অ্যাজমা থেকে মুক্তি আগামী ৫ বছরেই
অ্যাজমায় শ্বাসকষ্ট যার হয়েছে সেই বোঝে এটি কি পরিমাণ সাংঘাতিক এক অসুখ। ফুসফুস ভরে বাতাস নিতে না পারার কষ্টের সাথে আর কিছুর তুলনা চলে না।
ইনহেলার আর কোনরকমে সামলানোর কিছু ওষুধই এতদিন ছিল এই মারাত্মক রোগটির সহায়। কিন্তু এবার গবেষকরা বলছেন, অ্যাজমা সেরে যাবে। আর তা হবে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই।
ব্রিটেনের কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয় এবং কিংস কলেজ অব লন্ডন খুঁজে পেয়েছে সেই কোষগুলোকে, যেগুলো অ্যাজমা-অ্যাটাকের সময় বাতাস নেয়ার নালীকে সঙ্কুচিত করে ফেলে বাতাসের চলাচলে বাধা দেয়। এখন বাকি এই কোষগুলোকে সঙ্কুচিত না হওয়ার ব্যবস্থা করা।
সেখানেও কিছু ক্লু এরইমধ্যে মিলে গেছে। অস্টিওপোরসিস রোগে এক ধরণের ওষুধ ব্যবহার করা হয়, যার নাম ক্যালসিলাইটিস। এই ক্যালসিলাইটিস পারে ঐ বিশেষ কোষগুলোকে নিষ্ক্রিয় করে ফেলতে। আর তা-ই যদি হয়, তবে অ্যাজমা-অ্যাটকের সময় এই ওষুধের ব্যবহারে বায়ুনালী সঙ্কোচন ঘটবে না। ফলে বুক ভরে বাতাস নিতেও থাকবে না বাধা।
কিন্তু এই ওষুধ অ্যাজমার ক্ষেত্রে, যেখানে সরাসরি ফুসফুসে তা প্রবেশ করবে, প্রয়োগযোগ্য কি না- তা-ই এখন পরীক্ষার বিষয়। সেটা নিয়েই কাজ করছেন গবেষকরা।
তবে গবেষকদের দাবি, কারণটা যখন জানা গেছে, শনাক্ত করা গেছে দায়ী কোষগুলোকে, সমাধান এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। আর সে সময়টাও খুব বেশি হলে পাঁচ বছর।
সুতরাং অ্যাজমা রোগীরা আর পাঁচটা বছর কোনরকমে দাঁত কামড়ে পড়ে থাকুন। এর মধ্যেই মিলবে মুক্তির উপায়!
এসআরজে