ফ্রান্সের একটি গির্জা যেভাবে হয়ে উঠল করোনার টাইম বোমা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:৪৪ পিএম, ৩০ মার্চ ২০২০

১৮ ফেব্রুয়ারির সন্ধ্যা। ফ্রান্সের ক্রিশ্চিয়ান ওপেন ডোর গির্জায় হাজার হাজার মানুষের সমাগম। জার্মানি এবং সুইজারল্যান্ড সীমান্ত লাগোয়া এক লাখের বেশি মানুষের শহর ফ্রান্সের মুলহাউসের এই গির্জায় সপ্তাহব্যাপী এক ধর্মীয় উপাসনায় অংশ নিয়েছেন হাজার হাজার মাইল দূরের মানুষ। প্রত্যেক বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হাজারও মানুষ এই গির্জায় বহুল আকাঙ্ক্ষিত উপাসনায় অংশ নেন।

এবার এই উপাসনায় অংশ নেয়া কেউ একজন করোনাভাইরাসকে সঙ্গী করেছিলেন। মুলহাউসের স্থানীয় সরকার বলছে, করোনার ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখোমুখি হওয়া উত্তর ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে এই গির্জার ধর্মীয় সেই উপাসনা অনুষ্ঠানের সম্পর্ক রয়েছে। এই গির্জায় গিয়েছিলেন এমন আড়াই হাজার মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

ফ্রান্সের মুলহাউসের ক্রিশ্চিয়ান ওপেন ডোর গির্জা থেকে এই ভাইরাস এখন ছড়িয়েছে পশ্চিম আফ্রিকার বুর্কিনা ফাঁসো থেকে ভূমধ্যসাগরীয় দ্বীপ কর্সিকা, লাতিন আমেরিকার গায়ানা থেকে সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্সের পারমাণবিক পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে ইউরোপের বৃহত্তম গাড়ি প্রস্তুতকারক মার্সিডিজ-বেঞ্জের কারখানায়ও।

ধর্মীয় ওই অনুষ্ঠানের কয়েক সপ্তাহ পর ফ্রান্সের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করে দেয় জার্মানি। একই সঙ্গে গত ২৫ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দুই দেশের নাগরিকদের অবাধ চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে জার্মানি। গির্জার ওই ঘটনার কারণেই জার্মানি এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্র রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছে।

গির্জার কর্মকর্তারা বলেছেন, গির্জাটির সমাবেশে অংশ নেয়াদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

একই ধরনের একটি ধর্মীয় সমাবেশ থেকে করোনাভাইরাস বিস্তারের ঘটনা আছে দক্ষিণ কোরিয়ায়। দেশটির দায়েগু শহরের একটি গির্জায় অংশ নিয়েছিলেন হাজার হাজার মানুষ। সেখানে শুধু একজন নারী করোনা সংক্রমিত জানার পরও চিকিৎসকদের কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ উপেক্ষা করে গির্জার সমাবেশে গিয়েছিলেন। পরে তার মাধ্যমে গির্জায় আসা ৫ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হন।

ক্রিশ্চিয়ান ওপেন ডোর গির্জার পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং প্রাদুর্ভাব মোকাবিলার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তারা রয়টার্সকে যে গল্পটি বলেছেন তাতে করোনাভাইরাস সংক্রমণের গতি এবং নাজুক পরিস্থিতির কথা উঠে এসেছে। ফ্রান্সের ওই অঞ্চলের স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এখনও এই সংক্রমণ মোকাবিলার প্রস্তুতি পর্বে রয়েছেন।

ফ্রান্সে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪০ হাজার ১৭৪ এবং মারা গেছেন ২ হাজার ৬০৬ জন। উত্তর ইউরোপের বিভিন্ন দেশের মতো ফ্রান্সের সরকারও বড় ধরনের জনসমাবেশ কিংবা মানুষের অবাধ চলাচলের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেনি।

যে কারণে ওই গির্জার সমাবেশে অংশগ্রহণকারীদের জন্য কোনও হ্যান্ড স্যানিটাইজার কিংবা হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করেনি কর্তৃপক্ষ। গির্জাটির প্রতিষ্ঠাতার নাতি এবং বর্তমান প্রধান যাজক জোনাথন পিটার্সমিট বলেন, সেই সময় আমরা কোভিড-১৯ কে খুব দূরের কিছু মনে করেছিলাম। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় পিটার্সমিটের বাবা স্যামুয়েলের সাক্ষাৎকার নিতে পারেনি রয়টার্স।

এই গির্জার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রথম করোনা রোগী পাওয়া যায় ২৯ ফেব্রুয়ারি। এরপর দেশটির জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এই গির্জায় আগতদের ও তাদের সংস্পর্শে আসাদের শনাক্ত করতে দীর্ঘ অনুসন্ধান শুরু করেন। কিন্তু তার আগেই গির্জায় আগতরা দেশটির বিভিন্ন প্রান্ত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েন।

গির্জা কর্তৃপক্ষ উপাসনায় অংশগ্রহণকারীদের একটি তালিকা দেশটির স্বাস্থ্যবিভাগের কাছে দিয়েছে। কিন্তু স্বাস্থ্যবিভাগের তদন্তকারীরা বলছেন, বেশ দেরি হয়ে গেছে। ফ্রান্সের পূর্বাঞ্চলের জাতীয় জনস্বাস্থ্য সংস্থার মহামারি বিশেষজ্ঞ মাইকেল ভার্নি বলেন, গির্জায় শিশুদের দেখাশোনা যারা করেন, ইতিমধ্যে তাদের অনেকেই করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন।

তিনি বলেন, আমরা হেরে গিয়েছি। আমরা বুঝতে পারছি, আমাদের সামনে এখন করোনার টাইম বোমা অপেক্ষা করছে।

গির্জার সমাবেশে অংশগ্রহণকারীদের একজন স্থানীয় বাসিন্দা এলি উইদমার। একটি গৃহ নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের ৩৭ বছর বয়সী এই ব্যাবস্থাপক বলেন, তার বাবা-মা এই গির্জার সদস্য ছিলেন। ১৯৬৬ সালে গির্জাটি নির্মাণ করেছিলেন জিন পিটার্সমিট নামের এক ব্যবসায়ী। একদিন হঠাৎ করেই তার স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ওই দোকানি যীশু খ্রিস্টের বাণী প্রচার করলে স্ত্রী সুস্থ হয়ে যান বলে জনশ্রুতি রয়েছে। এর পরপরই যীশুর বাণী প্রচারের জন্য গির্জাটি প্রতিষ্ঠা করেন জিন।

এলি উইদমার বলেন, কিশোর বয়সে এই গির্জা থেকে দূরে ছিলেন তিনি, কিন্তু বর্তমানে আবারও সেখানে যাতায়াত শুরু করেছেন। মুলহাউসের এই গির্জার বাৎসরিক এই সমাবেশের জন্য অনেকেই পুরো বছর ধরে অপেক্ষা করেন। তিনি বলেন, এই সপ্তাহে সেখানে গেলে আপনি বিশেষ শক্তি অনুভব করবেন। আধ্যাত্মিক এই শক্তি অর্জনের জন্য আপনি সবকিছু এক সপ্তাহের জন্য বন্ধ করে দেবেন। এই গির্জার বাদক দলের ড্রামার হিসাবে সেখানে পুরো সপ্তাহজুড়ে থাকেন এলি।

ভূ-মধ্যসাগরীয় দ্বীপ কর্সিকা থেকে এই সমাবেশে এসেছিলেন ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধা অ্যান্টইনিত্তে। গত ২৫ বছর ধরে তিনি মুলহাউসের ওই গির্জার সপ্তাহব্যাপি ধর্মীয় সমাবেশে আসেন। এ বছর পরিচিত আরও পাঁচ নারীকে নিয়ে ক্রিশ্চিয়ান ওপেন ডোর গির্জায় এসেছিলেন তিনি। গির্জায় অংশগ্রহণকারীদের মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়াতে পারে এমন কথা বাইরের লোকজন বললেও তা উড়িয়ে দিয়েছিলেন সেখানে আগত লোকজন- নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন অ্যান্টইনিত্তের এক সঙ্গী।

বুর্কিনা ফাসোর রাজধানী ওয়াগাদোগু থেকে এয়ার ফ্রান্সের একটি ফ্লাইটে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি প্যারিসের চার্লস দ্য গল বিমানবন্দরে যান মামাদো কারামবিরি। নিজ দেশের একটি গির্জার যাজক তিনি। চমৎকার বক্তা হিসেবে সুপরিচিত সাদা চুলের এই যাজক ক্রিশ্চিয়ান ওপেন ডোর গির্জার তারকা যাজকদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

রাজধানী ওয়াগাদোগুতে মামাদো কারামবিরির গির্জাটি একটি গুদামের মতো; যেখানে ১২ হাজার মানুষের ধারণক্ষমতা আছে। নিরাপত্তারক্ষী এবং স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ফ্রান্সের মুলহাউসে গিয়েছিলেন মামাদো কারামবিরি। কারামবিরি দেশে ফেরার পর তার গির্জায় উপাসনায় অংশ নিয়েছিলেন; পরে সেখানকার ১২ জন করোনায় সংক্রমিত হন।

মুলহাউসের ক্রিশ্চিয়ান ওপেন ডোর গির্জার পাশে চারতলা বিশিষ্ট একটি ক্যাফে রয়েছে। গির্জায় আগত ব্যক্তিরা সেখানে একসঙ্গে একই প্লেটে খাবার সাড়েন। দুই সন্তানকে নিয়ে গির্জার উপাসনায় গিয়েছিলেন এক নারী। পরেই দুই সন্তান-সহ তিনিও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যাজক জোনাথন পিটার্সমিট বলেন, গির্জায় সপ্তাব্যাপি উপাসনার প্রত্যেকদিন গড়ে আড়াই হাজারের বেশি মানুষ অংশ নেন। দিনের পর দিন সেখানে অসংখ্য মানুষ আসেন এবং সময় কাটান।

ভাইরাসের বিস্তার

ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে গির্জার ড্রামার এলি উইদমার অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার স্ত্রী, তিন সন্তান এবং শাশুড়িও অসুস্থ হন। গত ৩ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, ফ্রান্সে মোট ১৯১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ ঘটনার পর গির্জা কর্তৃপক্ষ ফেসবুকে এক পোস্টে গির্জায় আগতদের সবাইকে চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেয়।

উইদমার ফ্রান্সের জরুরি নম্বর ১৫ ডায়াল করেন চিকিৎসা সেবা নেয়ার জন্য। কিন্তু তাকে পরীক্ষা করানোর মতো কিট বলে জানানো হয়। তবে চিকিৎসকরা তাকে করোনা রোগী হিসেবে চিকিৎসা দেন এবং পরিবার-সহ কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ পান তিনি।

তিনদিনের প্রচন্ড জ্বর এবং মাথা ব্যথার সঙ্গে মুখের স্বাদ হারিয়ে ফেলেন উইদমার। তবে এটা নিয়ে বিশেষ কোনও দুশ্চিন্তা ছিল না তার। কিন্তু পরিবারের সদস্যদের মাঝে মৃদু উপসর্গ রয়েছে। উইদমার সুস্থ হয়ে উঠলেও তার পরিবারের সদস্যরা এখনও আইসোলেশনে আছেন। গির্জার প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্যদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। তবে তাদের মধ্যে এক ডজনের বেশি সদস্য ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

সীমান্ত থেকে কয়েক মাইল দূরে বসে জার্মান কর্মকর্তারা ক্রমবর্ধমান এই শঙ্কা পর্যবেক্ষণ করছিলেন। প্রত্যেকদিন গড়ে ৪৫ হাজার ফরাসী সীমান্ত পাড়ি দিয়ে জার্মানিতে আসেন। তারা জার্মানিতে পোরশে এবং মার্সিডিজ-বেঞ্জের কারখানায় কাজ করেন। এই কারখানার কিছু শ্রমিক মুলহাউসের সেই গির্জায় গিয়েছিলেন। পরে তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন করোনা সংক্রমিত হন।

মুলহাউসের কাছে ফ্রান্সের পারমাণবিক পাওয়ার প্ল্যান্টের একজন কমী গির্জার সমাবেশে গিয়েছিলেন; পরে তিনিও করোনা পজিটিভ শনাক্ত হন। তড়িঘড়ি করে জার্মান কর্তৃপক্ষ ফ্রান্সের সঙ্গে আংশিক সীমান্ত বন্ধ করে দেয়।

অ্যান্টইনিত্তের গল্পে ফেরা যাক

গির্জার উপাসনা শেষে ভূমধ্যসাগরীয় কর্সিকা দ্বীপের বাসিন্দা অ্যান্টইনিত্তে বাসায় ফেরেন। ফেরার ৯দিন পর মুলহাউস কর্তৃপক্ষ তাকে টেলিফোনে গির্জা থেকে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হয়েছে বলে জানায়।

সেই রাতেই তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। এই দ্বীপের বাসিন্দা হিসেবে অ্যান্টইনিত্তে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হন। তখন থেকেই আইসোলেশনে আছেন তিনি। ২৭ মার্চ পর্যন্ত কর্সিয়া দ্বীপে ২৬৩ জন করোনা সংক্রমিত হয়েছেন; যাদের ২১ জন মারা গেছেন।

অ্যান্টইনিত্তে বলেন, মানুষ এখন করোনার বিস্তারের জন্য আমার দিকে আঙুল তুলছে। তাদের একটি বলির পাঠা দরকার। এই দ্বীপের বাসিন্দারা করোনাভাইরাসকে বহন করে নিয়ে আসার জন্য মুলহাউসের গির্জা থেকে ফেরা অ্যান্টইনিত্তেকে দায়ী করছেন।

২০ মার্চ ফ্রান্সে করোনা রোগীর সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়ে যায়। যাদের অধিকাংশই মুলহাউসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। স্থানীয় জনস্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ভার্নি বলেন, আক্রান্তদের বেশিরভাগের সঙ্গে মুলহাউসের গির্জার যোগসূত্র রয়েছে।

করোনার চিকিৎসা সরঞ্জাম ও আইসিইউ শয্যার অভাবে কিছু রোগীকে হেলিকপ্টারে করে সুইজাল্যান্ড, জার্মানি এবং লুক্সেমবার্গে নেয়া হয়েছে। রোগীদের চিকিৎসায় খোলা আকাশের নিচে নতুন করে হাসপাতাল নির্মাণ করেছে ফরাসী সেনাবাহিনী।

বুর্কিনা ফাসোর পাদ্রী মামাদো কারামবিরির গল্প

রাজধানী ওয়াগাদোগুর পাদ্রী কারামবিরি পরিবার ও নিরাপত্তারক্ষীসহ দেশে ফেরার পর ১ মার্চ অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্থানীয় একটি ক্লিনিকে পরীক্ষায় তার শরীরে করোনার উপস্থিতি পাওয়া যায়। ২০ মার্চ পর্যন্ত পরিবারসহ কোয়ারেন্টাইনে যান তিনি।

পরে স্ত্রীকে পাশে নিয়ে ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় ভক্তদের উদ্দেশে নিজের করোনা সংক্রমিত হওয়ার খবর দেন তিনি। বিশ্বজুড়ে করোনার প্রাদুর্ভাবের ব্যাপারে মামাদো কারামবিরি বলেন, পৃথিবী ধ্বংস করার জন্য অনেক আগেই শয়তান এই পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু সৃষ্টিকর্তা আমাদের দেখছেন। তিনিই এই দুর্যোগ থেকে আমাদের রক্ষা করবেন।

এসআইএস/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৫৯,৪৫,২৪৫
আক্রান্ত

৩,৬২,৯২১
মৃত

২৬,০৮,৪৩৯
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪২,৮৪৪ ৫৮২ ৯,০১৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৭,৭১,৬৩১ ১,০৩,৪১৮ ৪,৯৯,১১৩
ব্রাজিল ৪,৩৮,৮১২ ২৬,৯৯১ ১,৯৩,১৮১
রাশিয়া ৩,৮৭,৬২৩ ৪,৩৭৪ ১,৫৯,২৫৭
স্পেন ২,৮৪,৯৮৬ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ২,৬৯,১২৭ ৩৭,৮৩৭ ৩৪৪
ইতালি ২,৩১,৭৩২ ৩৩,১৪২ ১,৫০,৬০৪
ফ্রান্স ১,৮৬,২৩৮ ২৮,৬৬২ ৬৭,১৯১
জার্মানি ১,৮২,৭১০ ৮,৫৭৭ ১,৬৪,১০০
১০ ভারত ১,৬৯,০১১ ৪,৮২০ ৭২,৫৪৩
১১ তুরস্ক ১,৬০,৯৭৯ ৪,৪৬১ ১,২৪,৩৬৯
১২ ইরান ১,৪৬,৬৬৮ ৭,৬৭৭ ১,১৪,৯৩১
১৩ পেরু ১,৪১,৭৭৯ ৪,০৯৯ ৫৯,৪৪২
১৪ কানাডা ৮৮,৫১২ ৬,৮৭৭ ৪৬,৮৪০
১৫ চিলি ৮৬,৯৪৩ ৮৯০ ৩৬,১৫০
১৬ চীন ৮২,৯৯৫ ৪,৬৩৪ ৭৮,২৯১
১৭ সৌদি আরব ৮১,৭৬৬ ৪৫৮ ৫৭,০১৩
১৮ মেক্সিকো ৮১,৪০০ ৯,০৪৪ ৫৬,৬৩৮
১৯ পাকিস্তান ৬৪,০২৮ ১,৩১৭ ২২,৩০৫
২০ বেলজিয়াম ৫৮,০৬১ ৯,৪৩০ ১৫,৬৮২
২১ কাতার ৫২,৯০৭ ৩৬ ২০,৬০৪
২২ নেদারল্যান্ডস ৪৬,১২৬ ৫,৯৩১ ২৫০
২৩ বেলারুশ ৪০,৭৬৪ ২২৪ ১৭,৩৯০
২৪ ইকুয়েডর ৩৮,৪৭১ ৩,৩১৩ ১৮,৪২৫
২৫ সুইডেন ৩৬,৪৭৬ ৪,৩৫০ ৪,৯৭১
২৬ সিঙ্গাপুর ৩৩,৮৬০ ২৩ ১৮,২৯৪
২৭ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৩৩,১৭০ ২৬০ ১৭,০৯৭
২৮ পর্তুগাল ৩১,৯৪৬ ১,৩৮৩ ১৮,৯১১
২৯ সুইজারল্যান্ড ৩০,৮২৮ ১,৯১৯ ২৮,৩০০
৩০ দক্ষিণ আফ্রিকা ২৭,৪০৩ ৫৭৭ ১৪,৩৭০
৩১ কলম্বিয়া ২৫,৩৬৬ ৮২২ ৬,৬৬৫
৩২ ইন্দোনেশিয়া ২৫,২১৬ ১,৫২০ ৬,৪৯২
৩৩ কুয়েত ২৫,১৮৪ ১৯৪ ৯,২৭৩
৩৪ আয়ারল্যান্ড ২৪,৮৪১ ১,৬৩৯ ২২,০৮৯
৩৫ পোল্যান্ড ২২,৯৬৪ ১,০৪৩ ১০,৬৯২
৩৬ ইউক্রেন ২২,৮১১ ৬৭৯ ৮,৯৩৪
৩৭ মিসর ২০,৭৯৩ ৮৪৫ ৫,৩৫৯
৩৮ রোমানিয়া ১৮,৯৮২ ১,২৪০ ১২,৮২৯
৩৯ ইসরায়েল ১৬,৮৮৭ ২৮৪ ১৪,৭২৭
৪০ জাপান ১৬,৬৮৩ ৮৬৭ ১৪,১৪৭
৪১ অস্ট্রিয়া ১৬,৬৫৫ ৬৬৮ ১৫,৩৪৭
৪২ ফিলিপাইন ১৬,৬৩৪ ৯৪২ ৩,৭২০
৪৩ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১৬,০৬৮ ৪৮৫ ৮,৯৫২
৪৪ আর্জেন্টিনা ১৪,৭০২ ৫১০ ৪,৭৮৮
৪৫ আফগানিস্তান ১৩,৬৫৯ ২৪৬ ১,২৫৯
৪৬ পানামা ১২,১৩১ ৩২০ ৭,৩৭৯
৪৭ ডেনমার্ক ১১,৫৯৩ ৫৬৮ ১০,২৪০
৪৮ দক্ষিণ কোরিয়া ১১,৪০২ ২৬৯ ১০,৩৬৩
৪৯ সার্বিয়া ১১,৩৫৪ ২৪২ ৬,৫২৪
৫০ বাহরাইন ১০,৩৫২ ১৫ ৫,৪৯১
৫১ কাজাখস্তান ৯,৯৩২ ৪৮৯ ৫,০১১
৫২ ওমান ৯,৮২০ ৪০ ২,৩৯৬
৫৩ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,১৪৩ ৩১৯ ৬,৪৬৪
৫৪ আলজেরিয়া ৮,৯৯৭ ৬৩০ ৫,২৭৭
৫৫ নাইজেরিয়া ৮,৯১৫ ২৫৯ ২,৫৯২
৫৬ আর্মেনিয়া ৮,৬৭৬ ১২০ ৩,২৯৭
৫৭ নরওয়ে ৮,৪২২ ২৩৬ ৭,৭২৭
৫৮ বলিভিয়া ৮,৩৮৭ ২৯৩ ৭৩৮
৫৯ মলদোভা ৭,৮৯৬ ২৮৮ ৪,২৭৮
৬০ মালয়েশিয়া ৭,৭৩২ ১১৫ ৬,২৩৫
৬১ মরক্কো ৭,৬৯৭ ২০২ ৫,২২৩
৬২ ঘানা ৭,৬১৬ ৩৪ ২,৪২১
৬৩ অস্ট্রেলিয়া ৭,১৭৩ ১০৩ ৬,৫৮২
৬৪ ফিনল্যাণ্ড ৬,৭৭৬ ৩১৪ ৫,৫০০
৬৫ ইরাক ৫,৪৫৭ ১৭৯ ২,৯৭১
৬৬ ক্যামেরুন ৫,৪৩৬ ১৭৫ ১,৯৯৬
৬৭ আজারবাইজান ৪,৯৮৯ ৫৮ ৩,১২৫
৬৮ হন্ডুরাস ৪,৭৫২ ১৯৬ ৫১৯
৬৯ গুয়াতেমালা ৪,৩৪৮ ৮০ ৫৬৫
৭০ সুদান ৪,৩৪৬ ১৯৫ ৭৪৯
৭১ লুক্সেমবার্গ ৪,০০৮ ১১০ ৩,৮০৩
৭২ হাঙ্গেরি ৩,৮৪১ ৫১৭ ২,০২৪
৭৩ তাজিকিস্তান ৩,৬৮৬ ৪৭ ১,৭৬৯
৭৪ গিনি ৩,৫৫৩ ২২ ১,৯৫০
৭৫ উজবেকিস্তান ৩,৪৬৮ ১৪ ২,৭২৮
৭৬ সেনেগাল ৩,৪২৯ ৪১ ১,৭৩৮
৭৭ থাইল্যান্ড ৩,০৭৬ ৫৭ ২,৯৪৫
৭৮ জিবুতি ২,৯১৪ ২০ ১,২৪১
৭৯ গ্রীস ২,৯০৬ ১৭৫ ১,৩৭৪
৮০ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ২,৮৩৩ ৬৯ ৪০০
৮১ আইভরি কোস্ট ২,৬৪১ ৩২ ১,৩২৬
৮২ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৪৮৫ ১৫৩ ১,৮০৩
৮৩ বুলগেরিয়া ২,৪৮৫ ১৩৬ ১,০১৬
৮৪ গ্যাবন ২,৪৩১ ১৪ ৬৬৮
৮৫ এল সালভাদর ২,২৭৮ ৪২ ১,০১৫
৮৬ ক্রোয়েশিয়া ২,২৪৫ ১০৩ ২,০৫৯
৮৭ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২,১২৯ ১২৬ ১,৫১৬
৮৮ কিউবা ২,০০৫ ৮২ ১,৭৬০
৮৯ এস্তোনিয়া ১,৮৫৯ ৬৭ ১,৬১০
৯০ সোমালিয়া ১,৮২৮ ৭২ ৩১০
৯১ আইসল্যান্ড ১,৮০৫ ১০ ১,৭৯৪
৯২ কেনিয়া ১,৭৪৫ ৬২ ৪৩৮
৯৩ মায়োত্তে ১,৬৯৯ ২১ ১,৩৮৫
৯৪ লিথুনিয়া ১,৬৬২ ৬৮ ১,২১৬
৯৫ কিরগিজস্তান ১,৬৬২ ১৬ ১,০৮৮
৯৬ শ্রীলংকা ১,৫৪০ ১০ ৭৫৪
৯৭ স্লোভাকিয়া ১,৫২০ ২৮ ১,৩৩৮
৯৮ মালদ্বীপ ১,৫১৩ ১৯৭
৯৯ নিউজিল্যান্ড ১,৫০৪ ২২ ১,৪৮১
১০০ স্লোভেনিয়া ১,৪৭৩ ১০৮ ১,৩৫৭
১০১ হাইতি ১,৪৪৩ ৩৫ ২৯
১০২ ভেনেজুয়েলা ১,৩২৫ ১৬ ৩০২
১০৩ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১,৩০৬ ১২ ২০০
১০৪ নেপাল ১,২১২ ২০৬
১০৫ গিনি বিসাউ ১,১৯৫ ৪২
১০৬ মালি ১,১৯৪ ৭২ ৬৫২
১০৭ লেবানন ১,১৭২ ২৬ ৭০৫
১০৮ আলবেনিয়া ১,০৯৯ ৩৩ ৮৫১
১০৯ হংকং ১,০৮০ ১,০৩৫
১১০ তিউনিশিয়া ১,০৭১ ৪৮ ৯৪৬
১১১ লাটভিয়া ১,০৬৫ ২৪ ৭৪৫
১১২ জাম্বিয়া ১,০৫৭ ৭৭৯
১১৩ কোস্টারিকা ১,০০০ ১০ ৬৪৬
১১৪ দক্ষিণ সুদান ৯৯৪ ১০
১১৫ ইথিওপিয়া ৯৬৮ ১৯৭
১১৬ নাইজার ৯৫৫ ৬৪ ৮০৩
১১৭ সাইপ্রাস ৯৪১ ১৭ ৭৮৪
১১৮ প্যারাগুয়ে ৯০০ ১১ ৪০২
১১৯ উরুগুয়ে ৮৮৭ ২২ ৬৫৪
১২০ বুর্কিনা ফাঁসো ৮৪৭ ৫৩ ৭১৯
১২১ সিয়েরা লিওন ৮২৯ ৪৫ ৩৮৬
১২২ এনডোরা ৭৬৪ ৫১ ৬৮৪
১২৩ নিকারাগুয়া ৭৫৯ ৩৫ ৩৭০
১২৪ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৭৫৫ ২৩
১২৫ জর্জিয়া ৭৪৬ ১২ ৫৭৬
১২৬ জর্ডান ৭২৮ ৫৮৬
১২৭ চাদ ৭২৬ ৬৫ ৪১৩
১২৮ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১২৯ মাদাগাস্কার ৬৯৮ ১৬৪
১৩০ সান ম্যারিনো ৬৭১ ৪২ ৩৪৪
১৩১ মালটা ৬১৬ ৫১৪
১৩২ ফিলিস্তিন ৫৭৭ ৩৬৮
১৩৩ কঙ্গো ৫৭১ ১৯ ১৬১
১৩৪ জ্যামাইকা ৫৬৯ ২৮৪
১৩৫ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৬০ ৪৫ ৫১৭
১৩৬ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৩৭ রিইউনিয়ন ৪৭০ ৪১১
১৩৮ তাইওয়ান ৪৪২ ৪২০
১৩৯ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৩৬ ১৬১
১৪০ টোগো ৪২২ ১৩ ১৯৭
১৪১ কেপ ভার্দে ৩৯০ ১৫৫
১৪২ রুয়ান্ডা ৩৪৯ ২৪৫
১৪৩ মৌরিতানিয়া ৩৪৬ ১৯ ১৫
১৪৪ বেনিন ৩৩৯ ১৩৬
১৪৫ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩০৬
১৪৬ মরিশাস ৩৩৫ ১০ ৩২২
১৪৭ ভিয়েতনাম ৩২৭ ২৭৯
১৪৮ মন্টিনিগ্রো ৩২৪ ৩১৫
১৪৯ উগান্ডা ৩১৭ ৬৯
১৫০ ইসওয়াতিনি ২৭৯ ১৬৮
১৫১ ইয়েমেন ২৭৮ ৫৭ ১১
১৫২ লাইবেরিয়া ২৭৩ ২৭ ১৪৬
১৫৩ মোজাম্বিক ২৩৩ ৮২
১৫৪ মায়ানমার ২০৬ ১২৬
১৫৫ মালাউই ২০৩ ৪২
১৫৬ মার্টিনিক ১৯৭ ১৪ ৯১
১৫৭ ফারে আইল্যান্ড ১৮৭ ১৮৭
১৫৮ মঙ্গোলিয়া ১৭৯ ৪৩
১৫৯ গুয়াদেলৌপ ১৬১ ১৪ ১১৫
১৬০ জিব্রাল্টার ১৬১ ১৪৮
১৬১ গায়ানা ১৫০ ১১ ৬৭
১৬২ জিম্বাবুয়ে ১৪৯ ২৮
১৬৩ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৬৪ বারমুডা ১৪০ ৯২
১৬৫ কেম্যান আইল্যান্ড ১৪০ ৬৭
১৬৬ কম্বোডিয়া ১২৪ ১২২
১৬৭ সিরিয়া ১২২ ৪৩
১৬৮ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১১৬ ১০৮
১৬৯ লিবিয়া ১০৫ ৪১
১৭০ আরুবা ১০১ ৯৮
১৭১ বাহামা ১০১ ১১ ৪৭
১৭২ মোনাকো ৯৮ ৯০
১৭৩ বার্বাডোস ৯২ ৭৬
১৭৪ কমোরস ৮৭ ২৪
১৭৫ লিচেনস্টেইন ৮২ ৫৫
১৭৬ সিন্ট মার্টেন ৭৭ ১৫ ৬০
১৭৭ অ্যাঙ্গোলা ৭৪ ১৮
১৭৮ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬০ ৬০
১৭৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৮০ ম্যাকাও ৪৫ ৪৫
১৮১ বুরুন্ডি ৪২ ২০
১৮২ সেন্ট মার্টিন ৪০ ৩৩
১৮৩ ইরিত্রিয়া ৩৯ ৩৯
১৮৪ বতসোয়ানা ৩৫ ২০
১৮৫ ভুটান ৩১
১৮৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ২৫ ১৯
১৮৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২৫ ১৪
১৮৮ গাম্বিয়া ২৫ ১৯
১৮৯ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯০ নামিবিয়া ২৩ ১৪
১৯১ গ্রেনাডা ২৩ ১৮
১৯২ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৯ ১৮
১৯৩ লাওস ১৯ ১৬
১৯৪ সেন্ট লুসিয়া ১৮ ১৮
১৯৫ কিউরাসাও ১৮ ১৪
১৯৬ ফিজি ১৮ ১৫
১৯৭ বেলিজ ১৮ ১৬
১৯৮ ডোমিনিকা ১৬ ১৬
১৯৯ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৫ ১৫
২০০ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১১
২০১ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০২ সুরিনাম ১২
২০৩ ভ্যাটিকান সিটি ১২
২০৪ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১২ ১০
২০৫ সিসিলি ১১ ১১
২০৬ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৭ জান্ডাম (জাহাজ)
২০৮ পশ্চিম সাহারা
২০৯ পাপুয়া নিউ গিনি
২১০ সেন্ট বারথেলিমি
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ এ্যাঙ্গুইলা
২১৩ লেসোথো
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।