জনবল অর্ধেক হলেও গ্রাহক সেবায় ভোগান্তি নেই ব্যাংকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:২৭ পিএম, ২৫ জানুয়ারি ২০২২

অডিও শুনুন

দেশে আবারও বেড়েছে করোনা সংক্রমণ। এ অবস্থায় অর্ধেক জনবল নিয়ে ব্যাংক খোলার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। আর সেই নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনেই সেবা দিয়ে যাচ্ছে ব্যাংকগুলো।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিটি ব্যাংকে স্বাস্থ্যবিধিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। গ্রাহক ব্যাংকে প্রবেশের পর তাকে দেওয়া হচ্ছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার। মাস্ক না পরলে মাস্ক পরে ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। ব্যাংকে অর্ধেক জনবল থাকলেও গ্রাহকদের তেমন ভিড় দেখা যায়নি। সপ্তাহের অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক লেনদেন হতে দেখা গেছে।

ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়মেই গ্রাহক সেবা দেওয়া হচ্ছে। জনবল অর্ধেক হলেও গ্রাহক সেবা বা লেনদেনে কোনো সমস্যা তৈরি হবে না বলে জানান তারা।

এর আগে সোমবার (২৪ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক নির্দেশনায় বলা হয়, করোনার বিস্তার রোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে রোস্টারিং এর মাধ্যমে অর্ধেক সংখ্যক জনবল নিয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

শফিকুল ইসলাম নামে সোনালী ব্যাংকের এক গ্রাহক জানান, প্রায়ই ব্যাংকে আসতে হয়। তবে আমার কাছে অন্যান্য দিনের মতোই লেনদেন হচ্ছে বলে মনে হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে আজ বেশি কাউন্সিলিং করছেন কর্মকর্তারা। এটা সবার জন্যই ভালো। আমি ভালো থাকলে অন্যরা ভালো থাকবে।

স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল শাখার ম্যানেজার মো. রেজাউল করিম বলেন, আমরা প্রথম থেকেই মাস্ক পরাকে গুরুত্ব দিয়ে আসছি। হ্যান্ড স্যানিটাইজার রয়েছে, মাস্ক ছাড়া কেউ যাতে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য প্রধান ফটকে ব্যাংক চলাকালীন দায়িত্ব পালন করছেন নির্দিষ্ট কর্মচারী।

অর্ধেক জনবলে দায়িত্ব পালনে কোনো অসুবিধা হচ্ছে কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, গ্রাহকের চাপ আমাদের এ শাখাতে সব সময়ই থাকে। তবে জনবল কম হলেও গ্রাহক যাতে কোনো ভোগান্তিতে না পড়েন সে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। এখন পর্যন্ত গ্রাহকের সেবা পেতে কোনো সমস্যা হয়নি। আগামীতেও হবে না বলে আশা রাখি।

ইএআর/জেডএইচ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]