চীনে ২৪ ঘণ্টায় দুই চিকিৎসকের প্রাণ নিল করোনাভাইরাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:৪৯ এএম, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০
ড. হুয়াং ওয়েনজুন ও শিয়া সিসি

চীনের হুবেই প্রদেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে দুই চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- হুবেই প্রদেশের জিয়াওগান কেন্দ্রীয় হাসপাতালের চিকিৎসক হুয়াং ওয়েনজুন (৪২) এবং ইউনিয়ন জিয়াংবেই হাসপাতালের চিকিৎসক ড. শিয়া সিসি।

দেশটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শ্বাসযন্ত্রের ওষুধ বিশেষজ্ঞ ছিলেন হুয়াং ওয়েনজুন। হুবেই প্রদেশের জিয়াওগান কেন্দ্রীয় হাসপাতালে দায়িত্বরত অবস্থায় তার নিউমোনিয়া ধরা পড়ে। পরে রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাদে ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

মৃত্যুর পর অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই চিকিৎসককে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। একজন লিখেছেন, ‘সমবেদনা, এমন বীরকে সব সময় মনে থাকবে।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘শান্তিতে থাকুন।’

হুয়াং ওয়েনজুনের মৃত্যুর পর একজন টুইট বার্তায় লেখেন, ‘হুয়াং ওয়েনজুনের মতো মানুষদের জন্য আমাদের অনেক শ্রদ্ধা। তার চলে যাওয়া মানবেতার জন্য বড় ক্ষতি।’

হুয়াং ওয়েনজুনের মৃত্যুর আগে ইউনিয়ন জিয়াংবেই হাসপাতালের নারী চিকিৎসক ড. শিয়া সিসির মৃত্যু হয়। রোগীদের মাধ্যমে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর গত ২৯ জানুয়ারি থেকে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে ৭ ফেব্রুয়ারি তাকে উহান বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝোংনান হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্থানীয় সময় রোববার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

jagonews24

নতুন করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ এর প্রাণকেন্দ্র চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে। হুবেই প্রদেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বের ২৯টি দেশ ও চারটি অঞ্চলে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়লেও এখন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্ত দক্ষিণ কোরিয়ায়।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, যে ৫৫৬ জন করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন; তাদের অধিকাংশই দক্ষিণপূর্বাঞ্চলীয় দায়েগু শহরের একটি গির্জার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। আক্রান্তদের বেশিরভাগই গত সপ্তাহে দায়েগুর শিনচিওনজি গির্জায় এক প্রার্থনায় অংশ নিয়েছিলেন। গির্জায় অংশ নেয়া ৬১ বছর বয়সী এক নারীর শরীর পরীক্ষায় করোনাভাইরাসের আলামত পাওয়া যায়। তবে সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার বাইরে যাওয়ার কোনও রেকর্ড নেই ওই নারীর।

কোরিয়া সেন্টারস ফর ডিজিজ অ্যান্ড কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (কেসিডিসি) বলছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৫৫৬ জনের মধ্যে ৩০৯ জনই ওই গির্জার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট; যা মোট আক্রান্তের প্রায় ৫৫ দশমিক ৬ শতাংশ।

এর আগে, দক্ষিণ কোরিয়ায় করোনায় আক্রান্ত হিসেবে যাদের শনাক্ত করা হয়; তাদের চীন সফরের রেকর্ড ছিল। কিন্তু ২৫ লাখ মানুষের দায়েগু শহরে করোনায় সংক্রমিত হওয়ার সঙ্গে চীনের সংশ্লিষ্টতা নেই। দ্রুতগতিতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় শুক্রবার দায়েগু এবং চিওংডো শহরকে ‘স্পেশাল কেয়ার জোন’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় গত ২০ জানুয়ারি প্রথমবারের মতো করোনাক্রান্ত ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া যায়। তখন থেকে রোববার পর্য ন্ত প্রাণঘাতী এই ভাইরাস দেশটিতে চারজনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। রোববার চিওংডো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৫৭ বছর বয়সী চতুর্থ এক ব্যক্তি করোনায় মারা গেছেন।

এদিকে, করোনার প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করায় শনিবার দক্ষিণ কোরিয়া ভ্রমণে সতর্কতার মাত্রা বৃদ্ধি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। অসুস্থ লোকজনের সংস্পর্শ এড়াতে এবং ভাইরাস সংক্রমিত দ. কোরিয়া সফর না করতে দেশটির নাগরিকদের আহ্বান জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর।

কেসিডিসি বলছে, চলতি মাসের শুরুর দিকে দক্ষিণ কোরিয়ার নর্থ গিওংস্যাং প্রদেশের ১৭ জন যাজক ও তাদের ট্যুর গাইড ইসরায়েলে গিয়েছিলেন। তাদের সবাই করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন। এদিকে, ভাইরাসের আতঙ্কে ইসরায়েলের তেল আবিব শহরের বেন গুরিওন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কোরিয়া এয়ারের দক্ষিণ কোরীয় যাত্রীবাহী একটি বিমানকে অবতরণ করতে দেয়া হয়নি।

দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কোনও ধরনের আগাম নোটিশ দেয়া ছাড়াই বিমান অবতরণ করতে না দেয়ায় আমাদের ভ্রমণকারীদের অসুবিধার কথা জানিয়ে ইসরায়েলের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে এ ধরনের কোনও ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলে সিউলকে আশ্বস্ত করেছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার দায়েগু, ওয়াংজু এবং অন্যান্য শহরের সব গির্জায় গণজমায়েত ও অন্য ধরনের সব সমাবেশ স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।

চীনে উৎপত্তি হওয়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস বিশ্বের দুই ডজনের বেশি দেশে ছড়িয়েছে। শনিবার পর্যন্ত চীনে এই ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ৭৬ হাজার ৯৩৬ জন এবং মারা গেছেন দুই হাজার ৪৪২ জন। তবে বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৭৮ হাজার ৭২৬ জন এবং প্রাণ হারিয়েছেন ২ হাজার ৪৬২ জন।

এমএসএইচ

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১০,১৭,৫৬৭
আক্রান্ত

৫৩,২৪৯
মৃত

২,১৩,২১৭
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৬১ ২৬
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২,৪৫,৩৭৩ ৬,০৯৫ ১০,৪০৩
ইতালি ১,১৫,২৪২ ১৩,৯১৫ ১৮,২৭৮
স্পেন ১,১২,০৬৫ ১০,৩৪৮ ২৬,৭৪৩
জার্মানি ৮৪,৭৯৪ ১,১০৭ ২২,৪৪০
চীন ৮১,৬২০ ৩,৩২২ ৭৬,৫৭১
ফ্রান্স ৫৯,১০৫ ৫,৩৮৭ ১২,৪২৮
ইরান ৫০,৪৬৮ ৩,১৬০ ১৬,৭১১
যুক্তরাজ্য ৩৩,৭১৮ ২,৯২১ ১৩৫
১০ সুইজারল্যান্ড ১৮,৮২৭ ৫৩৬ ৪,০১৩
১১ তুরস্ক ১৮,১৩৫ ৩৫৬ ৪১৫
১২ বেলজিয়াম ১৫,৩৪৮ ১,০১১ ২,৪৯৫
১৩ নেদারল্যান্ডস ১৪,৬৯৭ ১,৩৩৯ ২৫০
১৪ কানাডা ১১,২৮৩ ১৭৩ ১,৯৭৯
১৫ অস্ট্রিয়া ১১,১৯৯ ১৫৮ ১,৭৪৯
১৬ দক্ষিণ কোরিয়া ১০,০৬২ ১৭৪ ৬,০২১
১৭ পর্তুগাল ৯,০৩৪ ২০৯ ৬৮
১৮ ব্রাজিল ৮,০৬৬ ৩২৭ ১২৭
১৯ ইসরায়েল ৭,০৩০ ৩৬ ৩৩৮
২০ সুইডেন ৫,৫৬৮ ৩০৮ ১০৩
২১ অস্ট্রেলিয়া ৫,৩৫০ ২৮ ৫৮৫
২২ নরওয়ে ৫,২১৮ ৫০ ৩২
২৩ রাশিয়া ৪,১৪৯ ৩৪ ২৮১
২৪ আয়ারল্যান্ড ৩,৮৪৯ ৯৮
২৫ চিলি ৩,৪০৪ ১৮ ৩৩৫
২৬ ডেনমার্ক ৩,৩৮৬ ১২৩ ১,০৮৯
২৭ ইকুয়েডর ৩,১৬৩ ১২০ ৬৫
২৮ মালয়েশিয়া ৩,১১৬ ৫০ ৭৬৭
২৯ পোল্যান্ড ২,৯৪৬ ৫৭ ৫৬
৩০ রোমানিয়া ২,৭৩৮ ১১৬ ২৬৭
৩১ ফিলিপাইন ২,৬৩৩ ১০৭ ৫১
৩২ জাপান ২,৬১৭ ৬৩ ৪৭২
৩৩ ভারত ২,৫৬৭ ৭২ ১৯২
৩৪ লুক্সেমবার্গ ২,৪৮৭ ৩০ ৮০
৩৫ পাকিস্তান ২,৪৫০ ৩৫ ১২৬
৩৬ থাইল্যান্ড ১,৯৭৮ ১৯ ৫৮১
৩৭ সৌদি আরব ১,৮৮৫ ২১ ৩২৮
৩৮ ইন্দোনেশিয়া ১,৭৯০ ১৭০ ১১২
৩৯ ফিনল্যাণ্ড ১,৬১৫ ১৯ ৩০০
৪০ গ্রীস ১,৫৪৪ ৫৩ ৬১
৪১ মেক্সিকো ১,৫১০ ৫০ ৬৩৩
৪২ পানামা ১,৪৭৫ ৩৭
৪৩ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,৪৬২ ৯৫
৪৪ পেরু ১,৪১৪ ৫৫ ৫৩৭
৪৫ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,৩৮০ ৬০ ১৬
৪৬ আইসল্যান্ড ১,৩১৯ ২৮৪
৪৭ আর্জেন্টিনা ১,২৬৫ ৩৭ ২৫৬
৪৮ সার্বিয়া ১,১৭১ ৩১ ৪২
৪৯ কলম্বিয়া ১,১৬১ ১৯ ৫৫
৫০ কলম্বিয়া ১,১৬১ ১৯ ৫৫
৫১ সিঙ্গাপুর ১,০৪৯ ২৬৬
৫২ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,০২৪ ৯৬
৫৩ ক্রোয়েশিয়া ১,০১১ ৮৮
৫৪ আলজেরিয়া ৯৮৬ ৮৬ ৬১
৫৫ কাতার ৯৪৯ ৭২
৫৬ ইউক্রেন ৯৪২ ২৩ ১৯
৫৭ স্লোভেনিয়া ৮৯৭ ১৭ ৭০
৫৮ নিউজিল্যান্ড ৮৬৮ ১০৩
৫৯ মিসর ৮৬৫ ৫৮ ২০১
৬০ এস্তোনিয়া ৮৫৮ ১১ ৪৫
৬১ হংকং ৮০২ ১৫৪
৬২ ইরাক ৭৭২ ৫৪ ২০২
৬৩ আর্মেনিয়া ৭৩৬ ৪৩
৬৪ মরক্কো ৭৩৫ ৪৭ ৩৪
৬৫ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদতরী) ৭১২ ১১ ৬১৯
৬৬ লিথুনিয়া ৬৯৬
৬৭ বাহরাইন ৬৪৩ ৩৮১
৬৮ হাঙ্গেরি ৬২৩ ২৬ ৪৩
৬৯ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৫৪৩ ১৬ ২৭
৭০ মলদোভা ৫০৫ ২৩
৭১ লেবানন ৪৯৪ ১৬ ৪৬
৭২ লাটভিয়া ৪৯৩ ৩১
৭৩ বুলগেরিয়া ৪৭৭ ১২ ৩০
৭৪ চেক রিপাবলিক ৪৬৪
৭৫ তিউনিশিয়া ৪৫৫ ১৪
৭৬ কাজাখস্তান ৪৪৮ ২৮
৭৭ এনডোরা ৪২৮ ১৫ ১০
৭৮ স্লোভাকিয়া ৪২৬
৭৯ আজারবাইজান ৪০০ ২৬
৮০ কোস্টারিকা ৩৯৬
৮১ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৩৮৪ ১১ ১৭
৮২ উরুগুয়ে ৩৬৯ ৬৮
৮৩ সাইপ্রাস ৩৫৬ ১০ ২৮
৮৪ তাইওয়ান ৩৪৮ ৫০
৮৫ কুয়েত ৩৪২ ৮১
৮৬ রিইউনিয়ন ৩০৮ ৪০
৮৭ ক্যামেরুন ৩০৬ ১০
৮৮ বেলারুশ ৩০৪ ৫৩
৮৯ জর্ডান ২৯৯ ৪৫
৯০ চেক রিপাবলিক ২৯৩
৯১ বুর্কিনা ফাঁসো ২৮৮ ১৬ ৫০
৯২ আলবেনিয়া ২৭৭ ১৬ ৭৬
৯৩ আফগানিস্তান ২৭৩ ১০
৯৪ সান ম্যারিনো ২৪৫ ৩০ ২১
৯৫ ভিয়েতনাম ২৩৩ ৮৫
৯৬ কিউবা ২৩৩ ১৩
৯৭ ওমান ২৩১ ৫৭
৯৮ হন্ডুরাস ২২২ ১৫
৯৯ উজবেকিস্তান ২২১ ২৫
১০০ ঘানা ২০৪ ৩১
১০১ মালটা ১৯৬
১০২ সেনেগাল ১৯৫ ৫৫
১০৩ আইভরি কোস্ট ১৯৪ ১৫
১০৪ নাইজেরিয়া ১৮৪ ২০
১০৫ ফারে আইল্যান্ড ১৭৯ ৯১
১০৬ ফিলিস্তিন ১৬১ ১৮
১০৭ মন্টিনিগ্রো ১৬০
১০৮ শ্রীলংকা ১৫১ ২২
১০৯ জর্জিয়া ১৪৮ ২৭
১১০ ভেনেজুয়েলা ১৪৬ ৪৩
১১১ মার্টিনিক ১৩৮ ২৭
১১২ ব্রুনাই ১৩৩ ৫৬
১১৩ বলিভিয়া ১৩২
১১৪ কিরগিজস্তান ১৩০
১১৫ গুয়াদেলৌপ ১২৮ ২৪
১১৬ মায়োত্তে ১১৬ ১০
১১৭ কম্বোডিয়া ১১৪ ৩৫
১১৮ কেনিয়া ১১০
১১৯ নাইজার ৯৮
১২০ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৯৭
১২১ প্যারাগুয়ে ৯২
১২২ জিব্রাল্টার ৮৮ ৪৬
১২৩ রুয়ান্ডা ৮৪
১২৪ লিচেনস্টেইন ৭৫
১২৫ মোনাকো ৬০
১২৬ আরুবা ৬০
১২৭ গিনি ৫২
১২৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৫১ ১৫
১২৯ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৫১ ১৫
১৩০ গুয়াতেমালা ৪৭ ১২
১৩১ জ্যামাইকা ৪৭
১৩২ বার্বাডোস ৪৬
১৩৩ ম্যাকাও ৪১ ১০
১৩৪ টোগো ৩৯ ১৭
১৩৫ পুয়ের্তো রিকো ৩৯
১৩৬ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৩৭
১৩৭ গুয়াম ৩২
১৩৮ ইথিওপিয়া ২৯
১৩৯ কেম্যান আইল্যান্ড ২৮
১৪০ বাহামা ২৪
১৪১ কঙ্গো ২২
১৪২ গ্যাবন ২১
১৪৩ তানজানিয়া ২০
১৪৪ মালদ্বীপ ১৯ ১৩
১৪৫ গায়ানা ১৯
১৪৬ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১৫
১৪৭ মঙ্গোলিয়া ১৪
১৪৮ নামিবিয়া ১৪
১৪৯ সেন্ট লুসিয়া ১৩
১৫০ বেনিন ১৩
১৫১ ডোমিনিকা ১২
১৫২ সুরিনাম ১০
১৫৩ সিসিলি ১০
১৫৪ গ্রীনল্যাণ্ড ১০
১৫৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
১৫৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
১৫৭ সুদান
১৫৮ ভ্যাটিকান সিটি
১৫৯ ভ্যাটিকান সিটি
১৬০ নেপাল
১৬১ মৌরিতানিয়া
১৬২ লাইবেরিয়া
১৬৩ ভুটান
১৬৪ মন্টসেরাট
১৬৫ সোমালিয়া
১৬৬ গাম্বিয়া
১৬৭ তাজিকিস্তান
১৬৮ সেন্ট পিয়ের ও মিকুয়েলন
১৬৯ মার্কিন ভার্জিন আইল্যান্ড
১৭০ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড
১৭১ ক্রিস্টমাস আইল্যান্ড
১৭২ মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।