করোনা সংকটে চট্টগ্রামের পাশে এ জনপদের সন্তানেরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: ০৯:৫৬ পিএম, ২৩ জুন ২০২০

দেশে গত মার্চে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ শুরুর পর মে মাসে চট্টগ্রামের পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হতে শুরু করে। জ্বর, শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ঘুরে মৃত্যুর খবর আসতে শুরু করে প্রতিদিনই। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি স্লোগান ওঠে— ‘শ্বাস নিতে চায় চট্টগ্রাম’। সেই স্লোগান ছুঁয়ে যায় সাত সাগর আর তেরো নদীর ওপারে থাকা এ মাটির সন্তানদেরও। তাই তো দেশের মানুষকে রক্ষায় অস্ট্রেলিয়া-যুক্তরাষ্ট্র থেকেও সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন তারা। চট্টগ্রামের জন্য ‘অক্সিজেন’ জোগান দিতে বিশাল পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছেন এ জনপদের সন্তানরা।

সম্প্রতি ‘চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ অ্যালামনাই অব নর্থ আমেরিকা’র সাবেক সভাপতি ডা. বি এম আতিকুজ্জামানের ডাকে সাড়া দিয়ে এক অনলাইন বৈঠকে নিজেদের চলমান কার্যক্রম ও পরিকল্পনার এসব বিষয়ে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও অ্যালামনাইয়ের সদস্যরা। চলমান করোনাভাইরাস মহামারিতে চট্টগ্রামের মানুষের প্রয়োজনীয়তা জানতে ও তাদের পাশে দাঁড়াতে পরামর্শমূলক এ ভার্চুয়াল বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

বি এম আতিকুজ্জামানের সঞ্চালনায় বৈঠকে অংশ নেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. শামীম হাসান, আমেরিকায় বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. জিয়া করিম ও অনলাইন নিউজপোর্টাল জাগো নিউজের নিজস্ব প্রতিবেদক আবু আজাদ।

বৈঠকে ডা. বি এম আতিকুজ্জামান বলেন, এই মুহূর্তে দেশে করোনার একটি হটস্পট চট্টগ্রাম। সেখানে এ পর্যায়ে সংক্রমণ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিনের খবরই আমরা চট্টগ্রামের দুরবস্থার বিষয়ে শুনছি। এ অবস্থায় ‘চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ অ্যালামনাই অব নর্থ আমেরিকা’ অতি সম্প্রতি চট্টগ্রামের জন্য অক্সিজেন কনসেনট্রেটর, এইচএফএনসি, ন্যাজাল ক্যানোলা, পালস অক্সিমিটার পাঠানোর পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রথম চালান পৌঁছে যাবে শিগগিরই। আমাদের লক্ষ্য কম করে হলেও একশ কনসেনট্রেটর। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অস্ট্রেলিয়া অ্যালামনাই এগিয়ে এসেছে। এছাড়া আমেরিকা থেকে ডা. শাহিন, ডা. জিয়া করিম, ডা. পারভেজ, ডা. মিশকাত এ লক্ষ্যে অর্থ সংগ্রহ করেছেন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ অ্যালামনাই অব নর্থ আমেরিকাও তার কাজ শুরু করেছে।

এ সময় চট্টগ্রামের বর্তমান করোনা পরিস্থিতি তুলে ধরেন অনলাইন নিউজপোর্টাল জাগো নিউজের নিজস্ব প্রতিবেদক আবু আজাদ। তিনি জানান, গত ২৬ মার্চ চট্টগ্রামে করোনা পরীক্ষা শুরুর পর ৩ এপ্রিল প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর পরের ৪০ দিনে চট্টগ্রামে করোনা রোগীর সংখ্যা ছিল ১০৫ জন। কিন্তু পরের ৪৬ দিনে সে সংখ্যা বেড়েছে ছয় হাজারের বেশি। এছাড়া করোনা পরীক্ষা ছাড়াই অনেক রোগী মারা যাচ্ছে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে। নগরে মরদেহ দাফন ও দাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর হিসাবে করোনা পরিস্থিতি শুরুর পর তারা প্রায় ৬০০ মানুষের মরদেহ দাফন বা দাহ করেছেন। অথচ সিভিল সার্জন অফিসের হিসাবে সেদিন পর্যন্ত করোনায় মৃতের সংখ্যা মাত্র ১৩০!

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. শামীম হাসান বলেন, আমি সম্মানিত বোধ করছি আমাকে এখানে ডাকার জন্য। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে রয়েছেন অ্যালামনাই ও আমাদের সোনার সন্তানরা। তাদের মন আমাদের জন্য কাঁদে। তারা আমাদের জন্য চিন্তা করেন। বিভিন্নজনের সাথে কথা বলে আমরা এটা উপলব্ধি করতে পেরেছি। তাদের এই ভালোবাসা বুকে ধারণ করে আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব আমি সুচারুভাবে সম্পন্ন করার চেষ্টা করছি।

করোনায় চমেক হাসপাতালের পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একজন সুদক্ষ পরিচালক রয়েছেন। তার অধীনে চিকিৎসকরা সেবা দিয়ে থাকেন। করোনা সংক্রমণ শুরুর আগে আমাদের ৪৪টি ডিসিপ্লিনে রোগীদের সেবা দিয়ে আসছিলাম। যখন করোনা সংক্রমণ ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করলো তখন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা ইউনিট তৈরি না করে আর থাকতে পারিনি। আপনারা জানেন যে, কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে শুরু করে, ফেনী, কুমিল্লা ও পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলার রোগী, অর্থাৎ প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার কোটি মানুষ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেবা নিয়ে থাকেন। তাদের সুরক্ষার জন্য চমেকে আমরা প্রথমে করোনা রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেয়া নিয়ে সতর্ক ছিলাম। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ১০০ শয্যার করোনা ইউনিট করা হয়। পরে আরও একটি ওয়ার্ড নিয়ে ১৫০ শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখানে প্রায় ২০০ রোগী থাকে ফ্লোরিংসহ। আরও একটি ওয়ার্ড করোনা রোগীদের দেয়ার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে।

অধ্যক্ষ শামীম হাসান বলেন, আমরা পর্যালোচনা করে দেখতে পাই, এর ব্যবস্থাপনার জন্য যা যা লাগে, প্রথমে রোগ শনাক্তকরণ, পরে তার সাপোর্ট। সাপোর্টে আমরা সিমটমেটিক ট্রিটমেন্টগুলো দিয়ে থাকি। সাথে তার কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করি। আমাদের পোর্টেবল এক্সরে আছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি আলাদা অক্সিজেন প্ল্যান্ট রয়েছে। সে প্ল্যান্টের মাধ্যমে আমরা হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন স্থাপন করেছি।

নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণ শুরুর পর আমরা যখন প্র্যাকটিক্যালি মাঠে নামলাম তখন দেখলাম এ সমস্ত রোগীর অক্সিজেন সার্কুলেশন কমে যায়। অক্সিজেন গ্রহণ করার এক ধরনের প্রক্রিয়া, সেখানে ফুসফুসে এক ধরনের সমস্যা হয়। সে কারণে একটি বিশেষ ব্যবস্থায় তাকে অনেক বেশি পরিমাণ অক্সিজেন (প্রতি মিনিটে ৩০ থেকে ৬০ লিটার) দিতে হয়।’

হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা বাঁচাতে পারে হাজার জীবন
শামীম হাসান বলেন, ঈদের দিন রুমী নামে একজন ডাক্তার মারা যান। তিনি মা ও শিশু হাসপাতালে কাজ করতেন। সেখানে তার একটি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা ছিল। ওই ক্যানোলাসহ তাকে চমেক হাসপাতালে আনা হয়েছিল। ডা. রুমী মারা যাওয়ার পর অর্থোপেডিক্সের একজন ডা. সহযোগী অধ্যাপক ছমিরুল তখন অসুস্থ, একদম খুব খারাপ অবস্থায় পড়েছিল। পরে রুমীর সেই হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা দিয়ে তাকে বাঁচিয়ে তোলা হয়। সে সময় যদি রুমীর হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা না পেতাম তাহলে ডা. ছমিরুলকেও বাঁচানো সম্ভব ছিল না।

তিনি বলেন, তখন আমাদের টনক নড়লো, হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা জিনিসটা কী, তখন থেকে এটা নিয়ে আমরা মাথা ঘামালাম। দেখলাম যে আমাদের দেশে তিন থেকে সাত লাখ টাকার মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরির হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা পাওয়া যাচ্ছে। এ অবস্থায় আমরা ডাক্তাররাই চিন্তা করলাম প্রতিজনে ২০-৩০ হাজার টাকা দিয়ে ৭০ লাখ টাকার মত হয়, এটা নিয়ে আমরা কেনার পরিকল্পনা করলাম। কিন্তু সচিব মহোদয় বললেন, তোমরা সরকারের ওপর ডিপেন্ড না করে নিজেরা কিনছো, এটা খারাপ দেখাবে। তাই আমরা এটা বাদ দিলাম। পরে বাজার যাচাই করতে গিয়ে দেখলাম তিন লাখ, পাঁচ লাখ, সাত লাখ টাকার জিনিস ১৫ লাখ টাকা হয়ে গেলো।

চট্টগ্রামের জন্য ‘অক্সিজেন’
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ শামীম হাসান বলেন, নিজেরাই হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা কেনার পরিকল্পনা যখন বাতিল হয়ে গেলো, সে সময় অস্ট্রেলিয়া থেকে চমেক ৩৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা আমাদের চারটা হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা পাঠাবে বলেছিলেন। তাতে আমরা কিছুটা আশ্বস্ত হলাম। এরই মধ্যে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের প্রাক্তন ছাত্ররা এগিয়ে এলেন, তারা আমাদের পোর্টেবল ভেন্টিলেটর দেয়ার কথা বললেন। পোর্টেবল ভেন্টিলেটরের দাম প্রায় ৮-৯ লাখ টাকা। আমরা এটি নিয়ে স্টাডি করলাম, এটি দিয়ে অক্সিজেন ফ্লো দেয়া যায়। এখন আমরা ১০টি পোর্টেবল ভেন্টিলেটর পেয়েছি। ঢাকা থেকে চারটি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা এসেছে। অস্ট্রেলিয়া থেকে আরেকজন ১০টি পাঠাচ্ছেন। সর্বশেষ জিয়া করিম আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, তিনি আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন, আমাদের কী লাগবে? তখন আমরা একটি মিটিং করলাম। মিটিং করে যে সমস্ত যন্ত্রপাতি তার একটি লিস্ট করলাম, সে লিস্ট জিয়া করিমকে পাঠানো হয়েছে। জিয়া করিম স্থানীয় একটি গ্রুপের মাধ্যমে জিনিসগুলো কিনে আমাদের অনুদান হিসেবে দিচ্ছেন। আমি সৌভাগ্যবান যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ হিসেবে সারাবিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চমেকের সাবেক ছাত্ররা আমাদের সাথে যোগাযোগ করছেন। তারা আমাদের সাহায্য করতে চাচ্ছেন, যেন আমরা সুস্থ থাকি। নিজেরা সুস্থ থেকে জনগণের সেবা করতে পারি।

ডা. জিয়া করিম বলেন, আমরা যখন দেখলাম চট্টগ্রামের পরিস্থিতি খারাপ হতে শুরু করলো, তখন একটি মিটিং করলাম, মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত ছিল আমরা কিছু টাকা তুলবো, টাকা তুলে কীভাবে কোভিড-১৯ সিচুয়েশনে চমেককে সহায়তা করা যায়। তখন একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হলো। আমরা ডা. মিজান, ডা. শামীম ও ডা. কাজলের সঙ্গে যোগাযোগ করে কাজ করছি। পুরোদমে টাকা তোলা শুরু করি, আমাদের বাজেট ছিলো হান্ড্রেড থাউজেন্ড ডলার। ওই টাকা আমাদের জোগাড় হয়ে গেছে। এখন আমরা আশা করছি এটা আমরা আরও একটু বাড়াতে পারবো। লোকজন সাহায্য করতে চাচ্ছে। মাঠের পর্যালোচনা থেকে আমরা যেটা অনুধাবন করলাম। চট্টগ্রামে এখন যেটা প্রয়োজন সেটা হলো হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা। পরে আমরা এসব কেনার জন্য বাংলাদেশে যোগাযোগ শুরু করি। ইতোমধ্যেই একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমরা চুক্তি করেছি। চারটা হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা কেনার ২৫ শতাংশ টাকা আমরা ভলেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ নামে একটি সংগঠনকে দিই। আগামী ১০ দিনের মধ্যে এগুলোর ডেলিভারি হবে। এর মধ্যে আরও অনেকে আছে যারা হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা সহায়তা করতে ইচ্ছুক।

তিনি বলেন, শুধু হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা হলেই হবে না, আমাদের দেখতে হবে যে আইসিইউ সাপোর্ট আছে কি-না? আইসিইউ বেড আছে কি-না? এরপর আমরা সিদ্ধান্ত নেবো, আমরা কি আরও হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা দেব, নাকি অন্য কিছু। ডা. কাজন আরও কিছু জিনিস চেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে অক্সিজেন কনসেনট্রেটর, এন৯৫ মাস্ক, পিপিই, পালস অক্সিমিটারসহ আরও কিছু। পরবর্তী ধাপে সেগুলোর ব্যবস্থা আমরা করবো। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল, মা ও শিশু হাসপাতালেও দেয়া যাবে। কিছু ফিল্ড হাসপাতাল হচ্ছে সেখানে হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা দেয়া না গেলেও রেগুলার অক্সিজেন দিয়ে আমরা সাহায্য করতে পারবো।

আইসিইউ নিয়ে চমেক হাসপাতালের পরিস্থিতি তুলে অধ্যক্ষ শামীম হাসান বলেন, যখন করোনা পরিস্থিতি শুরু হয়নি, তখন আমাদের জেনারেল আইসিইউ ছিলে ১২টি বেডের, পেরিট্রিক আইসিইউ ছিল ১২টি বেডের, কার্ডিয়াক সার্জারিতে আট বেড, কার্ডিয়াক মেডিসিনে ১২ বেড। এখন যখন আমরা করোনা ওয়ার্ড করলাম, সেখানে আমাদের ১০টি আইসিইউ বেডের সংযোজন করা হয়। এসময় সকল সুবিধাসহ ভেন্টিলেটর ছিল চারটি, এর মধ্যে টিকে গ্রুপ থেকে পেয়েছি ১০টি, ইয়ং ওয়ান কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি ২০টি হাইকোয়ালিটি বেড দিয়েছেন, সেগুলো আইসিইউ বেডের মতই।

বৈঠকের শেষ পর্যায়ে ডা. বি এম আতিকুজ্জামান জানান, করোনা পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামকে আরও বড় পরিসরে সহায়তার জন্য তারা পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছেন। স্বল্প সময়ের মধ্যে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে।

আবু আজাদ/এইচএ/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১,১২,১৯,৬৯৬
আক্রান্ত

৫,২৯,৬০১
মৃত

৬৩,৬৩,৬৯৬
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১,৫৯,৬৭৯ ১,৯৯৭ ৭০,৭২১
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২৮,৯১,২৬৭ ১,৩২,১১২ ১২,৩৫,৯৬৫
ব্রাজিল ১৫,৪৫,৪৫৮ ৬৩,২৯৫ ৯,৭৮,৬১৫
রাশিয়া ৬,৭৪,৫১৫ ১০,০২৭ ৪,৪৬,৮৭৯
ভারত ৬,৫০,৪৩১ ১৮,৬৬৯ ৩,৯৪,৪১১
যুক্তরাজ্য ৩,১৩,৪৮৩ ৪৪,১৩১ ৩৪৪
স্পেন ২,৯৭,৬২৫ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
পেরু ২,৯৫,৫৯৯ ১০,২২৬ ১,৮৫,৮৫২
চিলি ২,৮৮,০৮৯ ৬,০৫১ ২,৫৩,৩৪৩
১০ মেক্সিকো ২,৪৫,২৫১ ২৯,৮৪৩ ১,৪৯,৩১৮
১১ ইতালি ২,৪১,১৮৪ ৩৪,৮৩৩ ১,৯১,৪৬৭
১২ ইরান ২,৩৫,৪২৯ ১১,২৬০ ১,৯৬,৪৪৬
১৩ পাকিস্তান ২,২৫,২৮৩ ৪,৬১৯ ১,২৫,০৯৪
১৪ তুরস্ক ২,০৩,৪৫৬ ৫,১৮৬ ১,৭৮,২৭৮
১৫ সৌদি আরব ২,০১,৮০১ ১,৮০২ ১,৪০,৬১৪
১৬ জার্মানি ১,৯৭,০০০ ৯,০৭৩ ১,৮১,৩০০
১৭ ফ্রান্স ১,৮৯,২২০ ২৯,৮৯৩ ৭৭,০৬০
১৮ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,৭৭,১২৪ ২,৯৫২ ৮৬,২৯৮
১৯ কলম্বিয়া ১,০৯,৫০৫ ৩,৭৭৭ ৪৫,৩৩৪
২০ কানাডা ১,০৫,০৯১ ৮,৬৬৩ ৬৮,৬৯৩
২১ কাতার ৯৯,১৮৩ ১২৩ ৯০,৩৮৭
২২ চীন ৮৩,৫৪৫ ৪,৬৩৪ ৭৮,৫০৯
২৩ আর্জেন্টিনা ৭২,৭৮৬ ১,৪৩৭ ২৫,২২৪
২৪ মিসর ৭২,৭১১ ৩,২০১ ১৯,৬৯০
২৫ সুইডেন ৭১,৪১৯ ৫,৪২০ ৪,৯৭১
২৬ বেলারুশ ৬২,৯৯৭ ৪১২ ৪৯,৯০৯
২৭ ইন্দোনেশিয়া ৬২,১৪২ ৩,০৮৯ ২৮,২১৯
২৮ বেলজিয়াম ৬১,৭২৭ ৯,৭৬৫ ১৭,০৭৩
২৯ ইকুয়েডর ৬০,৬৫৭ ৪,৭০০ ২৮,৩৯১
৩০ ইরাক ৫৬,০২০ ২,২৬২ ২৯,৬০০
৩১ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৫০,৮৫৭ ৩২১ ৩৯,৮৫৭
৩২ নেদারল্যান্ডস ৫০,৩৩৫ ৬,১১৩ ২৫০
৩৩ কুয়েত ৪৮,৬৭২ ৩৬০ ৩৯,২৭৬
৩৪ ইউক্রেন ৪৭,৬৭৭ ১,২২৭ ২১,১১৫
৩৫ কাজাখস্তান ৪৫,৭১৯ ৪৮৯ ২৬,৭৫০
৩৬ ওমান ৪৫,১০৬ ২০৩ ২৬,৯৬৮
৩৭ সিঙ্গাপুর ৪৪,৬৬৪ ২৬ ৩৯,৭৬৯
৩৮ পর্তুগাল ৪৩,১৫৬ ১,৫৯৮ ২৮,৪২৪
৩৯ ফিলিপাইন ৪১,৮৩০ ১,২৯০ ১১,৪৫৩
৪০ বলিভিয়া ৩৬,৮১৮ ১,৩২০ ১০,৭৬৬
৪১ পানামা ৩৫,৯৯৫ ৬৯৮ ১৬,৯৪৫
৪২ পোল্যান্ড ৩৫,৭১৯ ১,৫১২ ২৩,১২৭
৪৩ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৩৫,১৪৮ ৭৭৫ ১৮,৩৯২
৪৪ আফগানিস্তান ৩২,৬৭২ ৮২৬ ১৯,১৬৪
৪৫ সুইজারল্যান্ড ৩২,১০১ ১,৯৬৫ ২৯,২০০
৪৬ রোমানিয়া ২৮,৫৮২ ১,৭৩১ ২০,৪৩৩
৪৭ বাহরাইন ২৮,৪১০ ৯৫ ২৩,৩১৮
৪৮ ইসরায়েল ২৮,০৫৫ ৩২৬ ১৭,৬৬৯
৪৯ আর্মেনিয়া ২৭,৯০০ ৪৭৭ ১৫,৯৩৫
৫০ নাইজেরিয়া ২৭,৫৬৪ ৬২৮ ১১,০৬৯
৫১ আয়ারল্যান্ড ২৫,৪৯৮ ১,৭৪০ ২৩,৩৬৪
৫২ হন্ডুরাস ২২,১১৬ ৬০৫ ২,২৫০
৫৩ গুয়াতেমালা ২১,২৯৩ ৮৮০ ৩,৩১৫
৫৪ ঘানা ১৯,৩৮৮ ১১৭ ১৪,৩৩০
৫৫ আজারবাইজান ১৯,২৬৭ ২৩৫ ১০,৮২০
৫৬ জাপান ১৯,০৬৮ ৯৭৬ ১৬,৮৬৬
৫৭ অস্ট্রিয়া ১৮,১৬৫ ৭০৫ ১৬,৬০৭
৫৮ মলদোভা ১৭,৪৪৫ ৫৭৬ ১০,০৯৩
৫৯ সার্বিয়া ১৫,৫০৪ ২৯৮ ১৩,০৬৪
৬০ নেপাল ১৫,২৫৯ ৩২ ৬,১৪৩
৬১ আলজেরিয়া ১৫,০৭০ ৯৩৭ ১০,৮৩২
৬২ মরক্কো ১৩,৪৩৪ ২৩২ ৯,২১৪
৬৩ দক্ষিণ কোরিয়া ১৩,০৩০ ২৮৩ ১১,৮১১
৬৪ ডেনমার্ক ১২,৮৩২ ৬০৬ ১১,৮১৭
৬৫ ক্যামেরুন ১২,৫৯২ ৩১৩ ১০,১০০
৬৬ চেক প্রজাতন্ত্র ১২,৩১৯ ৩৫৩ ৭,৮৪৮
৬৭ আইভরি কোস্ট ১০,২৪৪ ৭০ ৪,৭২৬
৬৮ সুদান ৯,৬৬৩ ৬০৪ ৪,৬২৪
৬৯ উজবেকিস্তান ৯,৫০০ ২৯ ৬,২৫১
৭০ নরওয়ে ৮,৯২১ ২৫১ ৮,১৩৮
৭১ মালয়েশিয়া ৮,৬৫৮ ১২১ ৮,৪৬১
৭২ অস্ট্রেলিয়া ৮,৩৬২ ১০৪ ৭,৩৫৫
৭৩ এল সালভাদর ৭,৫০৭ ২১০ ৪,৪৩৪
৭৪ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৭,৩৭৯ ১৮২ ২,৯৬১
৭৫ ফিনল্যাণ্ড ৭,২৪৮ ৩২৯ ৬,৭০০
৭৬ কেনিয়া ৭,১৮৮ ১৫৪ ২,১৪৮
৭৭ সেনেগাল ৭,১৬৪ ১২৫ ৪,৬৬৬
৭৮ কিরগিজস্তান ৭,০৯৪ ৭৮ ২,৭১৪
৭৯ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৬,৭৮৭ ৩২৮ ২,৮৭৬
৮০ ভেনেজুয়েলা ৬,৫৩৭ ৫৯ ২,১০০
৮১ হাইতি ৬,২৩০ ১১০ ১,২৮৬
৮২ তাজিকিস্তান ৬,০৫৮ ৫২ ৪,৬৯০
৮৩ ইথিওপিয়া ৫,৮৪৬ ১০৩ ২,৪৩০
৮৪ গ্যাবন ৫,৬২০ ৪৪ ২,৫৫৫
৮৫ গিনি ৫,৫২১ ৩৩ ৪,৪৪৬
৮৬ বুলগেরিয়া ৫,৪৯৭ ২৩৯ ২,৮৯২
৮৭ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৪,৯৬২ ১৯১ ২,৫৫০
৮৮ জিবুতি ৪,৭৩৬ ৫৫ ৪,৫৮০
৮৯ মৌরিতানিয়া ৪,৭০৫ ১২৯ ১,৭৬৫
৯০ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪,৫৫৮ ১৬ ১,৭৭৭
৯১ লুক্সেমবার্গ ৪,৪৪৭ ১১০ ৪,০১৬
৯২ কোস্টারিকা ৪,৩১১ ১৮ ১,৬৫৭
৯৩ হাঙ্গেরি ৪,১৭৪ ৫৮৯ ২,৭৮৪
৯৪ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৩,৯১৮ ৪৮ ৮৫৯
৯৫ ফিলিস্তিন ৩,৫৯৯ ১২ ৪৬৩
৯৬ গ্রীস ৩,৪৮৬ ১৯২ ১,৩৭৪
৯৭ থাইল্যান্ড ৩,১৮৫ ৫৮ ৩,০৬৬
৯৮ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৩,০৭১ ৫১ ৮৪২
৯৯ ক্রোয়েশিয়া ৩,০০৮ ১১২ ২,১৬৮
১০০ সোমালিয়া ২,৯৪৪ ৯০ ৯৫১
১০১ আলবেনিয়া ২,৭৫২ ৭২ ১,৫৯২
১০২ মায়োত্তে ২,৬৬১ ৩৫ ২,৩৭৫
১০৩ নিকারাগুয়া ২,৫১৯ ৮৩ ১,২৩৮
১০৪ মাদাগাস্কার ২,৫১২ ২৬ ১,০৫৭
১০৫ মালদ্বীপ ২,৪১০ ১০ ১,৯৭৬
১০৬ কিউবা ২,৩৬১ ৮৬ ২,২২৪
১০৭ প্যারাগুয়ে ২,৩৪৯ ১৯ ১,১১৩
১০৮ মালি ২,২৮৫ ১১৭ ১,৫০৭
১০৯ শ্রীলংকা ২,০৬৯ ১১ ১,৮৬৩
১১০ দক্ষিণ সুদান ২,০২১ ৩৮ ৩৩৩
১১১ এস্তোনিয়া ১,৯৯৩ ৬৯ ১,৮৭০
১১২ আইসল্যান্ড ১,৮৫৫ ১০ ১,৮৩২
১১৩ লিথুনিয়া ১,৮৩১ ৭৯ ১,৫৪৫
১১৪ লেবানন ১,৮৩০ ৩৫ ১,২৯২
১১৫ গিনি বিসাউ ১,৭৬৫ ২৫ ৬৭৬
১১৬ স্লোভাকিয়া ১,৭৪৯ ২৮ ১,৪৬৬
১১৭ স্লোভেনিয়া ১,৬৭৯ ১১১ ১,৩৮৪
১১৮ জাম্বিয়া ১,৬৩২ ৩০ ১,৩৪৮
১১৯ কঙ্গো ১,৫৫৭ ৪৪ ৫০১
১২০ নিউজিল্যান্ড ১,৫৩০ ২২ ১,৪৯০
১২১ সিয়েরা লিওন ১,৫২৪ ৬২ ১,০৪২
১২২ মালাউই ১,৪৯৮ ১৬ ৩১৭
১২৩ কেপ ভার্দে ১,৩৮২ ১৫ ৬২৯
১২৪ হংকং ১,২৪৮ ১,১২৫
১২৫ ইয়েমেন ১,২৪০ ৩৩৫ ৫৩৬
১২৬ বেনিন ১,১৯৯ ২১ ৩৩৩
১২৭ তিউনিশিয়া ১,১৮১ ৫০ ১,০৪৫
১২৮ জর্ডান ১,১৪৭ ১০ ৮৯৭
১২৯ লাটভিয়া ১,১২৩ ৩০ ১,০০০
১৩০ নাইজার ১,০৮২ ৬৮ ৯৬৩
১৩১ রুয়ান্ডা ১,০৮১ ৫১২
১৩২ সাইপ্রাস ৯৯৯ ১৯ ৮৩৯
১৩৩ বুর্কিনা ফাঁসো ৯৮০ ৫৩ ৮৫২
১৩৪ উরুগুয়ে ৯৫২ ২৮ ৮৩৭
১৩৫ জর্জিয়া ৯৪৬ ১৫ ৮২৫
১৩৬ মোজাম্বিক ৯৩৯ ২৪৯
১৩৭ উগান্ডা ৯২৭ ৮৪৯
১৩৮ লিবিয়া ৯১৮ ২৭ ২৩০
১৩৯ ইসওয়াতিনি ৯০৯ ১৩ ৫১৫
১৪০ চাদ ৮৭১ ৭৪ ৭৮৬
১৪১ এনডোরা ৮৫৫ ৫২ ৮০০
১৪২ লাইবেরিয়া ৮৩৩ ৩৭ ৩৪৬
১৪৩ জ্যামাইকা ৭২১ ১০ ৫৬৫
১৪৪ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৪৫ সান ম্যারিনো ৬৯৮ ৪৫ ৬৫৬
১৪৬ মালটা ৬৭২ ৬৫০
১৪৭ টোগো ৬৭১ ১৪ ৪২৪
১৪৮ মন্টিনিগ্রো ৬৬৩ ১৩ ৩১৫
১৪৯ জিম্বাবুয়ে ৬২৫ ১৭৬
১৫০ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৭১ ৪৮ ৫২৮
১৫১ সুরিনাম ৫৬১ ১৩ ২৬৭
১৫২ রিইউনিয়ন ৫৩৩ ৪৭২
১৫৩ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৫৪ তাইওয়ান ৪৪৯ ৪৩৮
১৫৫ ভিয়েতনাম ৩৫৫ ৩৪০
১৫৬ নামিবিয়া ৩৫০ ২৫
১৫৭ মরিশাস ৩৪১ ১০ ৩৩০
১৫৮ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩১২
১৫৯ সিরিয়া ৩২৮ ১০ ১২৩
১৬০ অ্যাঙ্গোলা ৩২৮ ১৮ ১০৭
১৬১ কমোরস ৩০৯ ২৪১
১৬২ মায়ানমার ৩০৬ ২৩৭
১৬৩ বতসোয়ানা ২৭৭ ২৯
১৬৪ গায়ানা ২৫৬ ২৩ ১১৭
১৬৫ মার্টিনিক ২৪৯ ১৪ ৯৮
১৬৬ মঙ্গোলিয়া ২২০ ১৮৩
১৬৭ ইরিত্রিয়া ২১৫ ৫৬
১৬৮ কেম্যান আইল্যান্ড ২০১ ১৯৪
১৬৯ বুরুন্ডি ১৯১ ১১৮
১৭০ ফারে আইল্যান্ড ১৮৭ ১৮৭
১৭১ গুয়াদেলৌপ ১৮৪ ১৪ ১৫৭
১৭২ জিব্রাল্টার ১৭৮ ১৭৬
১৭৩ বারমুডা ১৪৬ ১৩৭
১৭৪ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৭৫ কম্বোডিয়া ১৪১ ১৩১
১৭৬ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১৩০ ১১৫
১৭৭ মোনাকো ১০৬ ৯৫
১৭৮ আরুবা ১০৪ ৯৮
১৭৯ বাহামা ১০৪ ১১ ৮৯
১৮০ বার্বাডোস ৯৭ ৯০
১৮১ লিচেনস্টেইন ৮৬ ৮১
১৮২ সিসিলি ৮১ ১১
১৮৩ সিন্ট মার্টেন ৭৮ ১৫ ৬৩
১৮৪ ভুটান ৭৮ ৫১
১৮৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৬৯ ২৩
১৮৬ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬২ ৬০
১৮৭ গাম্বিয়া ৫৫ ২৭
১৮৮ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৮৯ ম্যাকাও ৪৬ ৪৫
১৯০ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৪৫ ১১
১৯১ সেন্ট মার্টিন ৪৩ ৩৭
১৯২ লেসোথো ৩৫ ১১
১৯৩ বেলিজ ৩০ ১৯
১৯৪ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২৯ ২৯
১৯৫ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯৬ গ্রেনাডা ২৩ ২৩
১৯৭ কিউরাসাও ২৩ ১৯
১৯৮ সেন্ট লুসিয়া ২২ ১৯
১৯৯ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২১ ২১
২০০ লাওস ১৯ ১৯
২০১ ডোমিনিকা ১৮ ১৮
২০২ ফিজি ১৮ ১৮
২০৩ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৫ ১৫
২০৪ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১৩
২০৫ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০৬ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২০৭ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৮ পাপুয়া নিউ গিনি ১১
২০৯ পশ্চিম সাহারা ১০
২১০ জান্ডাম (জাহাজ)
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ সেন্ট বারথেলিমি
২১৩ এ্যাঙ্গুইলা
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]