বইমেলা এখন অনেক আধুনিক
লেখক ও কবি শামীমা শাহিন, তরুণ প্রজন্মের কাছে বেশ প্রিয় একটি নাম। সমকালীন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম লেখিকা তিনি। লেখালেখি করে চলেছেন দীর্ঘদিন যাবৎ। ৬ ফেব্রুয়ারি তার জন্মদিন। প্রতি বছর এই দিনে তার বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। লেখালেখিতে পেয়েছেন বেশ কিছু পুরষ্কার। জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য আজ থাকছে এই লেখকের সাক্ষাৎকার।
জাগো নিউজ : আপনি বই মেলায় প্রথম কবে এসেছিলেন
শামীমা শাহিন : প্রথম কবে এসেছিলাম এটা সঠিক মনে করতে পারছি না।
জাগো নিউজ : তখন মেলা কেমন লেগেছিল?
শামীমা শাহিন : তখন মেলা আমার কাছে উৎসবের মতো মনে হতো। তখন বয়স কম ছিল তাই মেলার প্রতি একটু বেশি টান অনুভব করতাম। নতুন নতুন বই কিনতাম, রাতে সেই বই বুকের মধ্যে নিয়ে ঘুমিয়ে থাকতাম। আসলে তখনকার অনুভূতিই ছিল আলাদা রকমের।
জাগো নিউজ : অতীতের বইমেলা এবং বর্তমান বইমেলার মধ্যে আপনার দৃষ্টিতে কোন পার্থক্য আছে কী?
শামীমা শাহিন : তখন বইমেলা এতোটা বিস্তৃত ছিল না। তখন বইমেলার প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ছিল সীমিত। অল্প সংখ্যাক স্টল থাকতো। ঘুরতে ফিরতে সুবিধা হতো। জমিয়ে আড্ডা দিতে পারতাম। অবশ্য এই দুই বছর আবার বইমেলার পরিসর বেড়েছে। তাই আগের মেলাগুলোর কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। এখন অনেক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান হয়েছে, অনেক ভালো মানের বই সবাই প্রকাশ করছে। আগের সাথে তো এখন অনেক পার্থক্য। এখনকার মেলা অনেক আধুনিক। আর এবার তো হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের মেলা।
জাগো নিউজ : এবারের মেলায় আপনার কয়টি বই প্রকাশিত হচ্ছে?
শামীমা শাহিন : এবারের ব্যস্ততার কারণে আমার মাত্র একটি বই প্রকাশিত হবে। ৬ ফেব্রুয়ারি আমার জন্মদিন। প্রতি বছর এই দিনেই আমি আমার বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করি। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না।
জাগো নিউজ : তার মানে ৬ ফেব্রুয়ারি আপনার বই আসবে?
শামীমা শাহিন : হ্যাঁ। বইয়ের নাম ’’ভালা থাকো তুমি”। এটি প্রকাশিত চন্দ্রদীপ প্রকাশন থেকে। তাহলে তো আজ আপনার জন্মদিন, জাগো নিউজের পক্ষ থেকে আপনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
জাগো নিউজ : মেলায় কি নিয়মিত আসেন?
শামীমা শাহিন : আমি প্রতিদিন মেলায় আসি। বইয়ের প্রতি ভালোবাসা আমাকে মেলায় টেনে নিয়ে আসে।
জাগো নিউজ : এবারের মেলা কেমন লাগছে?
শামীমা শাহিন : এবারের মেলার আয়োজন অনেক সুন্দর, বিস্তৃত এবং পরিপাটি হয়েছে। তাই সত্যি আমার কাছে অনেক ভালো লাগছে। আমার বিশ্বাস এবারের মেলা সফল হবে।
আরকে/এআরএস/এমএস