করোনাভাইরাস: যে ৬টি কাজ করতে বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:০৮ পিএম, ২৬ মার্চ ২০২০

করোনাভাইরাসের কারণে বাংলাদেশে আজ থেকে ১০ দিনের ছুটি শুরু ও গণপরিবহন চলাচল বন্ধ হওয়ার মধ্য দিয়ে কার্যত লকডাউন শুরু হয়েছে। এর আগে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য, কাচা বাজার এবং ওষুধের দোকান ছাড়া সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। বন্ধ হয়েছে সব স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়সহ সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক জনসমাগম।

ভাইরাসে বিস্তাররোধে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী। গতরাতে জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া এক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সবাইকে ঘরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

কিন্তু বাংলাদেশর মতো বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোতে এই লকডাউন বা শাটডাউন আসলে চলতে পারে কতদিন ধরে? কী হবে এই লকডাউন পরিস্থিতিতে? আর এগুলো কী করোনাভাইরাস প্রার্দুভাব ঠেকাতে পারবে?

এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস অ্যাধানম গেব্রেইয়েসাস বুধবার এক প্রেস বিফ্রিংয়ে বলেন, আমরাও বুঝি যে এসব দেশ আসলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে যে কখন এবং কীভাবে এসব পদক্ষেপগুলো শিথিল করা যায়।

তার মন্তব্য, এই জনসংখ্যাবিষয়ক পদক্ষেপগুলো কার্যকর থাকার সময়টাতে দেশগুলো কী ব্যবস্থা নেয় - তার ওপর এর উত্তর নির্ভর করছে। মানুষকে ঘরে থাকতে বলা এবং তাদের চলাচল বন্ধ করার অর্থ হচ্ছে সময় নেয়া এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর চাপ কমানো।

কিন্তু দেশগুলোর এসব পদক্ষেপ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কা কমাতে পারবে না। এই লকডাউনের সময়টাতে ভাইরাসটিকে 'অ্যাটাক (হামলা)' করার জন্য তৈরি হতে দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কিন্তু কীভাবে এই সময়টাকে কাজে লাগাবে এসব দেশ- সেটিও একটি প্রশ্ন।

আর এর জবাবও দিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক গেব্রেইয়েসাস।

যে ৬টি কাজ একান্ত জরুরি

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, লকডাউন বা শাটডাউন পরিস্থিতিতে দেশগুলোকে ছয়টি বিষয়ের দিকে নজর দিতে হবে। এগুলো হলো:

১. যতটা সম্ভব পারা যায় স্বাস্থ্য সেবা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সংখ্যা বাড়াতে হবে, তাদের প্রশিক্ষণ ও সেবা কাজে নিয়োগ করতে হবে।

২. কমিউনিটি লেভেলে সংক্রমণ হতে পারে; এমন প্রতিটি ঘটনা খুঁজে বের করার ব্যবস্থা করতে হবে।

৩. টেস্ট করার জন্য সকল ধরনের ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করতে হবে।

৪. রোগীদের চিকিৎসা এবং তাদের আইসোলেট করার জন্য পর্যাপ্ত সুবিধার ব্যবস্থা করতে হবে।

৫. রোগীদের সংস্পর্শে আসা প্রত্যেকের কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করার জন্য একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

৬. ইতিমধ্যে কোভিড-১৯ মোকাবেলা করার জন্য গৃহীত সরকারি পদক্ষেপগুলো পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে।

jagonews24

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে এসব ব্যবস্থা নেয়াকেই সবচেয়ে ভালো পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থাটির দাবি, এসব ব্যবস্থাই ভাইরাসটির সংক্রমণ কমানোর সবচেয়ে ভালো উপায়; যাতে পরবর্তীতে এটি আবার না ছড়াতে পারে।

এসব ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পর স্কুল-কলেজ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুললেও অসুবিধা নেই, যতক্ষণ না আবারও ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু না হয়।

গেব্রেইয়েসাস বলছেন, কঠোর সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার চাইতে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের 'খুজে বের করা, আইসোলেট করা, টেস্ট করা এবং নজরদারিতে রাখা'র বিষয়ে আগ্রাসী পদক্ষেপ নিতে পারলেই সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে ও কার্যকর উপায়ে ভাইরাসটিকে প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে প্রাণঘাতী এই করনোভাইরাসের উৎপত্তি হয়। চীনে ৩ হাজার ২৮৭ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়ে এই ভাইরাস এখন বিশ্বের ১৯৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। চীন করোনার বিস্তার ঠেকাতে সক্ষম হলেও বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৯১ হাজার ৭৭৫ এবং মৃত ২২ হাজার ১৭৪ জনে। এছাড়া এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৬৩ জন। বিবিসি বাংলা।

এসআইএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৮,৫৪,০৩৯
আক্রান্ত

৪২,০১৪
মৃত

১,৭৬,৯০৬
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৫১ ২৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১,৮৫,২৭০ ৩,৭৮০ ৬,৩৪৭
ইতালি ১,০৫,৭৯২ ১২,৪২৮ ১৫,৭২৯
স্পেন ৯৫,৯২৩ ৮,৪৬৪ ১৯,২৫৯
চীন ৮১,৫১৮ ৩,৩০৫ ৭৬,০৫২
জার্মানি ৭১,৬৯০ ৭৭৪ ১৬,১০০
ফ্রান্স ৫২,১২৮ ৩,৫২৩ ৯,৪৪৪
ইরান ৪৪,৬০৫ ২,৮৯৮ ১৪,৬৫৬
যুক্তরাজ্য ২৫,১৫০ ১,৭৮৯ ১৩৫
১০ সুইজারল্যান্ড ১৬,৬০৫ ৪৩৩ ১,৮২৩
১১ তুরস্ক ১৩,৫৩১ ২১৪ ২৪৩
১২ বেলজিয়াম ১২,৭৭৫ ৭০৫ ১,৬৯৬
১৩ নেদারল্যান্ডস ১২,৫৯৫ ১,০৩৯ ২৫০
১৪ অস্ট্রিয়া ১০,১৮০ ১২৮ ১,০৯৫
১৫ দক্ষিণ কোরিয়া ৯,৭৮৬ ১৬২ ৫,৪০৮
১৬ কানাডা ৮,৫০৫ ১০১ ১,১৬২
১৭ পর্তুগাল ৭,৪৪৩ ১৬০ ৪৩
১৮ ব্রাজিল ৫,৭১৭ ২০১ ১২৭
১৯ ইসরায়েল ৫,৩৫৮ ২০ ২২৪
২০ নরওয়ে ৪,৬৪১ ৩৯ ১৩
২১ অস্ট্রেলিয়া ৪,৫৬১ ১৯ ৩৩৭
২২ সুইডেন ৪,৪৩৫ ১৮০ ১৬
২৩ আয়ারল্যান্ড ৩,২৩৫ ৭১
২৪ ডেনমার্ক ২,৮৬০ ৯০
২৫ মালয়েশিয়া ২,৭৬৬ ৪৩ ৫৩৭
২৬ চিলি ২,৭৩৮ ১২ ১৫৬
২৭ রাশিয়া ২,৩৩৭ ১৭ ১২১
২৮ পোল্যান্ড ২,৩১১ ৩৩
২৯ রোমানিয়া ২,২৪৫ ৮২ ২২০
৩০ ইকুয়েডর ২,২৪০ ৭৫ ৫৪
৩১ লুক্সেমবার্গ ২,১৭৮ ২৩ ৮০
৩২ ফিলিপাইন ২,০৮৪ ৮৮ ৪৯
৩৩ জাপান ১,৯৫৩ ৫৬ ৪২৪
৩৪ পাকিস্তান ১,৯৩৮ ২৬ ৭৬
৩৫ থাইল্যান্ড ১,৬৫১ ১০ ৩৪২
৩৬ সৌদি আরব ১,৫৬৩ ১০ ১৬৫
৩৭ ইন্দোনেশিয়া ১,৫২৮ ১৩৬ ৮১
৩৮ ফিনল্যাণ্ড ১,৪১৮ ১৭ ১০
৩৯ ভারত ১,৩৯৭ ৩৫ ১২৩
৪০ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,৩৫৩ ৩১
৪১ গ্রীস ১,৩১৪ ৪৯ ৫২
৪২ আইসল্যান্ড ১,১৩৫ ১৯৮
৪৩ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,১০৯ ৫১
৪৪ মেক্সিকো ১,০৯৪ ২৮ ৩৫
৪৫ পানামা ১,০৭৫ ২৭
৪৬ পেরু ১,০৬৫ ৩০ ৩৯৪
৪৭ আর্জেন্টিনা ৯৬৬ ২৬ ২৪০
৪৮ সিঙ্গাপুর ৯২৬ ২৪০
৪৯ কলম্বিয়া ৯০৬ ১৬ ৩১
৫০ কলম্বিয়া ৯০৬ ১৬ ৩১
৫১ সার্বিয়া ৯০০ ২৩ ৪২
৫২ ক্রোয়েশিয়া ৮৬৭ ৬৭
৫৩ স্লোভেনিয়া ৮০২ ১৫ ১০
৫৪ কাতার ৭৮১ ৬২
৫৫ এস্তোনিয়া ৭৪৫ ২৬
৫৬ আলজেরিয়া ৭১৬ ৪৪ ৪৬
৫৭ হংকং ৭১৪ ১২৮
৫৮ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদতরী) ৭১২ ১০ ৬০৩
৫৯ মিসর ৭১০ ৪৬ ১৫৭
৬০ ইরাক ৬৯৪ ৫০ ১৭০
৬১ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৬৬৪ ৬১
৬২ নিউজিল্যান্ড ৬৪৭ ৭৪
৬৩ ইউক্রেন ৬৪৫ ১৭ ১০
৬৪ মরক্কো ৬১৭ ৩৬ ২৪
৬৫ বাহরাইন ৫৬৭ ২৯৫
৬৬ লিথুনিয়া ৫৩৭
৬৭ আর্মেনিয়া ৫৩২ ৩০
৬৮ হাঙ্গেরি ৪৯২ ১৬ ৩৭
৬৯ লেবানন ৪৭০ ১২ ৩৭
৭০ চেক রিপাবলিক ৪৬৪
৭১ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৪২০ ১৩ ১৭
৭২ বুলগেরিয়া ৩৯৯ ১৭
৭৩ লাটভিয়া ৩৯৮
৭৪ তিউনিশিয়া ৩৯৪ ১০
৭৫ এনডোরা ৩৭৬ ১২ ১০
৭৬ স্লোভাকিয়া ৩৬৩
৭৭ মলদোভা ৩৫৩ ১৮
৭৮ কোস্টারিকা ৩৪৭
৭৯ কাজাখস্তান ৩৪৩ ২৪
৮০ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৩২৯ ১২
৮১ তাইওয়ান ৩২২ ৩৯
৮২ উরুগুয়ে ৩২০ ২৫
৮৩ আজারবাইজান ২৯৮ ২৬
৮৪ চেক রিপাবলিক ২৯৩
৮৫ কুয়েত ২৮৯ ৭৩
৮৬ জর্ডান ২৭৪ ৩০
৮৭ সাইপ্রাস ২৬২ ২৩
৮৮ বুর্কিনা ফাঁসো ২৬১ ১৪ ৩২
৮৯ রিইউনিয়ন ২৪৭
৯০ আলবেনিয়া ২৪৩ ১৫ ৫২
৯১ সান ম্যারিনো ২৩৬ ২৬ ১৩
৯২ ভিয়েতনাম ২০৭ ৫৮
৯৩ ক্যামেরুন ১৯৩
৯৪ ওমান ১৯২ ৩৪
৯৫ কিউবা ১৮৬
৯৬ সেনেগাল ১৭৫ ৪০
৯৭ আফগানিস্তান ১৭৪
৯৮ উজবেকিস্তান ১৭২
৯৯ মালটা ১৬৯
১০০ ফারে আইল্যান্ড ১৬৯ ৭৪
১০১ আইভরি কোস্ট ১৬৮
১০২ ঘানা ১৬১ ৩১
১০৩ বেলারুশ ১৫২ ৪৭
১০৪ শ্রীলংকা ১৪৩ ১৭
১০৫ হন্ডুরাস ১৪১
১০৬ নাইজেরিয়া ১৩৫
১০৭ ভেনেজুয়েলা ১৩৫ ৩৯
১০৮ ব্রুনাই ১২৯ ৪৫
১০৯ মার্টিনিক ১২৮ ২৭
১১০ ফিলিস্তিন ১১৯ ১৮
১১১ গুয়াদেলৌপ ১১৪ ২২
১১২ জর্জিয়া ১১০ ২১
১১৩ কম্বোডিয়া ১০৯ ২৩
১১৪ মন্টিনিগ্রো ১০৯
১১৫ বলিভিয়া ১০৭
১১৬ কিরগিজস্তান ১০৭
১১৭ মায়োত্তে ৯৪ ১০
১১৮ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৮৭
১১৯ রুয়ান্ডা ৭৫
১২০ জিব্রাল্টার ৬৯ ৩৪
১২১ লিচেনস্টেইন ৬৮
১২২ প্যারাগুয়ে ৬৫
১২৩ কেনিয়া ৫৯
১২৪ আরুবা ৫৫
১২৫ মোনাকো ৫২
১২৬ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৩
১২৭ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৩
১২৮ ম্যাকাও ৪১ ১০
১২৯ পুয়ের্তো রিকো ৩৯
১৩০ গুয়াতেমালা ৩৮ ১০
১৩১ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৩৬
১৩২ জ্যামাইকা ৩৬
১৩৩ টোগো ৩৪ ১০
১৩৪ বার্বাডোস ৩৪
১৩৫ গুয়াম ৩২
১৩৬ নাইজার ২৭
১৩৭ ইথিওপিয়া ২৬
১৩৮ গিনি ২২
১৩৯ কঙ্গো ১৯
১৪০ তানজানিয়া ১৯
১৪১ মালদ্বীপ ১৮ ১৩
১৪২ গ্যাবন ১৬
১৪৩ বাহামা ১৪
১৪৪ মঙ্গোলিয়া ১২
১৪৫ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১২
১৪৬ কেম্যান আইল্যান্ড ১২
১৪৭ গায়ানা ১২
১৪৮ ডোমিনিকা ১২
১৪৯ নামিবিয়া ১১
১৫০ সিসিলি ১০
১৫১ গ্রীনল্যাণ্ড ১০
১৫২ সেন্ট লুসিয়া
১৫৩ বেনিন
১৫৪ সুরিনাম
১৫৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
১৫৬ সুদান
১৫৭ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
১৫৮ ভ্যাটিকান সিটি
১৫৯ মৌরিতানিয়া
১৬০ ভ্যাটিকান সিটি
১৬১ নেপাল
১৬২ মন্টসেরাট
১৬৩ সোমালিয়া
১৬৪ ভুটান
১৬৫ গাম্বিয়া
১৬৬ তাজিকিস্তান
১৬৭ সেন্ট পিয়ের ও মিকুয়েলন
১৬৮ লাইবেরিয়া
১৬৯ মার্কিন ভার্জিন আইল্যান্ড
১৭০ ক্রিস্টমাস আইল্যান্ড
১৭১ মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র
১৭২ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।