অনির্বাণের পাশে দাঁড়িয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন দেব

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:৪০ পিএম, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
দেব ও অনির্বাণ

রাজনৈতিক স্যাটায়ারধর্মী গান গেয়ে সম্প্রতি আলোচনার কেন্দ্রে টলিউড অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্য। তার ব্যান্ড ‘হুলিগানিজম’-এর কিছু গান ঘিরে শুরু হওয়া বিতর্কে চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির একাংশের বিরাগভাজন হয়েছেন তিনি। গুঞ্জন উঠেছে, এর জেরে একের পর এক পরিচালক ও প্রযোজক অনির্বাণের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। ফলে কাজও কমে এসেছে তার।

এমন পরিস্থিতিতে প্রকাশ্যে অনির্বাণের পাশে দাঁড়ালেন টলিউড সুপারস্টার দেব। শুধু সমর্থন নয়, অনির্বাণের হয়ে ক্ষমাও চাইলেন তিনি।

সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দেব বলেন, ‘যদি অনির্বাণকে ক্ষমা চাইতেই হয় তাহলে আমি ওর হয়ে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আমি সবাইকে অনুরোধ করব, অনির্বাণকে কাজ করতে দিন। ওর মতো একজন অভিনেতাকে বাংলার দরকার। বাংলার সিনেমায় ওর আরও অনেক অবদান বাকি আছে।’

আরও পড়ুন
মুসলিম ও ইহুদি মিলে হিন্দুদের রামায়ণে আছি, এটাই তো সুন্দর : এ আর রহমান
বীরের রহস্যময় বার্তা, তারার আচরণে বিচ্ছেদের আভাস

দেবের এই মন্তব্য ঘিরে টলিপাড়ায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে জোর গুঞ্জন, দেব ও শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের আসন্ন একটি সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যেতে পারে অনির্বাণকে।

শোনা যাচ্ছে, ছবিটিতে খলনায়কের চরিত্রে তার অভিনয়ের সম্ভাবনাও রয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও দেব বা অনির্বাণ কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি।

অনির্বাণ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে দেব আরও বলেন, ইন্ডাস্ট্রির স্বার্থে দ্রুত সমাধান প্রয়োজন। এ জন্য তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। দেবের ভাষায়, ‘আমি অনুরোধ করব দিদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আপনারা এতদিন ধরে বাংলাকে আগলে রেখেছেন। এই বিষয়টাও একটু দেখুন।’

একই সঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও স্বরূপ বিশ্বাসের কাছেও অনুরোধ জানিয়েছেন দেব যাতে টলিউডের স্বার্থে দ্রুত এই জটিলতার সমাধান হয়।

দেবের এই প্রকাশ্য সমর্থনের পর অনির্বাণকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এখন সেদিকেই তাকিয়ে টলিপাড়া।

 

এলআইএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।