এইডসের ভয়ে পরিবারের সবাইকে হত্যার দাবি, পুলিশের নাকচ


প্রকাশিত: ০৯:০৮ পিএম, ১২ মার্চ ২০১৫

এ যেন কোনো ক্রাইম থ্রিলার।

পুলিশের দাবি প্রাভিন মানওয়ার মিথ্যে গল্প ফেঁদেছেন। কারণ, পুলিশ হেফাজতে থাকা প্রাভিনের রক্ত পরীক্ষা করে এইচআইভি`র কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।

কিন্তু ভারতের দিল্লী নিবাসী প্রাভিনের দাবি, এইডস আক্রান্ত হয়ে সামাজিক অসম্মানের ভয় তাকে বাধ্য করেছে স্ত্রী এবং দুই মেয়েসহ আত্মহত্যার চেষ্টা করতে। ঘটনাচক্রে তিনি নিজে বেঁচে গেছেন।

“দিল্লির নিষিদ্ধ পল্লীতে আমার যাতায়াত ছিল। এসময় আমার মুখে একধরণের আলসারের ঘা হয়। তা থেকেই সংক্রমণ। আমি ইন্টারনেট ঘেঁটে দেখি সব লক্ষণ মিলে যাচ্ছে। বিশেষ করে আমার ওজন কমে যাওয়ার ব্যাপারটা। প্রথমে আমি একাই আত্মহত্যা করার কথা ভেবেছিলাম। তারপর স্ত্রীকে সব খুলে বলি। সে শুরুতে দু’দিন ঝগড়াঝাটি- রাগারাগি করে। পরে বলে, ঠিক আছে। আমরা আত্মহত্যার জন্য অমরাবতীতে যাই। কিন্তু বাচ্চাদের মারতে হাত সরছিল না। ইন্টারনেট ঘেঁটে সবচেয়ে কম কষ্টের মৃত্যু হিসেবে বিষ খাওয়ার কথা ভাবি। এরপর ৪ মার্চ বেটুলের দিকে গাড়ি চালিয়ে যাই আমরা। স্ত্রী শিল্পা, আমার বড় মেয়ে শ্রাবণী (৯) আর ছোট মেয়ে পরিণিতি (২)। আমি গাড়িটা একটা খাদে নামিয়ে দিই। গাড়ি একটা গাছে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। আমি জানালা দিয়ে বের হয়ে যাই। বাকিরা আটকা পড়ে। তখন আমি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিই।“

মানওয়ারের এই দীর্ঘ গল্পকে স্রেফ ধোঁকাবাজি উল্লেখ করে পুলিশ বলেছে, অপরাধ ঢাকতে এই গল্প বানিয়েছেন তিনি। খুন এবং খুনের আলামত নষ্ট করার দায়ে পুলিশ মানওয়ারকে অভিযুক্ত করেছে।

পুলিশের মতে, এইচআইভি পরীক্ষার ফলাফল না সূচক আসার খবরেও বিন্দুমাত্র বিচলিত দেখায়নি প্রাভিন মানওয়ারকে।

এসআরজে

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।