পপগুরু আজম খানকে নিয়ে মাকসুদের বই

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৫৮ পিএম, ২৯ জানুয়ারি ২০২০

তার হাত ধরেই এদেশে রক মিউজিকের যাত্রা ও জনপ্রিয়তা। তাই সবার কাছে তিনি সমাদৃত পপগুরু আজম খান হিসেবে। ভক্তরা গুরু বলে ডাকতে ভালোবাসেন। তারুণ্যেই গানের দিকে ঝুঁকেন তিনি। বিশেষ করে পাশ্চাত্যের গানকে তিনি রপ্ত করেছিলেন নিজস্বতায়, বাঙালিয়ানায়। তার সেই ঢং ও গায়কী লুফে নিয়েছিলো দেশের তরুণ সমাজ।

যৌবনে অস্ত্র হাতে দেশের জন্য যুদ্ধও করেছেন। অংশ নিয়েছেন বেশ কিছু ভয়ংকর গেরিলা অপারেশনে। সর্বজন শ্রদ্ধেয় ছিলেন। তবু অহংকার ছিলো না। তারকাগিরির জৌলুসও ছিলো। বলা চলে সাদামাটা জীবনের এক রঙিন সুপারস্টার আজম খান।

যার জীবনের পরতে পরতে আছে গল্প। সেই গল্পই এবার পাঠকদের সামনে তুলে ধরতে চলেছেন ‘মেলায় যাই রে’ গানের কিংবদন্তি গায়ক মাকসুদুল হক।

মাকসুদ ইংরেজিতে লিখেছিলেন ‘হিস্ট্রি অব বাংলাদেশ রক : দ্য লিগেসি অব আজম খান (History of Bangladesh Rock: The Leagacy of Azam Khan)’ নামের বই। সেটি বাংলায় অনুবাদ হয়ে ‘বাংলাদেশের রকগাথা : আজম খানের উত্তরাধিকার’ নামে প্রকাশ হতে যাচ্ছে আসছে একুশে বইমেলায়। বইটি অনুবাদ করেছেন কবি ও অনুবাদক তানভীর হোসেন।

গুরু আজম খানের পথচলা কখনোই মসৃণ ছিল না। নানা ধরনের উত্থান-পতন, আলোচনা-সমালোচনার ভেতর দিয়েই তিনি হয়ে রক সংগীতের কিংবদন্তি হয়ে উঠেছেন। সেই পথচলার খানিকটা জানা যাবে এই বইটিতে।

মাকসুদ জানান, প্রকাশ হতে যাওয়া বইটির প্রচ্ছদ করেছেন ইমতিয়াজ আলম বেগের ফটোগ্রাফ নিয়ে রাজীব দত্ত। মূল লেখা ও অনুবাদ দুটিকেই একসঙ্গে করে বই প্রকাশ করতে যাচ্ছে বুকিশ। আরও সঙ্গে থাকছে আজম খানের একটি পোস্টার ও একটি বুক মার্কার।

আসছে অমর একুশে বইমেলায় প্রথম সপ্তাহ থেকে চন্দ্রবিন্দু প্রকাশন (বুকিশ পাবলিকেশন্সের পরিবেশক)–এর স্টলে পাওয়া যাবে বইটি। এ ছাড়া অনলাইনে বুকিশের পেইজেও অর্ডার করতে পারবেন।

এলএ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]