোমধ্যে দিয়েছে সরকার।

এ বিষয়ে গত ২৩ এপ্রিল অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্রে বলা হয়, ‘করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগীদের সেবা প্রদানে সরাসরি কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীসহ এ সংক্রান্ত সরকার ঘোষিত নির্দেশনা বাস্তবায়নে মাঠ প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও প্রত্যক্ষভাবে নিয়োজিত প্রজাতন্ত্রের অন্যান্য কর্মচারী দায়িত্ব পালনকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে ক্ষতিপূরণ বাবদ সরাসরি আর্থিক সুবিধা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।’

ওই পরিপত্রে আরও বলা হয়, ২০১৫ এর বেতন স্কেল অনুযায়ী, ১৫-২০তম গ্রেডের কেউ আক্রান্ত হলে তিনি ক্ষতিপূরণ পাবেন পাঁচ লাখ, মারা গেলে পাবেন ২৫ লাখ টাকা। ১০-১৪তম গ্রেডের কেউ আক্রান্ত হলে পাবেন সাড়ে সাত লাখ এবং মারা গেলে সাড়ে ৩৭ লাখ টাকা। এছাড়া প্রথম-নবম গ্রেডের কেউ আক্রান্ত হলে পাবেন ১০ লাখ এবং মারা গেলে ৫০ লাখ টাকা।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি প্রশাসনের মাঠপর্যায়ে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ যারা প্রত্যক্ষভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তাদের সবার জন্য স্বাস্থ্যবীমার কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু বীমার ক্ষেত্রে সরকারকেই প্রিমিয়াম দিতে হবে। এছাড়া বীমার টাকা পেতে আইনি প্রক্রিয়া শেষ করতে অনেক সময় লেগে যায়। তাই মাঠপর্যায়ে যারা কাজ করছেন তাদের মধ্যে কেউ অসুস্থ হলে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে যে পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে-

>> করোনাভাইরাস পজিটিভের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যসেবাকর্মীসহ মাঠ প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী এবং প্রত্যক্ষভাবে নিয়োজিত প্রজাতন্ত্রের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনাভাইরাস পজিটিভের প্রমাণ বা মেডিকেল রিপোর্টসহ নিজ নিজ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের কাছে নির্দিষ্ট ফরমে ক্ষতিপূরণের দাবিনামা জমা দেবেন।

>> করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ফরমে মৃত্যুবরণকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্ত্রী/স্বামী/সন্তান এবং অবিবাহিতদের ক্ষেত্রে বাবা/মা ক্ষতিপূরণের দাবি-সংবলিত আবেদন নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেবেন।

>> নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ আবেদনপত্রসমূহ যাচাই-বাছাই করে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মাধ্যমে অর্থ বিভাগে প্রস্তাব পাঠাবে।

>> প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কর্মচারীরা কেবল এ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার যোগ্য হবেন।

>> ক্ষতিপূরণ বাবদ ব্যয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ সৃজনকৃত খাতে করোনা (কোভিড-১৯) সংক্রান্ত স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় ক্ষতিপূরণ বরাদ্দকৃত অর্থ হতে নির্বাহ করা হবে। অর্থ বিভাগ ক্ষতিপূরণের আবেদনপ্রাপ্তির পর ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদানের সরকারি আদেশ জারি করবে।

>> এ ক্ষতিপূরণ বর্তমানে প্রচলিত অন্য যেকোনো প্রজ্ঞাপন/আদেশে বর্ণিত কর্মকালীন মৃত্যুবরণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আর্থিক সহায়তা বা অনুদানের অতিরিক্ত হিসেবে প্রদেয় হবে। চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে এ পরিপত্রের নির্দেশনা কার্যকর হবে।

এছাড়া করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগীদের সরাসরি চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন এমন ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের বিশেষ প্রণোদনা হিসেবে অতিরিক্ত দুই মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ এককালীন দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

গত ৯ জুলাই এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করে অর্থ বিভাগ। যুগ্ম সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ স্বাক্ষরিত পরিপত্রে বলা হয়, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সেবা প্রদানে সরাসরি নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সরকার এককালীন বিশেষ সম্মানী প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

বিশেষ সম্মানীর আওতায় শুধু করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগীদের সেবা প্রদানে সরাসরি কর্মরত ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যসেবাকর্মীরা এককালীন দুই মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ পাওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।

এছাড়াও ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য স্বাস্থ্যবীমা চালুর কথাও ভাবছে সরকার।

এমইউএইচ/এফআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৬,৩৭,০০,৭০৩
আক্রান্ত

১৪,৭৬,৫৮৩
মৃত

৪,৪১,১০,৮১৫
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪,৬৭,২২৫ ৬,৬৭৫ ৩,৮৩,২২৪
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১,৩৯,২০,০৩৮ ২,৭৪,৩৩২ ৮২,২৩,৩৯১
ভারত ৯৪,৬৩,২৫৪ ১,৩৭,৬৫৯ ৮৮,৮৯,৫৮৫
ব্রাজিল ৬৩,৩৬,২৭৮ ১,৭৩,১৬৫ ৫৬,০১,৮০৪
রাশিয়া ২৩,২২,০৫৬ ৪০,৪৬৪ ১৮,০৩,৪৬৭
ফ্রান্স ২২,২২,৪৮৮ ৫২,৭৩১ ১,৬২,২৮১
স্পেন ১৬,৬৪,৯৪৫ ৪৫,০৬৯ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ১৬,২৯,৬৫৭ ৫৮,৪৪৮ ৩৪৪
ইতালি ১৬,০১,৫৫৪ ৫৫,৫৭৬ ৭,৫৭,৫০৭
১০ আর্জেন্টিনা ১৪,২৪,৫৩৩ ৩৮,৭৩০ ১২,৫৭,২২৭
১১ কলম্বিয়া ১৩,১৬,৮০৬ ৩৬,৭৬৬ ১২,১০,৪৮৯
১২ মেক্সিকো ১১,১৩,৫৪৩ ১,০৫,৯৪০ ৮,২৩,৫৮৬
১৩ জার্মানি ১০,৭১,০২৪ ১৬,৯০৩ ৭,৫৮,৮০০
১৪ পোল্যান্ড ৯,৯৯,৯২৪ ১৭,৫৯৯ ৫,৯৭,৫৮৯
১৫ ইরান ৯,৭৫,৯৫১ ৪৮,৬২৮ ৬,৭৭,৯৬৩
১৬ পেরু ৯,৬৩,৬০৫ ৩৫,৯৬৬ ৮,৯৪,৭৪১
১৭ দক্ষিণ আফ্রিকা ৭,৯০,০০৪ ২১,৫৩৫ ৭,৩১,২৪২
১৮ ইউক্রেন ৭,৪৫,১২৩ ১২,৫৪৮ ৩,৫৫,১৭২
১৯ তুরস্ক ৬,৩৮,৮৪৭ ১৩,৭৪৬ ৪,০৪,৭২৭
২০ বেলজিয়াম ৫,৭৭,৩৪৫ ১৬,৬৪৫ ৩৭,৪৭৪
২১ ইরাক ৫,৫২,৫৪৯ ১২,২৫৮ ৪,৮২,৬৭৪
২২ চিলি ৫,৫১,৭৪৩ ১৫,৪১০ ৫,২৬,৬০৪
২৩ ইন্দোনেশিয়া ৫,৪৩,৯৭৫ ১৭,০৮১ ৪,৫৪,৮৭৯
২৪ নেদারল্যান্ডস ৫,২৩,৪৭৮ ৯,৩৭৬ ২৫০
২৫ চেক প্রজাতন্ত্র ৫,২৩,২৯৮ ৮,২৯৫ ৪,৫১,৬০৭
২৬ রোমানিয়া ৪,৭৯,৬৩৪ ১১,৫৩০ ৩,৬০,৯৩৪
২৭ ফিলিপাইন ৪,৩২,৯২৫ ৮,৪১৮ ৩,৯৮,৭৮২
২৮ পাকিস্তান ৪,০০,৪৮২ ৮,০৯১ ৩,৪৩,২৮৬
২৯ কানাডা ৩,৭৮,১৩৯ ১২,১৩০ ২,৯৯,৯৭২
৩০ সৌদি আরব ৩,৫৭,৩৬০ ৫,৮৯৬ ৩,৪৬,৮০২
৩১ মরক্কো ৩,৫৬,৩৩৬ ৫,৮৪৬ ৩,০৫,২৯১
৩২ ইসরায়েল ৩,৩৭,৪২২ ২,৮৬৭ ৩,২৩,৯৯৭
৩৩ সুইজারল্যান্ড ৩,৩০,৮৭৪ ৪,৮৭০ ২,৫০,২০০
৩৪ পর্তুগাল ২,৯৮,০৬১ ৪,৫০৫ ২,১২,৯৪২
৩৫ অস্ট্রিয়া ২,৮২,৪৫৬ ৩,১৮৪ ২,২১,৬৯২
৩৬ সুইডেন ২,৪৩,১২৯ ৬,৬৮১ ৪,৯৭১
৩৭ নেপাল ২,৩৩,৪৫২ ১,৫২৯ ২,১৬,৫৯৪
৩৮ হাঙ্গেরি ২,২১,০৭৩ ৪,৯৭৭ ৬৪,৮০২
৩৯ জর্ডান ২,১৯,৪৩০ ২,৭৫১ ১,৫৫,০২৬
৪০ ইকুয়েডর ১,৯২,৬৮৫ ১৩,৪৬১ ১,৬৯,৮০৪
৪১ সার্বিয়া ১,৭৫,৪৩৮ ১,৬০৪ ৩১,৫৩৬
৪২ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,৭০,১৪৯ ৫৭৬ ১,৫৫,৬৬৭
৪৩ পানামা ১,৬৫,৮০৬ ৩,০৭৯ ১,৪৪,৪৬২
৪৪ জাপান ১,৪৬,৭৬০ ২,১১৯ ১,২৩,৪৪৫
৪৫ বুলগেরিয়া ১,৪৫,৩০০ ৪,০৩৫ ৫০,৫৬৫
৪৬ বলিভিয়া ১,৪৪,৭০৮ ৮,৯৫৭ ১,২১,৭০২
৪৭ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,৪৩,৯৮৮ ২,৩৩১ ১,১৫,২১৯
৪৮ কুয়েত ১,৪২,৯৯২ ৮৮১ ১,৩৭,৬২৫
৪৯ কোস্টারিকা ১,৩৯,৬৩৮ ১,৭২৬ ৮৭,৫২৬
৫০ জর্জিয়া ১,৩৯,৩৪৩ ১,৩০৩ ১,১৭,৫৬০
৫১ কাতার ১,৩৯,০০১ ২৩৮ ১,৩৬,৩০৬
৫২ বেলারুশ ১,৩৮,২১৯ ১,১৬৬ ১,১৫,৫৮৭
৫৩ আর্মেনিয়া ১,৩৫,৯৬৭ ২,১৯৩ ১,১০,৩৬৫
৫৪ কাজাখস্তান ১,৩২,৩৪৮ ১,৯৯০ ১,১৬,৮৬৩
৫৫ ক্রোয়েশিয়া ১,৩১,৩৪২ ১,৮৬১ ১,০৮,২৩১
৫৬ লেবানন ১,২৭,৯৪৪ ১,০১৮ ৮৩,০৩৪
৫৭ আজারবাইজান ১,২৫,৬০২ ১,৪৩৩ ৭৬,৮৯৭
৫৮ ওমান ১,২৩,৯০৮ ১,৪৩০ ১,১৫,৪৪১
৫৯ গুয়াতেমালা ১,২২,০৬২ ৪,১৭১ ১,১০,৯৪৪
৬০ মিসর ১,১৫,৯১১ ৬,৬৫০ ১,০২,৭১৮
৬১ ইথিওপিয়া ১,১০,০৭৪ ১,৭০৬ ৭৩,৮০৮
৬২ হন্ডুরাস ১,০৮,২৫৩ ২,৯১৮ ৪৮,০৭৩
৬৩ মলদোভা ১,০৭,৩৬৪ ২,৩০৪ ৯৫,৩৫৪
৬৪ স্লোভাকিয়া ১,০৭,১৮৩ ৮৬৮ ৬৮,৮৫৯
৬৫ গ্রীস ১,০৫,২৭১ ২,৪০৬ ৯,৯৮৯
৬৬ ভেনেজুয়েলা ১,০২,৩৯৪ ৮৯৭ ৯৭,৩২৬
৬৭ তিউনিশিয়া ৯৬,৭৬৯ ৩,২৬০ ৭০,৮৫১
৬৮ মায়ানমার ৯০,৭১৩ ১,৯৪১ ৭০,১৫৬
৬৯ ফিলিস্তিন ৮৮,০০৪ ৭৪৭ ৬৫,৯৩৮
৭০ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৮৭,৯০১ ২,৬৮১ ৫২,৭৬৯
৭১ বাহরাইন ৮৬,৯৫৬ ৩৪১ ৮৫,১৪১
৭২ চীন ৮৬,৫৪২ ৪,৬৩৪ ৮১,৬৩১
৭৩ কেনিয়া ৮৩,৬১৮ ১,৪৬৯ ৫৫,৩৪৪
৭৪ লিবিয়া ৮৩,৪১৭ ১,১৯৬ ৫৪,২০৯
৭৫ আলজেরিয়া ৮৩,১৯৯ ২,৪৩১ ৫৩,৮০৯
৭৬ প্যারাগুয়ে ৮২,৪২৪ ১,৭৫৬ ৫৮,৪৫৩
৭৭ ডেনমার্ক ৮০,৪৮১ ৮৩৭ ৬৩,৫১৫
৭৮ স্লোভেনিয়া ৭৭,১০৬ ১,৪৯০ ৫৫,৪৭৬
৭৯ কিরগিজস্তান ৭৩,১৭৮ ১,৪৯৮ ৬৪,৭১১
৮০ উজবেকিস্তান ৭৩,১৪৫ ৬১০ ৭০,৩৩৭
৮১ আয়ারল্যান্ড ৭২,৫৪৪ ২,০৫৩ ২৩,৩৬৪
৮২ নাইজেরিয়া ৬৭,৫৫৭ ১,১৭৩ ৬৩,২৮২
৮৩ মালয়েশিয়া ৬৭,১৬৯ ৩৬৩ ৫৬,৩১১
৮৪ লিথুনিয়া ৬২,৫১৫ ৫১৯ ১৫,০৭৭
৮৫ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৬১,৮৭৮ ১,৭৬৩ ৩৮,৯৪৬
৮৬ সিঙ্গাপুর ৫৮,২২৮ ২৯ ৫৮,১৩৪
৮৭ ঘানা ৫১,৬৬৭ ৩২৩ ৫০,৫৪৭
৮৮ আফগানিস্তান ৪৬,৭১৭ ১,৭৯৭ ৩৬,৯০৭
৮৯ এল সালভাদর ৩৯,১৩০ ১,১২০ ৩৫,৮৩৯
৯০ আলবেনিয়া ৩৮,১৮২ ৮১০ ১৮,৮৪৯
৯১ নরওয়ে ৩৬,১৫০ ৩৩২ ২০,৯৫৬
৯২ মন্টিনিগ্রো ৩৫,২৬৫ ৪৯৯ ২৪,১৩১
৯৩ লুক্সেমবার্গ ৩৪,৬৭৮ ৩২১ ২৬,০৮৬
৯৪ দক্ষিণ কোরিয়া ৩৪,৬৫২ ৫২৬ ২৭,৮৮৫
৯৫ অস্ট্রেলিয়া ২৭,৯১২ ৯০৮ ২৫,৬০২
৯৬ ফিনল্যাণ্ড ২৫,৪৬২ ৩৯৯ ১৬,৮০০
৯৭ ক্যামেরুন ২৪,৪৪৫ ৪৩৭ ২২,১৭৭
৯৮ শ্রীলংকা ২৩,৯৮৭ ১১৮ ১৭,৮১৫
৯৯ আইভরি কোস্ট ২১,৩৩১ ১৩২ ২০,৯৬৪
১০০ উগান্ডা ২০,৪৫৯ ২০৫ ৮,৯৮৯
১০১ সুদান ১৭,৮১০ ১,২৪৯ ১০,৩০২
১০২ লাটভিয়া ১৭,৬৮৭ ২১০ ১,৮০৬
১০৩ জাম্বিয়া ১৭,৬৪৭ ৩৫৭ ১৬,৯৯৮
১০৪ মাদাগাস্কার ১৭,৩৪১ ২৫১ ১৬,৬৫৭
১০৫ সেনেগাল ১৬,১০৭ ৩৩৩ ১৫,৬২৭
১০৬ মোজাম্বিক ১৫,৭০১ ১৩১ ১৩,৭২৯
১০৭ অ্যাঙ্গোলা ১৫,১৩৯ ৩৪৮ ৭,৮৫১
১০৮ নামিবিয়া ১৪,৩৮০ ১৫১ ১৩,৫৩৫
১০৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৪,৩৭২ ৭৫ ৪,৮৪২
১১০ গিনি ১৩,১১৯ ৭৬ ১২,০৪৫
১১১ মালদ্বীপ ১৩,০১১ ৪৬ ১১,৯৩৯
১১২ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১২,৭৭২ ৩৩৩ ১১,৫৮৫
১১৩ এস্তোনিয়া ১২,৪৯৭ ১২১ ৭,৫৩৬
১১৪ তাজিকিস্তান ১২,১৯৪ ৮৬ ১১,৫৯৯
১১৫ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১১,২০৪ ৭০ ৯,৯৯৫
১১৬ জ্যামাইকা ১০,৭৬৩ ২৫৭ ৬,২১৯
১১৭ কেপ ভার্দে ১০,৭৬১ ১০৫ ১০,৩২৯
১১৮ বতসোয়ানা ১০,৭৪২ ৩৪ ৭,৯১২
১১৯ সাইপ্রাস ১০,৫৬৫ ৪৯ ২,০৫৭
১২০ জিম্বাবুয়ে ১০,০৩৪ ২৭৭ ৮,৪৮৯
১২১ মালটা ৯,৯৭৫ ১৪১ ৭,৭৪৮
১২২ হাইতি ৯,২৯৪ ২৩৩ ৮,০২৩
১২৩ গ্যাবন ৯,২১৪ ৬০ ৯,০৬৬
১২৪ মৌরিতানিয়া ৮,৬০১ ১৭৭ ৭,৭৩২
১২৫ গুয়াদেলৌপ ৮,৩৪৪ ১৪৯ ২,২৪২
১২৬ কিউবা ৮,২৮৪ ১৩৫ ৭,৬৩১
১২৭ রিইউনিয়ন ৮,০৫৪ ৪০ ৭,১৭২
১২৮ সিরিয়া ৭,৮৮৭ ৪১৭ ৩,৫৬০
১২৯ বাহামা ৭,৫৪১ ১৬৩ ৫,৮৮৯
১৩০ এনডোরা ৬,৭৪৫ ৭৬ ৫,৮৭৩
১৩১ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৬,৬৬৯ ১২০ ৫,৭৭১
১৩২ ইসওয়াতিনি ৬,৪১৯ ১২২ ৬,০০৬
১৩৩ হংকং ৬,৩৯৭ ১০৯ ৫,৩৬০
১৩৪ মালাউই ৬,০২৮ ১৮৫ ৫,৪৫৫
১৩৫ রুয়ান্ডা ৫,৯৩৪ ৪৯ ৫,৫১৬
১৩৬ উরুগুয়ে ৫,৮৫৭ ৭৭ ৪,৩৫৭
১৩৭ বেলিজ ৫,৮৫৪ ১৪৮ ৩,১৫১
১৩৮ নিকারাগুয়া ৫,৭৮৪ ১৬০ ৪,২২৫
১৩৯ কঙ্গো ৫,৭৭৪ ১১৪ ৪,৯৮৮
১৪০ জিবুতি ৫,৬৭৯ ৬১ ৫,৫৮৪
১৪১ মার্টিনিক ৫,৪১৩ ৪০ ৯৮
১৪২ গায়ানা ৫,৪০৬ ১৫১ ৪,৩৯২
১৪৩ আইসল্যান্ড ৫,৩৯২ ২৬ ৫,১৭৯
১৪৪ সুরিনাম ৫,৩১২ ১১৭ ৫,১৯৪
১৪৫ মায়োত্তে ৫,১৮১ ৪৯ ২,৯৬৪
১৪৬ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,১৫৩ ৮৫ ৫,০০৯
১৪৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৯১৩ ৬৩ ১,৯২৪
১৪৮ আরুবা ৪,৮৪৫ ৪৫ ৪,৬৯২
১৪৯ মালি ৪,৭১০ ১৫৬ ৩,২০৬
১৫০ সোমালিয়া ৪,৪৫১ ১১৩ ৩,৪১৭
১৫১ থাইল্যান্ড ৪,০০৮ ৬০ ৩,৮১১
১৫২ গাম্বিয়া ৩,৭৪২ ১২৩ ৩,৬০১
১৫৩ দক্ষিণ সুদান ৩,১০৯ ৬১ ২,৯৫৪
১৫৪ বেনিন ৩,০১৫ ৪৩ ২,৮৩৯
১৫৫ টোগো ২,৯৭৪ ৬৪ ২,৪৭৮
১৫৬ বুর্কিনা ফাঁসো ২,৮৮৬ ৬৮ ২,৫৯৩
১৫৭ গিনি বিসাউ ২,৪৪১ ৪৪ ২,৩২৭
১৫৮ সিয়েরা লিওন ২,৪১২ ৭৪ ১,৮৩৬
১৫৯ কিউরাসাও ২,৩৭৯ ১,১৫১
১৬০ ইয়েমেন ২,১৯১ ৬১৯ ১,৫১০
১৬১ লেসোথো ২,১৩৭ ৪৪ ১,২৭৮
১৬২ নিউজিল্যান্ড ২,০৫৯ ২৫ ১,৯৬২
১৬৩ চাদ ১,৬৮৮ ১০১ ১,৫২৫
১৬৪ সান ম্যারিনো ১,৬১২ ৪৬ ১,২৯৯
১৬৫ লাইবেরিয়া ১,৫৯৫ ৮৩ ১,৩৪৩
১৬৬ নাইজার ১,৫৪৮ ৭২ ১,২১০
১৬৭ ভিয়েতনাম ১,৩৪৭ ৩৫ ১,১৭৯
১৬৮ চ্যানেল আইল্যান্ড ১,২৯৯ ৪৮ ১,০১২
১৬৯ লিচেনস্টেইন ১,২৭০ ১৬ ১,০৮৮
১৭০ সিন্ট মার্টেন ১,০৬৯ ২৫ ৯৬৪
১৭১ জিব্রাল্টার ১,০২০ ৯৩৯
১৭২ মঙ্গোলিয়া ৮০১ ৩৫৮
১৭৩ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৭৪৮ ৭১৭
১৭৪ সেন্ট মার্টিন ৭১৭ ১২ ৬৪১
১৭৫ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫৯
১৭৬ বুরুন্ডি ৬৮৮ ৫৭৫
১৭৭ তাইওয়ান ৬৭৯ ৫৬৮
১৭৮ পাপুয়া নিউ গিনি ৬৫৬ ৫৯৭
১৭৯ কমোরস ৬১১ ৫৮৬
১৮০ মোনাকো ৬০৯ ৫৫৬
১৮১ ইরিত্রিয়া ৫৭৭ ৪৯৮
১৮২ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৮৩ মরিশাস ৫০৪ ১০ ৪৫৬
১৮৪ ফারে আইল্যান্ড ৫০৩ ৪৯৮
১৮৫ ভুটান ৪১০ ৩৮১
১৮৬ আইল অফ ম্যান ৩৬৯ ২৫ ৩৩৮
১৮৭ কম্বোডিয়া ৩২৬ ৩০৪
১৮৮ বার্বাডোস ২৭৬ ২৫০
১৮৯ কেম্যান আইল্যান্ড ২৭৪ ২৫২
১৯০ বারমুডা ২৬০ ২১৪
১৯১ সেন্ট লুসিয়া ২৫৯ ১৩১
১৯২ সিসিলি ১৮৩ ১৬২
১৯৩ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৬২ ১৫৭
১৯৪ ব্রুনাই ১৫১ ১৪৫
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ১৪৭ ১০৫
১৯৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১৪১ ১৩০
১৯৭ ডোমিনিকা ৮৫ ৬৩
১৯৮ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৮৫ ৭৯
১৯৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৭১ ৭০
২০০ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
২০১ ফিজি ৪২ ৩৩
২০২ গ্রেনাডা ৪১ ৩০
২০৩ লাওস ৩৯ ২৬
২০৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৩৩ ৩২
২০৫ পূর্ব তিমুর ৩০ ৩১
২০৬ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২০৭ সেন্ট কিটস ও নেভিস ২২ ১৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১৮ ১৮
২০৯ সলোমান আইল্যান্ড ১৭
২১০ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৬ ১৩
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬ ১২
২১২ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১৩ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৪ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৫ এ্যাঙ্গুইলা
২১৬ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৭ ওয়ালিস ও ফুটুনা
২১৮ সামোয়া
২১৯ ভানুয়াতু
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]